স্টাফ রিপোর্টার : প্রথম ধাপের আওতায় ২২ মার্চ মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার ১২ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ ৮, বিদ্রোহী ২, বিএনপি ১ ও বিদ্রোহী ১ প্রার্থী জয়ী হয়েছেন।
১নং পোড়াগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মোটরসাইকেল প্রতীকে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আজাদ মিয়া ২ হাজার ৯২১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী বন্দনা চাম্বুগং পেয়েছেন ২ হাজার ৭৩৯ ভোট।
২নং নন্নী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ‘চশমা’ প্রতীকে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী এ.কে.এম মাহবুবুর রহমান রিটন ৩ হাজার ১৯৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী বিল্লাল হোসেন চৌধুরী পেয়েছেন ২ হাজার ৯৯৯ ভোট।
৩নং রাজনগর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ফারুক আহমেদ বকুল ৬ হাজার ৬৩২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আতাউর রহমান আতা পেয়েছেন ৩ হাজার ৫২১ ভোট।
৪নং নয়াবিল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিএনপি সমর্থিত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ইউনুছ দেওয়ান ৩ হাজার ৬৪৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী নূর ইসলাম পেয়েছেন ৩ হাজার ২২২ ভোট।
৫নং রামচন্দ্রকুড়া-মন্ডালিয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মোটরসাইকেল প্রতীকে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী খোরশেদ আলম খোকা ৪ হাজার ৫৩২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আমান উল্লাহ বাদশা পেয়েছেন ৩ হাজার ১৮০ ভোট।
৬নং কাকরকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী শহীদ উল্লাহ তালুকদার মুকুল ৪ হাজার ৪৩৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আনারস প্রতীকে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মো. নাজিম উদ্দিন পেয়েছেন ২ হাজার ২৪৬ ভোট।
৭নং নালিতাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আসাদুজ্জামান আসাদ ২ হাজার ৮৫৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী চশমা প্রতীকে বিএনপি বিদ্রোহী প্রার্থী খাদেমুল ইসলাম পেয়েছেন ২ হাজার ৩৫৬ ভোট।
৮নং রূপনারায়ণকুড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মিজানুর রহমান মিজান ৩ হাজার ১০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঘোড়া প্রতীকে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মঞ্জুরুল আলম মামুন ২ হাজার ৬৫৮ ভোট পেয়েছেন।
৯নং মরিচপুরাণ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী শফিকুল ইসলাম শফিক ৫ হাজার ৯৩৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আইয়ুব আলী পেয়েছেন ৪ হাজার ৩২৪ ভোট।
১০নং যোগানিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবি ৩ হাজার ৮৬৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঘোড়া প্রতীকে আওয়ামী লীগের বিদ্র্হোী প্রার্থী তাকিজুল ইসলাম তারা পেয়েছেন ২ হাজার ৮৫৩ ভোট।
১১নং বাঘবেড় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আব্দুস সবুর ৪ হাজার ৩০০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোটরসাইকেল প্রতীকে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হাসানুজ্জামান রিয়াদ পেয়েছেন ২ হাজার ৭৫৮ ভোট।
১২নং কলসপাড় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আবুল কাশেম ৩ হাজার ৪০৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আনারস প্রতীকে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী কামরুজ্জামান পেয়েছেন ৩ হাজার ৪ ভোট।




