ads

মঙ্গলবার , ৩০ মে ২০১৭ | ৩১শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

‘মোরা’য় টেকনাফে ৩ হাজার ঘর-বাড়ি বিধ্বস্ত

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
মে ৩০, ২০১৭ ১২:৩৫ অপরাহ্ণ

কক্সবাজার সংবাদদাতা : ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’র আঘাতে কক্সবাজারের টেকনাফে প্রায় ৩ হাজার ঘর-বাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে প্রাণহানির কোনো খবর পাওয়া যায়নি। ৩০ মে মঙ্গলবার সকাল ৬টায় প্রবল ঘূর্ণিঝড় মোরা টেকনাফে আঘাত হানে।
সেন্ট মার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নূর আহমেদ জানান, ঘূর্ণিঝড় মোরা আঘাতে সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সেন্ট মার্টিন ও শাহপরী দ্বীপে। এ ছাড়া অন্যান্য জায়গায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নসহ গাছ-পালা উপড়ে গেছে। সড়ক ও নৌপথে যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদ হোসেন সিদ্দিক জানান, মোরার আঘাতে টেকনাফে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতির পরিমাণ জানার চেষ্টা চলছে। তিনি আরও জানান, ঘূর্ণিঝড় আঘাতের পর প্রাথমিকভাবে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক জানান, মোরা ঘণ্টায় ১৩৫ কিলোমিটার বেগে টেকনাফে ও ১১৪ কিলোমিটার বেগে সেন্টমার্টিনে আঘাত করে। এছাড়া কক্সবাজারে ১১৫ কিলোমিটার বেগে আঘাত হানে। আঘাত হানার পর সকাল ৮টার দিকে কক্সবাজার অতিক্রম করে মোরা।
মঙ্গলবার সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তর এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, প্রবল ঘূর্ণিঝড় মোরা এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় এবং সমুদ্র বন্দরসমূহের উপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর বিক্ষুব্ধ রয়েছে।
মোরার কারণে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, নোয়াখালী, লক্ষীপুর, ফেনী, চাঁদপুর এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।

error: কপি হবে না!