ads

বৃহস্পতিবার , ৬ জুলাই ২০১৭ | ৩রা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শেরপুরে প্রতিবন্ধী শিশু ও তরুণী ধর্ষণ মামলার পৃথক রায়ে ২ জনের যাবজ্জীবন

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
জুলাই ৬, ২০১৭ ৭:৫৮ অপরাহ্ণ

স্টাফ রিপোর্টার ॥ শেরপুরের শিশু আদালত এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল আদালতের পৃথক দুুটি রায়ে ৯ম শ্রেণিতে পড়–য়া শিক্ষার্থী এবং প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে ২ ধর্ষকের যাবজ্জীবন কারাদন্ডাদেশ দিয়েছে আদালত। সাজাপ্রাপ্ত উভয় আসামী পালাতক রয়েছে। ৬ জুলাই বৃহস্পতিবার শিশু আদালতের বিচারক (অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ) মোহাম্মদ মোসলেহ উদ্দিন এবং নারী ও শিশু ট্রাইবুনালের ভারপ্রাপ্ত বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) কিরণ শংকর হালদার গত ১৪ জুন পৃথক ওই রায় প্রদান করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, গত ২০১৪ সালের ১৪ জুলাই জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার প্রতাবনগর গ্রামের ফজল হকের নবম শ্রেণিতে পড়–য়া কন্যাকে অপহরণ করেন পার্শ্ববর্তী শ্রীবরদী উপজেলার গোপালখিলা গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে জবেদ আলী ওরফে জামান। পরে তাকে ওই গ্রামের একটি ঘরে আটক রেখে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। ওই ঘটনায় ধর্ষিতার বাবা ফজল হক এক মাস পর ১৪ আগস্ট ধর্ষক জামানকে প্রধান আসামী করে মামলা দায়ের করেন। গত ২০১৪ সালের ১৮ ডিসেম্বর আসামীর বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের পর এ মামলায় চিকিৎসক, তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তাসহ ৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহন শেষে বৃহস্পতিবার বিজ্ঞ আদালত ওই রায় প্রদান করেন।
অপরদিকে ২০০৮ সালের ২ জুন জেলার নকলা উপজেলার বাউসা গ্রামের লাল মাহমুদের দৃষ্টি প্রতিবন্ধী কিশোরীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একই গ্রামের বখাটে মিজান ধর্ষন করে। পরবর্তিতে ওই প্রতিবন্ধী কিশোরী গর্ভধারণ করলে বিষয়টি জানাজানি হয় এবং এ ঘটনায় ওই কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে একই সালের ৪ নভেম্বর নকলা থানায় একটি ধর্ষন মামলা দায়ের করে। পরবর্তিতে এ মামলায় ধর্ষিতার গর্ভের শিশুটির জন্ম হলে তার ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। এতে ধর্ষক ওই শিশুর ঔরশজাত পিতা বলে প্রমানিত হয়। পরে গত ১৪ জন আদালত এক রায়ে আসামী মিজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রদান করেন। একই সাথে ওই শিশুর ২১ বছর পর্যন্ত ভরন পোষনের দায়িত্ব সরকারকে প্রদানের নির্দেশ দেন।
উভয় মামলায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিশেষ পিপি ছিলেন এ্যাডভোকেট গোলাম কিবরিয়া বুলু।

error: কপি হবে না!