ads

রবিবার , ৫ জুন ২০১৬ |
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

এবার কাজে লাগল সেই সখিনাসহ ৪ বৃদ্ধার ভোটদান ও ফরিয়াদ

শ্যামলবাংলা ডেস্ক - ফটো কার্ড
জুন ৫, ২০১৬ ৩:৪৭ অপরাহ্ণ

Sherpur Pic 3 Old Womenস্টাফ রিপোর্টার : ষষ্ঠ ধাপের আওতায় শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার ভেলুয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে এবার কাজে লাগল সেই অশীতিপর সখিনা বেওয়া (৮০) সহ ৪ বৃদ্ধার ভোটাধিকার প্রয়োগ ও ফরিয়াদ। তারা ওই ইউনিয়নের দুর্গম চরাঞ্চল লক্ষ্মীডাংরি গ্রামের বাসিন্দা। অন্য ৩ জন হচ্ছেন তারা বানু (৭৫), হানজেলা বেওয়া (৭২) ও রংফুলি বেওয়া (৭৪)। শনিবার দুপুরে অসুস্থ্য সখিনা বেওয়া নাতিদের সহায়তায় ভ্যানে চড়ে, আর অন্য ৩ জন একে অপরের সহায়তা ও লাঠিতে ভর দিয়ে স্থানীয় লক্ষ্মীডাংরি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেন। ওইসময় শ্যামলবাংলা২৪ডটকম’এর সাথে কথোপকথনে তারা অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেছিলেন, ‘বয়স শ্যাষ। বাঁচার আশা এল্লাও নাই। তারপরও বাঁইচ্যা থাকতেই বোট অইতাছে বইলা জীবনের শ্যাষ বোটটা দিবার আইছি। আল্লার কাছে ফরিয়াদ শ্যাষ বোটটা যেন কাজে নাগে।’ এ নিয়ে শনিবার একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় শ্যামলবাংলা২৪ডটকম’এ।
হ্যা, তাদের ভোটটা সত্যিই কাজে লেগেছে এবার। এলাকার সৎ ও উদ্যমী ব্যক্তি মিজানুর রহমান মিয়া দীর্ঘ ৪৪ বছর পর ভেলুয়া ইউনিয়নের সাবেক ১নং ওয়ার্ড (বর্তমানে ১,২,৩) থেকে এবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। ১৯৭২ সন পর্যন্ত টানা দীর্ঘদিন তারই আপন জেঠা আব্দুর রেজ্জাক মিয়া চেয়ারম্যান থাকলেও তারপর থেকে সাবেক ১ নং ওয়ার্ডে কেউ আর চেয়ারম্যান হতে পারেননি। ফলে এলাকাটি ছিল একেবারেই অবহেলিত, নাজুক যাতায়াত ব্যবস্থা থেকে শুরু করে নাগরিক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্জিত হয়ে আসছিল ওই এলাকাবাসী। দীর্ঘদিনের ওই কষ্টকে দূর করতে এলাকাবাসীর উদ্যোগে সাড়া দিয়ে প্রথমবারের মতো গতবারের নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হন আওয়ামী ঘরানার সমাজসেবক মিজানুর রহমান মিয়া। কিন্তু প্রভাবশালী মহলের তয়-তদবির, ভোটের মাঠে সন্ত্রাস আর ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে মাত্র ২৬ ভোটের ব্যবধানে গতবার হারানো হয় তাকে।
এবার দলীয় মনোনয়ন চেয়েও শেষ অবধি ব্যর্থ হতে হয় তাকে। কিন্তু দলীয় মূল্যায়ন না পেলেও এলাকায় আবেগ-উচ্ছ্বাস আরও একধাপ বেড়ে যায় তার প্রতি। ফলে এলাকাবাসীর চাপে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েই চশমা প্রতীকে ভোটযুদ্ধে নামতে হয় তাকে। কেবল নিজের খেয়েই নয়, সাহায্য-সহযোগিতা করেও তার পক্ষে স্বতস্ফুর্তভাবে কাজ করে যান ভোটাররা। যে কারণে সখিনাদের মতো অনেক অসুস্থ বৃদ্ধা, বৃদ্ধসহ দূর-দূরান্তে চাকরিরত অনেককেই হাজির করা হয় ভোট দিতে। অবহেলিত ওই এলাকার মানুষের প্রায় পুরো আবেগ-উচ্ছ্বাসই কাজ করে তার প্রতি।

Need Ads