শ্যামলবাংলা ডেস্ক : হযরত মা-আয়েশা রা. নবী করীম সা. থেকে বর্ণনা করেন যে, একবার নবী করীম সা. (আমাকে) জিজ্ঞাসা করলেন, তুমি কি জান এ রজনীতে অর্থাৎ শাবানের পনেরতম রজনীতে কী হয়? তিনি (মা আয়েশা) বলেছেন, হে আল্লাহর রাসুল! এ রজনীতে কি হয়? অতঃপর তিনি বললেন, এ রজনীতে যত আদম সন্তান এ বছর জন্মগ্রহণ করবে তাদের নাম লেখা হয় এবং এ বছর যত বনী আদম মৃত্যুবরণ করবে তাদেরও নাম লেখা হয়। আর এ রজনীতে বনী আদমের (সারা বছরের) কৃতকার্য উপরে উঠিয়ে নেয়া হয় এবং রজনীতেই তাদের (নির্ধারিত) রিজিক অবতীর্ণ করা হয়। (মিশকাত শরিফ ১ম খ-, পৃ. নং-১১৫

*** হযরত ওসমান ইবনে মুহাম্মাদ বর্ণনা করেন যে, রাসুল সা. ইরশাদ করেছেন, এক শাবান হতে অপর শাবান পর্যন্ত (ভূপৃষ্ঠে বসবাসকারীদের) জীবন নির্ধারণ করা হয়। এমনকি মানুষ বিবাহ শাদি করে, তার সন্তান হয় অথচ তার নাম মৃতদের তালিকাভুক্ত হয়ে গেছে। (তারাবি-২৫/৬৫ কুরতবী-১৬/১২৬, ইবনে কাছীর-৪/১৩৭, শুআ’বুল ঈমান-৩/৩৮৬) ৩.
** *মা-আয়েশা (রা.) বলেন, এক রাতে আমি রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে খুঁজতে বের হলাম। অতঃপর (মদিনার বৃহৎ কবরস্থান) জান্নাতুল বাকীতে গিয়ে তাকে অবস্থানরত দেখতে পেলাম। তিনি বললেন, তুমি কি আশঙ্কা করছ যে, আল্লাহ এবং তাঁর রাসুল তোমার ওপর জুলুম করবে? (অর্থাৎ তোমার হক নষ্ট করবেন)? আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসুল! আমার ধারণা হলো, সম্ভবত আপনি অন্য কোনো স্ত্রীর কাছে গমন করেছেন। অতঃপর তিনি বললেন, নিঃসন্দেহে মহান আল্লাহ তায়ালা শাবানের মধ্যবর্তী রাতে (অর্থাৎ শবেবরাতে) দুনিয়ার নিকটতম আকাশে শুভাগমন করেন এবং (আরবের সর্বাধিক মেষপালের অধিকারী) কালব গোত্রের বকরিগুলোর পশমের চেয়ে অধিক সংখ্যক লোককে তিনি ক্ষমা করে দেন। অন্য বর্ণনায় রয়েছে, যারা জাহান্নামের তালিকাভুক্ত
লোক এমন লোকদেরও মাফ করে দেন। (মিশকাত শরিফ-১/১১৪, বাইহাকী-৩/৩৭ সিলসিলাতুল আহাদিসিস সহীহাহ্ ৩/১৩৮)




