স্টাফ রিপোর্টার : শেরপুরে ব্রক্ষ্মপুত্র নদের চরাঞ্চল বাদাম চাষের জন্য খুবই উপযোগী। এজন্য জামালপুর কৃষি গবেষণা কেন্দ্র শেরপুর সদর ও নকলা উপজেলার চরাঞ্চলে বারি উদ্ভাবিত গ্রীষ্মকালীন চীনাবাদাম-৮ চাষ সম্প্রসারণে বিশেষ কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। গ্রীষ্মকালীণ বাদাম চাষের জন্য বারি চীনাবাদাম-৮ বীজ উৎপাদনের ওপর ২৫ অক্টোবর রবিবার নকলার নারায়নখোলা এলাকায় এক প্রদর্শনী মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়। জামালপুর কৃষি গবেষণা কেন্দ্র ও বারির গাজীপুর তৈলবীজ গবেষণা কেন্দ্রের সহায়তায় ওই এলাকার ৮ একর জমিতে এবার কৃষকরা বারি চীনাবাদাম বীজ উৎপাদন করে। মাঠ দিবসে স্থানীয় কৃষক দেলোয়ার হোসেন সরকারের ২ একর জমির বাদাম বীজ উত্তোলন করে শুকনা অবস্থায় গড় ফলন একর প্রতি ১৬ থেকে ২০ মণ করে পাওয়া যায়।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, এক মণ বাদাম বীজ বাজারে বিক্রী হয় ৪ হাজার টাকা থেকে সাড়ে ৫ হাজার টাকা। আর এক মণ ধানের দাম মাত্র ৫শ/৬শ টাকা। আমন মৌসুমে ধান চাষের চাইতে বাদাম বীজ চাষ অনেক লাভজনক। মাঠ দিবসে জামালপুর কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের মূখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. নারায়ন চন্দ্র বসাক প্রধান অতিথি এবং বারির গাজীপুর তৈলবীজ গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্ত ড. মোবারক হোসেন বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এসময় জাত উদ্ভাবনকারী প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্ত ড. মঞ্জুরুল কাদের, সরজমিন গবেষণা বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্ত ড. শামসুর রহমান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। এলাকার ৫০ জন কৃষক-কৃষানী এ মাঠ দিবসে উপস্থিত ছিলেন।




