ads

বৃহস্পতিবার , ২১ এপ্রিল ২০১৬ |
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শ্রীবরদীর ভেলুয়ায় নির্বাচনী পালে হাওয়া : বসে নেই প্রার্থীরা

শ্যামলবাংলা ডেস্ক - ফটো কার্ড
এপ্রিল ২১, ২০১৬ ৩:৫৪ অপরাহ্ণ

Mijan veluaস্টাফ রিপোর্টার : ষষ্ঠ দফায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ৪ জুন। এখনও হয়নি পূর্ণাঙ্গ তফসিল ঘোষণা। তবে থেমে নেই নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা। শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার ভেলুয়া ইউনিয়নের প্রার্থীরা এলাকায় এলাকায় নির্বাচনী মতবিনিময় সভা ও গণসংযোগে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। এ ইউনিয়নে সম্ভাব্য প্রার্থীরা হচ্ছেন মোঃ মিজানুর রহমান মিয়া, এডভোকেট মোঃ দেলোয়ার হোসেন, মোঃ রেজাউল করিম, মোঃ আব্দুল করিম, হাবিবুর রহমান আরজু, মোঃ বিল্লাল হোসেন তালুকদার, মোঃ সাইফুল ইসলাম, মিজানুর রহমান। এদের মধ্যে মোঃ রেজাউল করিম আওয়ামী লীগ ও মোঃ আব্দুল করিম বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মাঠে থাকলে দলীয় মনোনয়ন পরিবর্তনের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে ২০১১ সালের ইউপি নির্বাচনে মাত্র ২৬ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত মোঃ মিজানুর রহমান মিয়ার ভৌগলিক কারণে মাঠের অবস্থান এবারের নির্বাচনেও অনেকটাই মজবুত।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, সাবেক ১নং ওয়ার্ডে অন্য কোন প্রার্থী না থাকায় এবং তার বংশ-ঐতিহ্য ও আমল-আখলাকের কারণে দলমত নির্বিশেষে তার পক্ষে যে কোন প্রতীকেই ভোট প্রদানে ঐক্যবদ্ধ। এছাড়া সাবেক ৩নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মোঃ রেজাউল করিম ও আওয়ামী বিদ্রোহী যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান আরজু একই এলাকায় প্রার্থী হওয়ায় এলাকায় বিভাজনের সৃষ্টি হয়েছে। এখানে সুষ্ঠু ভোট হলে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ মিজানুর রহমান মিয়ার পক্ষে নীরব ভোট বিপ্লবের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়া যায় না। অন্যদিকে সাবেক ২নং ওয়ার্ডের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোঃ আব্দুল করিম ও বিএনপি বিদ্রোহী প্রার্থী বিল্লাল হোসেন তালুকদার, সাইফুল ইসলাম ছাড়াও সাবেক উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট দেলোয়ার হোসেন, মিজানুর রহমান। একই ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ বিএনপির মিশেলে ৫ জন প্রার্থী হওয়ায় এ এলাকার সাধারণ ভোটাররা দলমত নির্বিশেষে মিজানুর রহমান মিয়ার পক্ষেই তাদের রায় প্রদানের সম্ভাবনাই বেশি। এ ব্যাপারে মিজানুর রহমান মিয়া বলেন, গত নির্বাচনে এলাকার সর্বস্তরের ভোটাররা স্বতস্ফূর্তভাবেই আমাকে ভোট দিয়েছেন। কিন্তু অদৃশ্য ইশারায় মাত্র ২৬ ভোটে আমাকে হারানো হয়েছে। এবারের নির্বাচনেও যে কোন প্রতীকে ভোট দিতে তারা ঐক্যবদ্ধ। মনোনয়ন প্রশ্নে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন চেয়েছিলাম। কিন্তু উপজেলা আওয়ামী লীগ তৃণমূলের মতামত উপেক্ষা করে বাণিজ্যের মাধ্যমে জনবিচ্ছিন্ন প্রার্থীর মনোনয়ন চূড়ান্ত করে কেন্দ্রে তালিকা পাঠিয়েছেন। তবে এখনও তা চূড়ান্ত নয়। এলাকায় তৃণমূল ও ভোটের অবস্থান যাচাই-বাছাই করে আমাকে মনোনয়ন দিলে বিজয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী। অপর সম্ভাব্য প্রার্থী সাবেক চেয়ারম্যান এডভোকেট দেলোয়ার হোসেন জানান, সাবেক ২ নং ওয়ার্ডে হাফ ডজন প্রার্থী হওয়ায় এখান থেকে কারও বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে নির্বাচনের সময় এখনও বাকী। এলাকা ঘুরে ভেবে-চিন্তে সময়োচিত পদক্ষেপ নেবো।
এ ব্যাপারে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোঃ আব্দুল করিম বলেন, ভেলুয়া ইউনিয়ন হচ্ছে বিএনপির ঘাটি। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে ধানের শীষের জয়ের কোন বিকল্প নেই। বীর মুক্তিযোদ্ধা চাঁন মিয়া বলেন, মুজিব আদর্শে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলাম। তার সৈনিক হিসেবে আমার ভোটটা আমি নৌকাতেই দেব। তবে একজন আদর্শিক মানুষ হিসেবে দলমত নির্বিশেষে মিজানুর রহমান মিয়ার বিকল্প নেই।

Need Ads