স্টাফ রিপোর্টার : একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সংখ্যা নিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সাম্প্রতিক মন্তব্যের কঠোর সমালোচনা করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক এমপি বলেছেন, পাকিস্তানী প্রভূদের পরামর্শেই তিনি ওইসব বুলি আওড়াচ্ছেন। যারা স্বাধীনতা ও মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে কটা করবেন তাদের বিরুদ্ধে সংসদে নতুন করে আইন পাস হচ্ছে। একইসাথে তিনি বলেন, যুদ্ধাপরাধীর সন্তানেরা বাংলাদেশে থাকতে পারলেও তাদের কোনো ভোটাধিকার থাকবে না, তারা কোন নির্বাচন করতে পারবে না ও সরকারি চাকরিও করতে পারবে না। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রাখতে আরও অনেক আইন ও নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে।
তিনি ৬ ফেব্রুয়ারি শনিবার সন্ধ্যায় শেরপুর শহরের গৃর্দানারায়ণপুর এলাকায় স্থাপিত জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওই কথা বলেন। তিনি বলেন, শেখ হাসিনার সরকার মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর। এজন্য এ সরকারের আমলেই মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হচ্ছে; যা বিগত সময়ে অন্য কোনো সরকারের আমলে হয়নি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হুইপ আতিউর রহমান আতিক এমপি। জেলা প্রশাসক ডাঃ এ এম পারভেজ রহিমের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মাহমুদ হাসান, জেলা পরিষদ প্রশাসক এডভোকেট আব্দুল হালিম, পুলিশ সুপার মেহেদুল করিম, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট চন্দন কুমার পাল পিপি, কেন্দ্রীয় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের ভাইস-চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) মাহমুদুল হক, যুগ্ম মহাসচিব আসাদুজ্জামান আরজু, সাংগঠনিক সম্পাদক এবিএম সুলতান, জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ডার নুরুল ইসলাম হীরু প্রমুখ। এর আগে মন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনের নামফলক উন্মোচন করেন।
উল্লেখ্য, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তত্বাবধানে ১ কোটি ৫১ লক্ষ টাকা ব্যয়ে জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনের ৫ তলা ফাউন্ডেশনের প্রথম ধাপে তৃতীয় তলা পর্যন্ত নির্মাণ করা হয়।




