স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) উদ্ভাবিত সেচের পানি সাশ্রয়ী এবং বোরো মৌসুমে নাবী রোপন উপযোগী বিনাধান-১৪ চাষাবাদ পদ্ধতির ওপর এক কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। জলবায়ূ ট্রাস্ট ফান্ডের অর্থায়নে বিনা ময়মনসিংহ ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে ২১ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার বিকেলে নালিতাবাড়ী বিনা উপকেন্দ্রে এ প্রশিক্ষণটি অনুষ্ঠিত হয়।
প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতটির উদ্ভাবক বিনার উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, বীজতলা থেকে ফসল উঠানো পর্যন্ত বিনাধান-১৪ সময় লাগে ১০৫-১২৫ দিন। একরে ফলন হয় ৬৯-৮০ মণ পর্যন্ত। এতে বোরো মৌসুমে প্রচলিত অন্যান্য জাতের ধান আবাদের চাইতে পানি সেচ তিন গুন কম লাগে। এর চাল বোরো মৌসুমে আবাদ করা বিআর-২৮ চালের চাইতে লম্বা এবং সরু। এর ভাত খেতেও বেশ সুস্বাদু। চালের রং কাঁচা সোনার মতো চকচকে। অপেক্ষাকৃত উঁচু জমিতে এটি আবাদ করতে হবে এবং ফেব্রুয়ারির ২য় সপ্তাহ থেকে মার্চের ২য় সপ্তাহের মধ্যে এ ধান রোপন করতে হবে। তবেই ভালো ফলন মিলবে।
বিনা নালিতাবাড়ী উপকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ড. নাসরিন আক্তারের সভাপতিত্বে প্রশিক্ষণে আরও বক্তব্য রাখেন বিনার ফলিত গবেষণা ও সম্প্রসারণ বিভাগের উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শামীমা বেগম, ড. এফ.এম. ফিরোজ আলম. ইউনিয়ন আ’লীগ নেতা মো. আসাদুজ্জামান প্রমুখ।
প্রশিক্ষণ শেষে প্রদর্শনী প্লট স্থাপনের জন্য কৃষকদের মাঝে বিনামুল্যে ১২ কেজি করে বিনাধান-১৪ বীজ বিতরন করা হয়। এ প্রশিক্ষণে নালিতাবাড়ী উপজেলার ৪৫ জন কৃষক ও ৫ জন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।




