ads

মঙ্গলবার , ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৭ | ৩রা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শেরপুরে নবকলি প্রকল্প সমাপনী সভা

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৭ ৮:৪৬ অপরাহ্ণ

স্টাফ রিপোর্টার ॥ শেরপুরে শিশু ও গর্ভবতী মহিলাদের পুষ্টি উন্নয়নে ওয়ার্ল্ডভিশনের গৃহীত নবকলি প্রকল্পের সমাপনী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১২ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার দুপুরে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সভাকক্ষে ওই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. সেলিম মিয়ার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি উপজেলা পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা হুমায়ুন কবীর তালুকদার, কৃষি কর্মকর্তা পিকন কুমার সাহা, প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা রেজওয়ানুল হক ভুঁইয়া, ডেপুটি প্রকল্প কর্মকর্তা তাহমিদুর রহমান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
প্রকল্প ব্যবস্থাপক ডা. বুশরা আসেনা তাঁর স্বাগত বক্তব্যে বলেন শেরপুর সদর উপজেলার বলাইয়ের চর, লছমনপুর, গাজীর খামার ও পাকুড়িয়া ইউনিয়নে কম ওজনের শিশু জন্মের হার শুন্যের কোটায় পৌঁছেছে। সার্বিক অপুষ্টির হার গত তিন বছরে ৩৪ শতাংশ থেকে নেমে ১৩ শতাংশে এসেছে। এসব ইউনিয়নের গর্ভবর্তী মহিলারা নিয়মিতভাবে কমিউনিটি ক্লিনিকে গিয়ে সেবা নিচ্ছে, নিজেদের ও শিশুদের ওজন পরিমাপ করাচ্ছে, নিয়মিত টিকা গ্রহণ করছে। শিশু ও গর্ভবতী মহিলাদের পুষ্টি উন্নয়নে ‘নবকলি’ প্রকল্পের গত তিন বছরের কার্যক্রমে এমন সফলতা এসেছে। তিনি আরও বলেন, কোন প্রকার অর্থ না দিয়ে কেবলমাত্র মায়েদের উদ্ধুদ্ধ করে সেবা কেন্দ্রে যে আনা যায়, নবকলি প্রকল্পে আমরা সেটা প্রমাণ করেছি।
সভায় বিভিন্ন ইউনিয়নের স্বাস্থ্যকর্মী, স্বেচ্ছাসেবক ও কমিউনিটি স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারিরা নিজেদের এলাকার কাজের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. সেলিম মিয়া নবকলি প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও এর কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার স্বাস্থ্যসেবাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান।
প্রসঙ্গত, নবকলি প্রকল্পের আওতায় ২০১৪ সালের জুন মাস থেকে ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত তিন বছরে শেরপুর সদর উপজেলার ৪টি ইউনিয়নের ৪০ গ্রামে শিশু ও নারীর পুষ্টি উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়িত হয়।

error: কপি হবে না!