স্টাফ রিপোর্টার : শেরপুরে ইজিবাইক ছিনিয়ে নিয়ে চালক আব্দুর রাজ্জাককে হত্যার ৬ দিনের মাথায় প্রধান আসামী ঘাতক মিল্টনকে (২০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ১২ মার্চ শনিবার রাতে ঝিনাইগাতী উপজেলার তিনানী বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সে শহরের দমদমা কালিগঞ্জ এলাকার বাদশা মিয়ার ছেলে। পরে তার দেওয়া তথ্য মোতাবেক অভিযান চালিয়ে একই এলাকার হাদিউল ইসলাম (২২) ও পার্শ্ববর্তী যোগিনীমুড়া এলাকার আরিফ (২৫) নামে ২ সহযোগীকেও গ্রেফতার করা হয়। রবিবার দুপুরে সদর থানায় এক প্রেস ব্রিফিং শেষে অটোচালক রাজ্জাক হত্যা মামলায় ৭ দিনের পুলিশ রিমান্ডের আবেদনসহ ঘাতক মিল্টনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। আর ওই ২ সহযোগীকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে ৫৪ ধারায়।
প্রেস ব্রিফিংয়ে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ শাজাহান জানান, ৭ মার্চ রাতে শহরের দমদমা কালিগঞ্জ এলাকার ইজিবাইক চালক আব্দুর রাজ্জাক (৩০) নিখোঁজ হওয়ার পরদিন সকালে পুলিশ পার্শ্ববর্তী মোবারকপুর মহল্লার আবু মিয়ার ইট ভাটা থেকে তার লাশ উদ্ধার করে। একই সাথে তার ইজিবাইকটিও ঘাতক মিল্টন ও সাগরের রক্তমাখা জামাকাপড়সহ দমদমা কালিগঞ্জ এলাকা থেকেই উদ্ধার করে। ওইসময় ইজিবাইক ছিনতাই একটি চক্রের সন্ধানও পায় পুলিশ। তার সূত্র ধরে শনিবার রাতে গোপন সূত্রে সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ঝিনাইগাতী উপজেলার তিনানী বাজার এলাকা থেকে মূল আসামী মিল্টনকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মিল্টন অটোচালক আব্দুর রাজ্জাক হত্যাসহ পাশ্ববর্তী মির্জাপুর কান্দিপাড়া এলাকায় অটোচালক খলিল মিয়া হত্যাকান্ডের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে। ছিনতাই চক্রের অপর সদস্য সাগর ঘটনার পর থেকে পলাতক থাকলেও তাকেসহ অন্যান্য সহযোগীদেরও গ্রেফতারে অভিযান চলছে। প্রেস ব্রিফিংকালে ওসি মাজহারুল করিম, ওসি (তদন্ত) মাহফুজার রহমান ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আনছার আলী উপস্থিত ছিলেন।




