শ্যামলবাংলা ডেস্ক : বায়োমেট্রিক (আঙুলের ছাপ) পদ্ধতিতে সিম পুনঃনিবন্ধন শেষ হয়েছে মঙ্গলবার রাত ১২টায়। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে বন্ধ হয়ে গেছে অনিবন্ধিত সিমড। তবে বন্ধ হয়ে যাওয়া সিম আবারও চালু করতে হলে গ্রাহককে অন্তত ১০০ টাকা গুনতে হবে।
সোমবার বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) এক নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বন্ধ হয়ে যাওয়া সিম আবারও চালু করতে নতুন সিম কেনার নিয়ম অনুসরণ করতে হবে। বর্তমানে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে একটি নতুন সিম কিনতে অপারেটরভেদে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা দাম রাখা হয়। এর মধ্যে সরকার কর হিসেবে পায় ১০০ টাকা।
বিটিআরসির নিয়ম অনুযায়ী, একটি সিম একটানা ১৮ মাস বা ৫৪০ দিন বন্ধ থাকলে সেটির মালিকানা গ্রাহকের থাকে না। এর মধ্যে ১৫ মাস বা ৪৫০ দিন পার হলে মুঠোফোন অপারেটররা একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে নিষ্ক্রিয় সংযোগটি পরের ৯০ দিনের মধ্যে চালু করার জন্য গ্রাহককে অনুরোধ করে। এভাবে মোট ১৮ মাস সময়ে সিমটি চালু করা না হলে সেটির মালিকানা বর্তমান ব্যবহাকারকারীর থাকে না। বন্ধ হওয়া সংযোগের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম জানান, বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সব মিলে ১০ কোটি ৯০ লাখ ৭৩ হাজার ২৭২টি সিম নিবন্ধিত হয়েছে। যদিও গ্রাহকের হাতে থাকা সিমের সংখ্যা ছিল ১৩ কোটি ১৯ লাখ ৪৯ হাজার। সে হিসেবে এখনও অনিবন্ধিত সিমের সংখ্যা ২ কোটি ৭০ লাখ।




