ads

সোমবার , ১৬ নভেম্বর ২০১৫ | ৩রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

অবশেষে দম্পতিকে মারপিটের মামলায় গ্রেফতার হলেন ঝিনাইগাতীর বহুল আলোচিত ইউপি চেয়ারম্যান নাসির

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
নভেম্বর ১৬, ২০১৫ ৩:৪০ অপরাহ্ণ

Sherpur Pic- nasir arrest, Miisti Bitoronস্টাফ রিপোর্টার : অবশেষে বহু অপকর্মের হোতা শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার হাতিবান্ধা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন (৩৫) গ্রেফতার হয়েছেন পুলিশের হাতে। ১৫ নবেম্বর রবিবার রাতে চাঞ্চল্যকর দম্পতিকে আটকে রেখে মারপিটের মামলায় হাতিবান্ধা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সোমবার দুপুরে আদালতে সোপর্দ করা হলে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আ ন ম ইলিয়াস তাকে জেলা কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। এদিকে তার গ্রেফতারের খবর ছড়িয়ে পড়লে হাতিবান্দা ইউনিয়নের সাধারন মানুষের মধ্যে স্বস্তি নেমে আসে এবং রবিবার রাতে ও সোমবার সকালে আনন্দ উল্লাসসহ মিষ্টি বিতরণ করা হয়।
জানা যায়, ইউপি চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিনের সাথে প্রায় সাড়ে ১০ কাঠা জমি নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত স্থানীয় ঘাগড়া প্রধানপাড়া গ্রামের পোশাক কর্মী রেজাউলের বিরোধ চলে আসছে। ওই বিরোধের জের ধরে শুক্রবার দুপুরে নাসির উদ্দিন ও তার সহযোগিরা ওই জমির পাকা আমন ধান কেটে নিয়ে যায়। বিকেলে রেজাউল ও তার স্ত্রী লাভলী ওই ঘটনার প্রতিবাদ করতে চেয়ারম্যান নাসিরের বাড়িতে গেলে রেজাউল ও লাভলীকে একটি কে আটকে বেধড়ক মারধর করেন চেয়ারম্যান ও তার লোকজন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই দম্পতিকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরে ওই ঘটনায় শনিবার লাভলী বেগম বাদী হয়ে চেয়ারম্যান নাসিরসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে ঝিনাইগাতী থানায় চুরি, মারপিটে রক্তাক্ত জখমসহ হত্যা চেষ্টার অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন। এদিকে পুলিশের হাতে উদ্ধারের পর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়ে স্ত্রী লাভলী বেগম প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরলেও এখনও রক্তাক্ত ক্ষত নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে রেজাউল।
উল্লেখ্য, ইউপি চেয়ারম্যান নাসিরের বিরুদ্ধে প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের মামলা, সরকারি বৈদ্যুতিক তার চুরি, বয়স্ক-বিধবাদের হয়রানী ও নারী কেলেঙ্কারীসহ বিভিন্ন গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। ওইসব ঘটনার প্রতিবাদে এলাকায় বেশ কয়েকবার মানববন্ধনও হলেও কখনোই পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়নি নাসির।

Need Ads