ads

মঙ্গলবার , ১১ জুলাই ২০১৭ | ৩১শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

সিরাজগঞ্জে যমুনার পানি বিপদসীমার ৪৫ সেন্টিমিটার ওপরে

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
জুলাই ১১, ২০১৭ ১২:৪৩ অপরাহ্ণ

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি : উজানের পানি বাড়ার সাথে সাথে উত্তরের সাথে সিরাজগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনার পানি সিরাজগঞ্জ হার্ড পয়েন্টে ১৫ সেন্টিমিটার বেড়ে মঙ্গলবার সকাল ৯টায় বিপদ সীমার ৪৫ সেন্টিমিটার ওপরে অবস্থান করছে।
যমুনার পানি বাড়ার সাথে সাথে জেলার সদর, কাজিপুর, বেলকুচি, চৌহালী ও শাহজাদপুর উপজেলার নদী তীর পাশ্ববর্তী গ্রামগুলো নতুন করে প্লাবিত হচ্ছে। যমুনার পানি বাড়লেও জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি এখনও ভয়াবহ অবস্থায় রূপ নেয়নি। বন্যার প্রকোপ সেভাবে না বাড়লেও জেলা সদরের বাহুকা ও মেছড়া, কাজিপুর উপজেলার শুভগাছা ও মাছুয়াকান্দি এবং চৌহালী উপজেলা সদরের অদুরে খাস কাউলিয়া যমুনার পাড়ে থেমে থেমে ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। যমুনার পশ্চিম পাড়ের তীর রক্ষা ক্রমশই অরক্ষিত হয়ে পড়ছে। এদিকে, বাঁধ-পাড় ভাঙলেও বরাদ্দ না থাকায় হিমসিম খাচ্ছে স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) লোকজন।
জেলা ত্রাণ ও পুর্নবাসন কর্মকর্তা আব্দুর রহিম মঙ্গলবার সকালে জানান, বন্যা কবলিত উপজেলা থেকে সঠিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমান জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে না আসায় এখনও পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়ন করা হয়নি। তবে ধারনা করা হচ্ছে জেলা সদর, কাজিপুর, বেলকুচি, চৌহালী ও শাহজাদপুর উপজেলায় ৩ থেকে ৪ হাজার পরিবার চলমান বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে, ত্রাণ কার্যক্রমও চালু রাখা হয়েছে।
পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ হাসান ইমাম জানান, কাজিপুরের মাছুয়াকান্দিতে ক্রসবার বাঁধের স্যাংক ভেঙে গেলেও সেখানে জরুরি ভিত্তিতে জিওব্যাগ বালির বস্তা নিক্ষেপের জন্য বরাদ্দ তো দুরের কথা, এখনও বোর্ড থেকে অনুমতিই পাইনি। সদর উপজেলার বাহুকা নামক স্থানেও থেমে থেমে পাড় ভাঙছে। যমুনার পানি বাড়লেই ভাঙন বাড়ে। আমরাও সব সময় মানসিক চাপে থাকি।
জেলা প্রশাসক কামরুন নাহার সিদ্দীকা জানান, এখনও সিরাজগঞ্জ জেলায় বন্যার সে ধরনের ভয়াবহ অবস্থায় রূপ নেয়নি। এখনও অবস্থা আমাদের নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে। বন্যা উপদ্রুত এলাকায় সার্বিক খোঁজ-খবর রাখার জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আমি নিজেও এরই মধ্যে চৌহালী, বেলকুচি, সদর ও কাজিপুরের বন্যা ও ভাঙন এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছি। ত্রাণ বিতরণও শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে সদরের সয়দাবাদ ও কাজিপুরের শুভগাছায় ৫ শতাধিক পরিবারকে ক্ষয়রাতি ১০ কেজি করে চাল ও নগদ দু’শ টাকা করে সহায়তা দেয়া হয়েছে। এরই মধ্যে ৪৪ মেঃটন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। আরো চাহিদা দেয়া হয়েছে।
সিরাজগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (ডিডি) মোঃ আরশেদ আলী বলেন, জেলার বন্যা উপদ্রুত এলাকায় প্লাবিত কৃষি জমির তালিকা প্রণয়নের কাজ চলছে। মাঠ পর্যায় থেকে এখনও প্রকৃত হিসেব তৈরির কাজ সম্পূর্ণ হয়নি।

error: কপি হবে না!