ads

বুধবার , ৩ মে ২০১৭ | ৩১শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শেরপুরে আদালত ভবনে কর্মচারীদের তালা ॥ প্রতিবাদে আইনজীবীদের সমাবেশ

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
মে ৩, ২০১৭ ৪:০৩ অপরাহ্ণ

স্টাফ রিপোর্টার ॥ স্বেচ্ছাচারিতা ও অসৌজন্যমূলক আচরণের প্রতিবাদে শেরপুরে জেলা জজসহ ২ বিচারকের আদালত বর্জনের দ্বিতীয় দিনে বুধবার সকালে পেশকার-পিয়নসহ কর্মচারীদের হাতে আদালত ভবনে তালা ঝুলানোর ঘটনা ঘটেছে। একই সাথে জজশীপ ও ম্যাজিস্ট্রেসীর কর্মচারীরা আদালত অঙ্গণে বিক্ষোভ মিছিলসহ আইনজীবী সহকারীদের কর্তব্যকাজে বাঁধাসহ তাদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণও করেছেন। অন্যদিকে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিরসনের কোন উদ্যোগ না নিয়ে আদালতের কর্মচারীদের উসকে দেওয়ার প্রতিবাদে আইনজীবী ও সহকারীরা প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন। বুধবার সকাল ১১টায় জেলা আইনজীবী সমিতি’র কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সমিতির সভাপতি একেএম মোছাদ্দেক ফেরদৌসী, সাধারণ সম্পাদক এমকে মুরাদুজ্জামান, সাবেক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম আধার, সদস্য আব্দুল মান্নান, খন্দকার মাহবুবুর রহমান রাকীব, জেলা আইনজীবী সহকারি সমিতির সভাপতি মোঃ মোখলেুর রহমান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম প্রমুখ। ওইসময় সভাপতি মোছাদ্দেক ফেরদৌসী তার বক্তব্যে বলেন, স্বেচ্ছাচারি ও অযোগ্য জেলা জজ কিরণ শংকর হালদায় যে পর্যন্ত শেরপুর থেকে বিদায় না হবেন, সে পর্যন্ত তারা উল্লেখিত আদালত বর্জন করে আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।
জানা যায়, বুধবার সকাল ৯ টা থেকে জেলা জজশীপ ও ম্যাজিস্ট্রেসীর পেশকার-পিয়নসহ কর্মচারীরা আদালত অঙ্গণে জড়ো হয়ে স্ব-স্ব আদালতের দরজায় তালা ঝুলিয়ে দেন। এক পর্যায়ে তারা আইনজীবীদের ডাকা কর্মসূচীর প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেন এবং বাদী-আসামীদের হাজিরা দিতে গিয়ে তাদের বাঁধার সম্মুখীন হন আইনজীবী সহকারীরা। বিষয়টি জানাজানি হয়ে পড়লে স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীরা ছুটে যেতেই সকাল সাড়ে ১০টর দিকে কর্মচারীরা আদালত ভবনের তালা খুলে দেন। তবে দুপুর ১টা পর্যন্ত হাজিরার কোন কাগজপত্র জমা নেওয়া হয়নি। ওই ঘটনায় প্রথমে প্রায় সকল আদালতে অচলাবস্থা শুরু হলেও দুপুরের দিকে উল্লেখিত আদালত ছাড়া অন্যান্য আদালতে আসা বিচার প্রার্থীরা তাদের মামলা পরিচালনার সুযোগ পায়।
উল্লেখ্য, জেলা জজ কিরণ শংকর হালদারের স্বেচ্ছাচারিতা ও অযোগ্যতা এবং সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুুমিনুন্নেছা খানমের অসৌজন্যমূলক আচরণের প্রতিবাদে জেলা আইনজীবী সমিতি মঙ্গলবার সকালে এক জরুরি সভায় মিলিত হয়ে ওইদিন দুপুর থেকে জেলা জজ আদালত অনির্দিষ্টকালের জন্য ও সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্র্রেট আদালত এক মাসের জন্য বর্জন ঘোষনা করে।

error: কপি হবে না!