শ্যামলবাংলা ডেস্ক : সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে দেশের চাঁদপুর, দিনাজপুর, ঝিনাইদহ, মৌলভীবাজার ও মুন্সীগঞ্জ জেলার শতাধিক গ্রামে বুধবার রোজার ঈদ উদযাপিত হচ্ছে। মঙ্গলবার চাঁদ দেখতে না পাওয়ায় বাংলাদেশের বেশিরভাগ মুসলমান ঈদ উদযাপন করবেন বৃহস্পতিবার। তবে এসব গ্রামের বিভিন্ন পীরের অনুসারীরা বরাবরই রোজা, ঈদ, শবে-বরাত, শবে-মেরাজসহ বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করেন মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে। মধ্যপ্রাচ্যে মঙ্গলবার শাওয়ালের চাঁদ দেখা যাওয়ায় সৌদি আরবসহ বিভিন্ন আরব দেশে বুধবার ঈদুল ফিতর উদযাপিত হচ্ছে।
বিভিন্ন জেলা থেকে প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর:

চাঁদপুর
বৃষ্টি উপেক্ষা করে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন চাঁদপুরের ৪০ গ্রামের মুসলমানরা। সকাল ১০টায় হাজীগঞ্জের সাদ্রা আহম্মদিয়া ফাযিল মাদ্রাসায় ঈদের নামাজের একটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন মাওলানা আরিফ উল্যাহ। ভোর থেকে থেমে থেমে বৃষ্টি শুরু হলেও তারা বৃষ্টি উপেক্ষা করে ঈদের নামাজ আদায় করতে আসেন।

দিনাজপুর
সদর উপজেলা, চিরিরবন্দর, কাহারোল ও বিরল উপজেলার বেশ কিছু এলাকায় বুধবার ঈদ হচ্ছে। সকাল ৮টায় দিনাজপুর শহরের পার্টি সেন্টার নামে একটি কমিনিউটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয় একটি জামাত। এখানে ইমামতি করেন হাফেজ মোহাম্মদ হিজবুল্লাহ।
ঝিনাইদহ
জেলার হরিণাকুণ্ডু উপজেলার ১৩টি গ্রামের শতাধিক পরিবার বুধবার ঈদ উদযাপন করছে। সকাল ৮টার হরিণাকুণ্ডু উপজেলার আব্দুল কাদের দুলদুলের ধানের চাতালের অস্থায়ী ঈদগাহে একটি জামাত হয়। এতে ইমামতি করেন আসাদুজ্জামান।
মৌলভীবাজার
মৌলভীবাজারে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করছে প্রায় দেড় শতাধিক পরিবার। বুধবার সকাল ৭টায় জেলা শহরের সার্কিট হাউজ এলাকায় আহমেদ শাবিস্তার বাসার ছাদে পবিত্র ঈদুল ফিতরের একটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলার বিভিন্ন স্থানের দেড় শতাধিক পরিবারের মানুষ নামাজ আদায় করেন। জামাতে ইমামতি করেন আলহাজ আব্দুল মাওফিক চৌধুরী পীর সাহেব। আলাদা ব্যবস্থা থাকায় একই জামাতে নারীরাও নামাজ আদায় করেন।
নামাজ শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণে মোনাজাত করা হয়। এরপর সবাই কোলাকুলি করে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
মুন্সীগঞ্জ
জেলার ৯টি গ্রামে বুধবার ঈদ উদযাপিত হচ্ছে। সদর উপজেলার আনন্দপুর, শিলই, নায়েবকান্দি, আধারা, মিজিকান্দি, কালিরচর, বাংলাবাজার, বাঘাইকান্দির ও কংসপুরার একাংশ। এসব গ্রামের জাহাগীর তরিকার প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ কয়েক বছর ধরে সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করছেন।
শেরপুর
বুধবার শেরপুর জেলার ৭টি গ্রামে ঈদ হচ্ছে। সদর উপজেলার চরখারচর সাতানিপাড়া ও চরখারচর উত্তর পাড়া, নালিতাবাড়ী উপজেলার নন্নী পশ্চিমপাড়া ও ঝিনাইগাতী উপজেলার বনগাঁও চতল গ্রাম। সকাল ৮টা থেকে ১১টার মধ্যে এসব গ্রামে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
লক্ষ্মীপুর
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার নোয়াগাঁও, জয়পুরা, বিঘা, বারো ঘরিয়া, হোটাটিয়া, শারশোই, কাঞ্চনপুর ও রায়পুর উপজেলার কলাকোপা গ্রামসহ ১১টি গ্রামে বুধবার ঈদ হচ্ছে। সকাল ১০টায় রামগঞ্জ উপজেলার নোয়াগাঁও বাজারের তালিমুন কোরান নুরানী মাদ্রাসা মাঠে ঈদের নামাজের একটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন মাওলানা নেছার আহমদ।




