স্টাফ রিপোর্টার : প্রসব পরবর্তী পরিবার পরিকল্পনার স্থায়ী ও দীর্ঘমেয়াদী বন্ধ্যাকরণ সেবা জোরদার করতে শেরপুরে ১৩ জুন সোমবার জেলা পর্যায়ে দিনব্যাপী এক কর্মশালা হয়েছে। এতে দীর্ঘমেয়াদী পুণ:ব্যবহারযোগ্য ইনপ্ল্যান্ট, আইইউডি এবং বন্ধ্যাকরনের স্থায়ী জন্মবিরতিকরণ পদ্ধতি এনএসভি, টিউবেকটমি সম্পর্কে অবহিতকরণ করা হয়। জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এ কর্মশালাটি পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের ক্লিনিক্যাল কন্ট্রাসেপশন সার্ভিসেস ডেলিভারি প্রোগ্রাম, সূর্যের হাসি প্রজেক্ট-২ এবং এনজেন্ডার হেলথ যৌথভাবে আয়োজন করে। জেলা প্রশাসক ডা. এ এম পারভেজ রহিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের পরিচালক (ঢাকা বিভাগ) মো. দেলোয়ার হোসেন। অন্যান্যের মাঝে সিভিল সার্জন ডা. মো. আনোয়ার হোসেন, প্রোগ্রাম ম্যানেজার ডা. মাহমুদুর রহমান, পরিবার পলিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক ডা. পীযুষ চন্দ্র সূত্রধর, সহকারি পরিচালক ডা. মো. মোস্তাফিজুর রহমান, এনজেন্ডার হেলথ সমন্বয়কারী মো. আব্দুল কাইয়ুম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
কর্মশালায় বলা হয়, জন্মহার অনুযায়ী প্রতিবছর দেশে ২০ লাখ লোক বাড়ছে। এভাবে জনসংখ্যা বাড়লে ২০৫০ সালের মধ্যে দেশের মোট জনসংখ্যা হবে ২৫ কোটি। এজন্য এখন থেকেই সতর্ক ও সচেতন হতে হবে। স্বামী-স্ত্রী দু’জনে মিলে দু’টি সন্তানের বেশী যেন না হয়। তাই স্থায়ী বন্ধ্যাকরণ গ্রহণকারী ও দীর্ঘমেয়াদি জন্মবিরতিকরণ পদ্ধতি ব্যবহারকারীর হার বাড়াতে হবে। কর্মশালায় জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তা, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন বিভাগের ৫০ জন দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।




