ads

বৃহস্পতিবার , ৫ অক্টোবর ২০১৭ | ৩১শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

বিএনপি রোহিঙ্গাদের ত্রাণ দিতে গিয়ে ফটোসেশনে ব্যস্ত ॥ সেতুমন্ত্রী

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
অক্টোবর ৫, ২০১৭ ৭:৩০ অপরাহ্ণ

শ্যামলবাংলা ডেস্ক : বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে দেশে অরাজক পরিস্থিতি তৈরি করতে বিএনপি রোহিঙ্গা ইস্যুকে কাজে লাগাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ১৯৯২ সালে যখন রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে এসেছিল, তখন ক্ষমতাসীন বিএনপি কী করেছিল আমরা সেদিকে যেতে চাই না। কিন্তু এবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাৎক্ষণিক যেভাবে রোহিঙ্গাদের মানবিক আশ্রয়ের জন্য সাড়া দিয়েছেন, তা নজিরবিহীন। ৫ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দুপুরে কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার বালুখালী ময়নাঘোনা এলাকায় বালুখালী-২ অস্থায়ী রোহিঙ্গা শিবিরে ত্রাণ বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের ওই কথা বলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এর আগে তিনি ওই এলাকায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) দুই দিনব্যাপী মেডিকেল শিবির উদ্বোধন করেন। বিএসএমএমইউয়ের উপাচার্য কামরুল হাসানের নেতৃত্বে ৫০ জন চিকিৎসক ৪টি শিবিরের মাধ্যমে কুতুপালং ও বালুখালীতে টানা দুই দিন চিকিৎসাসেবা দেবেন। ওষুধগুলো বিনা মূল্যে বিতরণ করা হবে।
সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘শৃঙ্খলার মধ্যে রাখার জন্য এখন রোহিঙ্গাদের এক জায়গায় নিয়ে আসা হচ্ছে। কিন্তু এতেও বিএনপির চুলকানি শুরু হয়েছে। না বুঝে উল্টাপাল্টা অভিযোগ করছে। আসলে তারা চায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে একটা ইস্যু তৈরি করতে।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি রোহিঙ্গা শিবিরে এসে ত্রাণ দেওয়ার নামে তামাশা করেছে, ফটোসেশন করে চলে গেছে। তারা ঢাকায় বসে বড় বড় কথা বলে। কিন্তু বাস্তবে রোহিঙ্গা পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে কত কষ্ট হচ্ছে, সেটা তারা বোঝে না। আসলে এটা যে তাদের নোংরা রাজনীতি ছাড়া আর কিছুই নয়; সেটা দেশের মানুষ বুঝতে পারছে।
রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে মিয়ানমারের মন্ত্রীর আশ্বাসের প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, বৈশ্বিক চাপের মুখে পরিস্থিতিটাকে এড়াতে মিয়ানমারের এটা কোনো কৌশল বা লেবাশ কি না, সেটা বুঝতে হবে। এর জন্য অপেক্ষা করতে হবে।
ওই সময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের ত্রাণবিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সিরাজুল মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান প্রমুখ।

error: কপি হবে না!