স্টাফ রিপোর্টার : প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ ৩৬ বছর পর শেরপুর প্রেসক্লাবে উঠলো সরকারপ্রধানের ছবি। ১৫ জুন বুধবার বিকেলে প্রেসক্লাব ভবনে অনুষ্ঠিত নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী পরিষদের প্রথম সভায় সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের পরপরই প্রেসক্লাব সভাপতি রফিকুল ইসলাম আধার ও সাধারণ সম্পাদক সাবিহা জামান শাপলা অন্যান্য কর্মকর্তাদের নিয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি উত্তোলন করা হয়।
এর আগে প্রেসক্লাব সভাপতি রফিকুল ইসলাম আধারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সাবিহা জামান শাপলার সঞ্চালনায় ১৭ সদস্য বিশিষ্ট নির্বাহী পরিষদের সভায় ১৬ কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সহ-সভাপতি জিএম আজফার বাবুল, সহ-সভাপতি এসএম শহীদুল ইসলাম ও আবুল কালাম আজাদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রওশন কবীর আলমগীর ও আলমগীর কিবরিয়া কামরুল, কোষাধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক ফারহানা পারভীন মুন্নী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক রেদওয়ানুল হক আবীর, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক আসাদুজ্জামান মোরাদ, নির্বাহী সদস্য শরিফুর রহমান, সঞ্জীব চন্দ বিল্টু, মলয় মোহন বল ও দেবাশীষ ভট্টাচার্য।
ওই সভায় নির্বাচন প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে বাইরে থাকা কতিপয় সদস্যের শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকান্ড ও একটি হোটেলে বসে প্রেসক্লাবের নাম ব্যবহার করে পাল্টা কমিটি গঠনের ষড়যন্ত্রে নিন্দা প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়। সেইসাথে পূর্বের কমিটির কোষাধ্যক্ষের হাতে থাকা অর্থ অবিলম্বে ব্যাংক একাউন্টে জমাদান ও তার কাছে অন্যদের পাওনা অর্থ ফেরত প্রদানের তাগিদ আরোপসহ প্রেসক্লাবের ক্ষুদ্র মার্কেট নির্মাণ কাজের অডিট করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়া রোজার ঈদের পর নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী পরিষদের অভিষেক অনুষ্ঠান, হুইপ আতিউর রহমান আতিক এমপিসহ প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সাথে দ্রুত সৌজন্য সাক্ষাত, ও প্রেসক্লাবের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করতে কতিপয় সদস্যের শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকান্ডের বিষয়ে দায়িত্বশীলদের অবহিত করার উপরও গুরুত্বারোপ করা হয়। সেইসাথে ওই সভায় সংগঠন পরিপন্থী কর্মকান্ড পরিহার করে আবারও বাইরে থাকা কতিপয় সদস্যকে প্রেসক্লাবে ফিরে আসার উদাত্ত আহবান জানানো হয়।




