নালিতাবাড়ী (শেরপুর) প্রতিনিধি: জাতীয় বেতন স্কেলে বেতন বৈষম্য, ক্যাডার-আন্ত ক্যাডার বৈষম্য, টাইম স্কেল- সিলেকশন গ্রেড বাতিল, উপজেলা পরিষদে হস্তান্তরিত বিভাগের বেতন-ভাতা বিলে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের স্বাক্ষর প্রদান বিধানের প্রতিবাদে সারা দেশের ন্যায় শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে ২৩ ডিসেম্বর বুধবার মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উপজেলা পরিষদের সম্মুখে প্রধান সড়কে প্রকৃচি, বিসিএস ২৬ ক্যাডার, নন ক্যাডার, ফাংশনাল সার্ভিস, উপজেলা পরিষদের হস্তান্তরিত বিভাগ এর ব্যানারে এই মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ৮ম জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ গত ১৫ ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখে বাংলাদেশ গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়। এ বেতন স্কেলে ক্যাডার ও নন ক্যাডার বৈষম্য চরম ভাবে পরিলতি হয়। পাশাপাশি টাইম স্কেল ও সিলেকশন স্কেল বাদ দেওয়া হয়। এতে করে সরকারি চাকুরিজীবীরা তুলনামূলকভাবে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখিন হবে। জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ তে টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহালের জন্য এবং আন্ত: ক্যাডার, ক্যাডার-নন ক্যাডার বৈষম্য দূর করার জন্য সারাদেশের মতো শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে মানববন্ধন এবং সমাবেশ করা হয়। এছাড়া গত ৩১ আগস্ট মন্ত্রীসভার বৈঠকে উপজেলা পরিষদে হস্তান্তরিত ১৭টি বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তার যৌথ স্বাক্ষরে প্রদানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। বর্তমান আইন অনুযায়ী উপজেলা নির্বাহি অফিসার হবেন উপজেলা পরিষদের সচিব, তিনি উপজেলা পরিষদকে সাচিবিক সহায়তা দিবেন। উপজেলা নির্বাহি অফিসার এবং উপজেলা চেয়ারম্যানের যৌথ স্বাক্ষরে পরিষদের নিজস্ব কর্মকর্তা/কর্মচারীদের আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তা হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন। এটি হলে তা হবে মূল আইনের সাথে সাংর্ঘষিক। প্রকৃত ব্যাপার হলো, যে ১৭টি বিভাগকে উপজেলা পরিষদে হস্তান্তর করা হয়েছে, উপজেলা নির্বাহি অফিস তারই একটি। কাজেই উপজেলা নির্বাহি অফিসার অন্য হস্তান্তরিত বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তা হিসাবে দায়িত্ব পালন করতে পারেন না। এটি অযৌক্তিক, অর্মযাদাকর এবং অগ্রহণযোগ্য। এক্ষেত্রে অন্য কোন বিভাগের কার্যক্রমের সঙ্গে কোন প্রজ্ঞাপন দ্বারা উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে কোনভাবে সংশ্লিষ্ট করলে তা সর্বশেষ উপজেলা পরিষদ আইনের পরিপন্থী হবে। এ সকল বিষয়ের বিরোধিতা করেই উপজেলা পর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সমন্বয়ে বুধবার কালো ব্যাজ ধারন, মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করা হয়। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. মো: আশরাফুজ্জামান, উপজেলা কৃষি অফিসার মো. শরিফ ইকবাল প্রমুখ।




