
শ্যামলবাংলা ডেস্ক : পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী হত্যার ঘটনায় ৪ সন্দেহভাজনকে আটক করেছে পুলিশ। উদ্ধার করা হয়েছে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলও।
০৬ জুন সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ব্রিফিং শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।
৫ জুন রবিবার সকালে বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খাতুন ওরফে মিতু আক্তারকে চট্টগ্রাম নগরীর ও আর নিজাম রোডে ছুরিকাঘাতসহ গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এরপর তারা মোটরসাইকেলে করে দ্রুত পালিয়ে যায়। রাতে নগরীর শুলকবহর এলাকা থেকে মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করে টহল পুলিশ। পরে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে মোটরসাইকেলটি দুর্বৃত্তদের ব্যবহৃত বলে নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ।

ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পুলিশের মনোবল ভেঙে দিতেই বাবুল আক্তারের হত্যা করা হয়েছে।‘আমরা পুলিশ সদস্য ও তাদের পরিবারের নিরাপত্তার বিষয় নিয়ে চিন্তা করছি। পুলিশ সদস্য ও তাদের পরিবারের নিরাপত্তার উদ্যোগ নিচ্ছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়’।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন,‘এ ধরনের হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে আমাদের কাছে অনেক তথ্য আছে। অনেক রাজনীতিবিদ ও সাধারণ মানুষ এ ষড়যন্ত্রে জড়িত রয়েছেন। আমাদের কাছে প্রমাণ আছে’।
‘এটি একটি আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের ফল। আমাদের দেশের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অন্য একটি দেশের গোয়েন্দা সংস্থা আগে থেকেই খেলাধুলায় জড়িত ছিলো। নতুন একটি দেশের গোয়েন্দা সংস্থার সম্পৃক্ততারও প্রমাণ পাওয়া গেছে’।‘আমরা সব খুনীদের ধরে বিচারের সম্মুখীন করবো। এ ধরনের টার্গেট কিলিংয়ের ঘটনার ৩৭টি মধ্যে ৩৫টির চার্জশিট দেওয়ার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে’।
মন্ত্রী আরও জানান, টার্গেট কিলিং ঠেকাতে দু’জনের বেশি যাত্রী মোটরসাইকেলে যাতায়াত করতে পারবেন না।





