ads

শনিবার , ২৩ এপ্রিল ২০১৬ | ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শেরপুরে ব্যালট ছিনতাই, গুলি : আহত অর্ধশতাধিক : এক কেন্দ্র স্থগিত

শ্যামলবাংলা ডেস্ক - ফটো কার্ড
এপ্রিল ২৩, ২০১৬ ৬:৩৫ অপরাহ্ণ

up-election-স্টাফ রিপোর্টার : সহিংসতা, ব্যালট বাক্স ছিনতাই, গুলি আর একটি কেন্দ্র স্থগিতের মধ্য দিয়ে শেরপুরে তৃতীয় দফায় ২৩ এপ্রিল শনিবার সদর উপজেলার ৬ ইউনিয়নের নির্বাচন শেষ হয়েছে। বিভিন্ন কেন্দ্রে প্রতিদ্বন্দ্বি চেয়ারম্যান ও মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত: অর্ধশতাধিক আহত হয়েছে। ওইসব সংঘর্ষ থামাতে পুলিশ ৭০ রাউন্ড রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। আহতদের মধ্যে কয়েকজন বুলেটবিদ্ধ হয়েছেন। এদের মধ্যে আক্রাম হোসেন (৩৮), আঙ্গুর মিয়া (২৮), আব্দুর রশিদ (৭০) ও আজিমদ্দিন (৫৫) নামে ৪ জনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। জেলা হাসপাতালে ২১ জন ভর্তি রয়েছেন এবং আরও ৯ জন চিকিৎসা নিয়েছেন জরুরী বিভাগে। এদিকে কামারেরচর ইউনিয়নের ৭ নং চর কেন্দ্রে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে দূর্বত্তরা ৪টি ব্যালট বাক্স ছিনতাই করে নেওয়ায় ওই কেন্দ্রের ভোট স্থগিত করা হয়েছে।
জানা যায়, চরমোচারিয়া ইউনিয়নের লতারিয়া, চরপক্ষিমারী ইউনিয়নের কুলুরচর বেপারিপাড়া, চরশেরপুর ইউনিয়নের হেরুয়া-বালুরঘাট, চরশেরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কামারেরচর ইউনিয়নের সাহাব্দীরচর উত্তর, ৭ নং চর, নয়াপাড়া ও বলাইরচর ইউনিয়নের পাইকুড়া কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ ও বিদ্রোহী প্রার্থী এবং প্রতিদ্বন্দ্বি মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওইসব সংঘর্ষে অন্তত: অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়। কর্তব্যরত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে অন্তত: ৭০ রাউন্ড রাবার বুলেট ছোড়ে। চরশেরপুর ইউনিয়নের চরশেরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের বাইরে দ্ইু মেম্বার প্রার্থীর মধ্যে এক সংঘর্ষে ৭ জন আহত হয়। আর ভোট গ্রহনের আগে শুক্রবার মধ্যরাতে চরপক্ষীমারি ইউনিয়নের সাতপাকিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের বাইরে আশপাশের দু’টি বাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। ওইসময় ৭ জন আহত হয় এবং একটি ঘর আগুনে পুড়ে যায় ও আরেকটি ঘর ইটপাটকেল ও দা দিয়ে কুপিয়ে ভাংচুর করা হয়।
অন্যদিকে লছমনপুর ইউনিয়নের ঘিনাপাড়া এবতেদায়ী মাদ্রাসা কেন্দ্রে জাল ভোট দেয়ার চেষ্টাকালে ভ্রাম্যমান আদালত ৩ জনকে ১৩ হাজার টাকা জরিমানা এবং নির্বাচন চলাকালে নির্বাচনী এলাকায় অনুমোদনহীনভাবে মোটর সাইকেল চালনার অভিযোগে ১৪ টি মামলায় ৪ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোখলেসুর রহমান কয়েকটি কেন্দ্রে সহিংসতার ঘটনায় রাবার বুলেট নিক্ষেপ এবং ভোট গ্রহণ শেষে ব্যালট বাক্স ছিনতাইয়ের অভিযোগে একটি কেন্দ্র বাতিলের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads