শ্যামলবাংলা ডেস্ক : শিশু নির্যাতনের ঘটনা যেখানেই ঘটুক না কেন মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে নির্যাতিত ব্যক্তি বা পরিবারকে অহেতুক হয়রানি না করে মামলা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ওই অভিযোগের বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিতেও সংশ্লিষ্টদের বলা হয়েছে। অন্যথায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ২৪ ফেব্রুয়ারি বুধবার মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নাছিমা বেগম এনডিসি’র সভাপতিত্বে এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় ওইসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব হাজেরা খাতুন, তথ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব (প্রেস) মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম, আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব উম্মে কুলসুম, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব জাহানারা বেগম, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব সালমা জাহান, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব শাহজাহান আলী, স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্ম-সচিব রেজাউল করিম, সমাজকল্যান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হোসনে আরা এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বিকাশ কিশোর দাস উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া শিশু শ্রম রোধে আইনের বাধ্যবাধকতার আওতায় আনয়নের জন্য একটি পরিকল্পনা দাঁড় করানো, প্রতি শুক্রবারে জুমার নামাজের আগে ইমামদের পারিবারিক সৌহার্দ সৃষ্টি, সামাজিক মূল্যবোধ বৃদ্ধি, পারিবারিক নির্যাতন রোধের বিষয়ে আলোচনা করতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সভায় মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবের নেতৃত্বে শিশু নির্যাতনের বিষয়ে নিয়মিত মনিটরিং কমিটি গঠন করতে হবে, শিশু নির্যাতন ও হত্যা বন্ধে গণমাধ্যমকে আরও উদ্যোগী করে তোলা, স্কুল, কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধের বিষয়ে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা দেওয়া এবং সর্বোপরি শিশু হত্যা তথা যে কোন নৃশংস ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির বিষয়টি নিশ্চিত করার বিষয়েও আলোচনা হয়।




