ads

বুধবার , ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ | ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শেরপুরে স্কুলছাত্র নুরে আলম হত্যা : ৩ সপ্তাহেও গ্রেফতার হয়নি কোন আসামী

শ্যামলবাংলা ডেস্ক - ফটো কার্ড
ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০১৬ ৬:২৩ অপরাহ্ণ

Sherpur Pic Nure Alamস্টাফ রিপোর্টার : শেরপুরে সুপারি চুরির অজুহাতে পিটিয়ে স্কুলছাত্র নুরে আলম (১২) হত্যা মামলার দীর্ঘ প্রায় ৩ সপ্তাহ পরও গ্রেফতার হয়নি কোন আসামী। পুলিশ বলছে আসামীদের গ্রেফতারে সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে। অন্যদিকে নুরে আলমের পরিবারের অভিযোগ আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশের তেমন কোন তৎপরতা দৃশ্যমান নয়। বরং ২৪ ফেব্রুয়ারি বুধবার সকালে মিনা বেগম (৩৫) নামে আসামীদের পরিবারের এক মহিলাকে এলাকাবাসী আটক করলেও পুলিশের কথায় ছেড়ে দিতে হয়েছে তাকে। এ নিয়ে এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।
মামলার বাদী ও স্কুলছাত্র নুরে আলমের বাবা গোপন মিয়া জানান, বুধবার সকাল ১০টার দিকে প্রভাবশালী আসামীদের বাড়িতে পরিবারের সদস্য মিনা বেগমকে দেখতে পেয়ে এলাকাবাসী তাকে আটক করে। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানানোর পরও তিনি এলাকায় না গিয়েই তাকে দ্রুত ছেড়ে দিতে বলায় ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছি। গোপন মিয়াসহ এলাকার প্রবীণ ব্যক্তি জবির উদ্দিন, সাবেক ইউপি সদস্য যুবরাজ ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ইরাদ আলী মোল্লা অভিযোগ করে বলেন, মামলার পর থেকে আসামীরা গাঁ ঢাকা দিলেও পরিবারের সদস্য মিনা বেগমের সাথে তাদের রীতিমত যোগাযোগ রয়েছে। কাজেই ওই মামলায় তাকে গ্রেফতার না দেখালেও আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আসামীদের অবস্থান নিশ্চিত হওয়া এবং তাদের গ্রেফতারসহ তদন্তকার্যে অবশ্যই সহায়ক হতো। কিন্তু প্রভাবশালী আসামীপক্ষের তদবিরে দীর্ঘদিনেও আসামী গ্রেফতার ও তদন্তে কোন অগ্রগতি হচ্ছে না। এ ব্যাপারে অপমৃত্যুর মামলা ও হত্যা মামলার একই তদন্ত কর্মকর্তা সদর থানার এসআই জীবন চন্দ্র বর্মণ জানান, মিনা বেগম এজাহারনামীয় আসামী না হওয়ায় তাকে গ্রেফতার বা আটক করা হয়নি। তবে এজাহারনামীয় আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশের তৎপরতায় কোন ঘাটতি নেই।
উল্লেখ্য, সদর উপজেলার মুন্সীরচর পূর্বপাড়া এলাকার হতদরিদ্র গোপন মিয়ার ছেলে ও স্থানীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী নুরে আলমকে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ৩১ জানুয়ারি রবিবার সন্ধ্যার পর প্রতিবেশি উমেদ আলীর ছেলে মতি মিয়া ও তার বাড়ির লোকজন বাগানের সুপারি চুরির অজুহাতে আটক করে শারীরিক নির্যাতন চালায়। পরদিন সকালে পার্শ্ববর্তী একটি কাঠাল গাছের ডালে নিজের গায়ের জ্যাকেট মোড়ানো অবস্থায় নুরে আলমের লাশ দেখা যায়। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘাড় মটকানো, মুখে, গলায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখমের চিহ্নসহ নুরে আলমের লাশ উদ্ধার করলেও ওই ঘটনায় হত্যা মামলা না নিয়ে একটি অপমৃত্যুর মামলা রেকর্ড করে। ফলে নুরে আলমের বাবা বাদী হয়ে মতি মিয়া (৪৫) সহ ৭ জনকে আসামী করে ৪ ফেব্রুয়ারি আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় অন্যান্য আসামীরা হলেন মতি মিয়ার বাবা উমেদ আলী (৬৫), ভাই শেখ মিয়া (৩৭), ভাইবউ নাসরিন বেগম (২৮), স্ত্রী মোর্শেদা বেগম (৪০), পুত্র মামুন মিয়া (২৬) ও মেয়ে মালেকা খাতুন (২০)। আদালতের আদেশে সদর থানায় ৫ ফেব্রুয়ারি মামলাটি রেকর্ড হয়। ৭ ফেব্রুয়ারি জেলা সদর হাসপাতালে স্কুলছাত্র নুরে আলমকে ‘ঘাড় মটকে হত্যা’র আলামত পাওয়া যায় ময়নাতদন্তে।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads