ads

সোমবার , ৬ জুন ২০১৬ | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

সদস্য পদের দাবিতে শেরপুর প্রেসক্লাবে তালা ঝুলিয়েছেন বিক্ষুব্ধ সাংবাদিকরা : নির্বাচন অনিশ্চিত !

শ্যামলবাংলা ডেস্ক - ফটো কার্ড
জুন ৬, ২০১৬ ৯:১৯ অপরাহ্ণ

Sherpur Press Club 3স্টাফ রিপোর্টার : সদস্যপদের দাবিতে এবার শেরপুর প্রেসক্লাবে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন বিক্ষুব্ধ সাংবাদিকরা। ৬ জুন সোমবার বিকেলে শহরের মাধবপুর এলাকাস্থ প্রেসক্লাব ভবনের সামনের রাস্তায় প্রায় ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন শেষে তারা ওই তালা ঝুলিয়ে দেন। ওই ঘটনায় ১৮ জুন অনুষ্ঠেয় নির্বাহী পরিষদের নির্বাচনে অনিশ্চয়তার সৃষ্টি হয়েছে।
মানববন্ধনে সদস্য পদ বঞ্চিত সাংবাদিকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আলমগীর কিবরিয়া কামরুল, রওশন কবীর আলমগীর, আসাদুজ্জামান মোরাদ, মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান, রেজাউল করিম বকুল, মোঃ ফরিদুজ্জামান, আবুল কালাম আজাদ, মোঃ শহীদুল ইসলাম, আল আমিন আলিম প্রমুখ। সাংবাদিকরা আগামী ৭২ ঘন্টার মধ্যে তাদের সদস্যপদ ও ভোটাধিকার না দিয়ে নির্বাচন অনুষ্ঠানের চেষ্টা করা হলে তা কঠোরভাবে প্রতিরোধ করা হবে বলে হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন। ওইসময় তাদের দাবির প্রতি একাত্মতা পোষণ করে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি মোঃ আব্দুল খালেক, দৈনিক তথ্যধারার নির্বাহী সম্পাদক এডভোকেট সুব্রত কুমার দে ভানু, সিনিয়র সাংবাদিক সঞ্জীব চন্দ বিল্টু, শরিফুর রহমান, রাজনীতিক ও মানবাধিকার কর্মী আ.স.ম নাসিম কাকন প্রমুখ।
এদিকে ভোটাধিকারের দাবিতে সম্মানীত ও সহযোগী সদস্যদের মানববন্ধন ও প্রেসক্লাবে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার বিষয়ে প্রেসক্লাব সভাপতি রফিকুল ইসলাম আধার জানান, ন্যায়সঙ্গত দাবির প্রশ্নে আন্দোলন হতেই পারে। তবে ‘তালা ঝুলিয়ে’ দেওয়ার বিষয়টি দুঃখজনক। তিনি তাদের দাবি ন্যায়সঙ্গত ও গণতান্ত্রিক বলে স্বীকার করে বলেন, দূর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে, সাধারণ সম্পাদকসহ আমাদের একটি অংশ সম্মানীত ও সহযোগী সদস্যদের স্থায়ী সদস্যপদ ও ভোটাধিকার দেওয়ার পক্ষে অবস্থান নিলেও কেবলমাত্র সংখ্যাগরিষ্ঠতার অভাবে তা সম্ভব হয়নি। এখন বিষয়টি নিয়ে নতুন করে ভাবনাই জরুরি হয়ে পড়েছে। একই কথা জানান প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক সাবিহা জামান শাপলা। অন্যদিকে প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মনিরুল ইসলাম লিটন ওই ঘটনাকে অনাকাঙ্খিত উল্লেখ করে শেরপুরে কর্মরত সকল সাংবাদিকদের আলোচনার মধ্য দিয়ে সমস্যার দ্রুত সুরাহা করা উচিত বলে শ্যামলবাংলা২৪ডটকম’কে জানিয়েছেন।
জানা যায়, শেরপুর থেকে প্রকাশিত দৈনিক ও সাপ্তাহিক পত্রিকার সম্পাদক এবং জেলা পর্যায়ে কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের সদস্যভুক্তির জন্য প্রেসক্লাবের তরফ থেকে আবেদন আহবান করা হলে প্রায় ৬০ জন সম্পাদক-সাংবাদিক আবেদন দাখিল করেন। পরবর্তীতে বাছাই উপ-কমিটির প্রতিবেদনের আলোকে নির্বাহী পরিষদ গত বছরের ২৮ এপ্রিল টেলিভিশন চ্যানেলের ৯ জন ও বিভিন্ন পত্রিকার ৩০ জন সাংবাদিককে সহযোগি সদস্য এবং প্রেসক্লাবের সাবেক নেতা ও স্থানীয় দৈনিক/সাপ্তাহিক পত্রিকার সম্পাদকদের মধ্য থেকে ১৫ জনকে সম্মানীত সদস্য হিসেবে ঘোষণা করে। পরবর্তী ৬ মাসের মধ্যে সহযোগী সদস্যদের কার্যক্রম বিবেচনায় তাদের স্থায়ী সদস্য করার বিধান থাকলেও ২৯ মে অনুষ্ঠিত সাধারণ সভায় সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের মতামতের অভাবে তা পাশ না করে এবং সম্মানীত সদস্যদের ভোটাধিকার না দিয়ে ঝুলিয়ে রেখেই ১৮ জুন পরবর্তী নির্বাহী পরিষদের নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়। এতে ভোটাধিকার বঞ্চিত সাংবাদিকরা বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠলেও পরে নানা তয়-তদবিরে থেমে যান কেউ কেউ।

Need Ads