স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশ সংযুক্ত শ্রমিক ফেডারেশন (বিএসএসএফ)এর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর মুক্তি দাবিতে শেরপুরে সাংবাদিক সম্মেলন হয়েছে। ১৪ মার্চ সোমবার দুপুরে শেরপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে বিএসএসএফ’র শেরপুর জেলা শাখা আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বিএসএসএফ’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য ও জেলা শাখার আহবায়ক সাংবাদিক-কলামিস্ট তালাত মাহমুদ। ওই সময় অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন বিএসএসএফ জেলা শাখার যুগ্ম আহবায়ক মনীন্দ্র চন্দ্র বিশ্বাস ও আফাজউদ্দিন কবির, জেলা জাতীয় শ্রমিক জোটের সভাপতি আবুল হোসেন আবু ও সাধারণ সম্পাদক উদয় রায়। সাংবাদিক সম্মেলনে শ্রমিকনেতা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করা হয়।
সাংবাদিক সম্মেলনে জানানো হয়, ৫ মার্চ জয়পুরহাট জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রি-বার্ষিক সাধারণ নির্বাচনে সভাপতি প্রার্থী ছিলেন শ্রমিকনেতা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। ওই নির্বাচনে সভাপতি পদে জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর নিশ্চিত বিজয়ের সম্ভাবনা দেখা দেওয়ায় চিহ্নিত একটি প্রভাবশালী ও কু-চক্রী মহল তাদের মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করার জন্য পুলিশী বাধার মুখেও মরিয়া হয়ে ভোটকেন্দ্র দখল, ব্যালট পেপার ছিনতাই এবং ব্যালট পেপারে গণহারে সিল মারার ঘটনা ঘটায়। ওই সময় উভয় পক্ষে উত্তেজনার সৃষ্টি হলে পুলিশ শর্টগানের ৩ রাউন্ড গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু হাসনাত মো: সহিদুল হক ঘটনা সম্পর্কে সাংবাদিকদের জানান, বুথ দখল, ব্যালট ছিনতাই ও আইন শৃঙ্খলার অবনতির আশঙ্কায় প্রিজাইডিং অফিসার নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করেন। অপরদিকে ৫ মার্চ সন্ধ্যায় শ্রমিকনেতা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বগুড়া প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ঘটনার বর্ণনা দিয়ে দোষী ব্যক্তিদের বিচারসহ অবিলম্বে পূন:নির্বাচনের দাবি জানান। কিন্তু ওইদিন রাতেই পুলিশ জয়পুরহাটের পাঁচবিবি’র নিজ বাসভবন থেকে শ্রমিকনেতা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীকে গ্রেফতার করে।




