ads

মঙ্গলবার , ১৩ অক্টোবর ২০১৫ | ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

দলীয়ভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন : আইন সংশোধনের খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদন

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
অক্টোবর ১৩, ২০১৫ ১:০৪ অপরাহ্ণ

 

Shamol Bangla Ads

ministri parlamentশ্যামলবাংলা ডেস্ক : স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয়ভাবে হবে। নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল প্রার্থী মনোনয়ন দেবে। আর মনোনীত প্রার্থী দলীয় প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করবেন। তবে স্বতন্ত্র প্রার্থীরও নির্বাচন করার সুযোগ থাকবে। স্বতন্ত্র প্রার্থী ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থন নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ পাবেন। এমন বিধান রেখে স্থানীয় সরকার-সংক্রান্ত ৫টি আইন সংশোধনীর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। ১২ অক্টোবর সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে ওই অনুমোদন দেওয়া হয়। এসব আইন হচ্ছে- স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) সংশোধন আইন-২০১৫, উপজেলা পরিষদ (সংশোধন) আইন-২০১৫, জেলা পরিষদ (সংশোধন) আইন-২০১৫, স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) সংশোধন আইন-২০১৫ ও স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) সংশোধন আইন-২০১৫।
সংশোধনীর খসড়ায় আরও একটি নতুন বিষয় যুক্ত হয়েছে। স্থানীয় সরকারের সব প্রতিষ্ঠানে পর্ষদের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর কোনো কারণে নির্বাচন না হলে অন্তর্বর্তীকালের জন্য প্রশাসক নিয়োগের বিধান রাখা হয়েছে। এখন স্থানীয় সরকারের মেয়াদ পাঁচ বছর। মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার পর কোনো কারণে নির্বাচন না হলে আগের জনপ্রতিনিধিরাই ক্ষমতায় থাকেন। তবে নতুন আইন হলে ৫ বছরের মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার পর নির্বাচন না হলেও জনপ্রতিনিধি দায়িত্বে থাকতে পারবেন না। তার পরিবর্তে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হবে। বর্তমানে শুধু সিটি করপোরেশন আইনে প্রশাসক নিয়োগের বিধান আছে।
স্থানীয় সরকার বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সংশোধিত খসড়াগুলো ভেটিংয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। ভেটিং শেষে সচিব কমিটিরও সুপারিশ নিয়ে চূড়ান্ত অনুমোদনে আবার মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে। পরে এগুলো পাস করার লক্ষ্যে সংসদে পাঠানো হবে। আগামী সংসদ অধিবেশনেই আইনগুলো পাস হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আর এর আগে কোনো নির্বাচন করতে হলে সংশোধিত আইন অধ্যাদেশ আকারে জারি করা হবে। মন্ত্রিসভার বৈঠকে পৌরসভা নির্বাচন নিয়ে অধ্যাদেশ জারির বিষয়ে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আগামী দু-একদিনের মধ্যে এ অধ্যাদেশ জারি হবে। আগামী ডিসেম্বরের শেষ দিকে পৌরসভা নির্বাচন হবে।
সূত্র জানায়, স্থানীয় সরকারে স্বতন্ত্রভাবে কোনো ব্যক্তি নির্বাচন করতে চাইলে তাকে নির্বাচনী এলাকার মোট ভোটারের ১ শতাংশের স্বাক্ষরসহ নির্বাচন কমিশনে মনোনয়নপত্র দাখিল করতে হবে।
বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা সাংবাদিকদের বলেন, পাঁচটি আইনের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার পরিচালিত হয়। এই সংশোধন ছোট হলেও রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিতে এর প্রভাব অনেক বেশি। ব্রিটেনসহ উন্নত গণতন্ত্রের বিভিন্ন দেশে স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় মনোনয়নে হয়। ভারতেও স্থানীয় নির্বাচন দলীয় মনোনয়নে হয়। আমাদের দেশেও এ বিষয়টি নিয়ে অনেক দিন ধরে আলোচনা হচ্ছিল। তিনি বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতেও রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা অংশ নিতে পারবেন ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, সিটি করপোরেশন- সব ক্ষেত্রে।
পৌরসভা নির্বাচন নিয়ে অধ্যাদেশের বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যে পৌরসভা নির্বাচন করার বাধ্যবাধকতা থাকায় স্থানীয় সরকার নির্বাচন (পৌরসভা) (সংশোধন) আইন-২০১৫ নিয়ে ভেটিংয়ের পর অধ্যাদেশ জারি হবে। আর স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) (সংশোধন) আইন-২০১৫, উপজেলা পরিষদ (সংশোধন) আইন-২০১৫, জেলা পরিষদ (সংশোধন) আইন-২০১৫ এবং স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) আইন-২০১৫ ভেটিংয়ের পর পাসের জন্য সংসদে যাবে।
মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা বলেন, সিটি করপোরেশন বাদে অন্যান্য আইনে যে বিধান রয়েছে, তাতে পাঁচ বছর মেয়াদের পর কোনো কারণে নির্বাচন না হলে আগে যারা ছিলেন, তারাই দায়িত্ব চালিয়ে যেতেন। আইন সংশোধনের পর তা আর সম্ভব হবে না। মেয়াদ শেষ হলে সরকার যথাসময়ে নির্বাচন করার চেষ্টা করবে। যদি কোনো জটিলতায় নির্বাচন না করতে পারে, অন্তর্বর্তীকালীন সময়ের জন্য প্রশাসক নিয়োগ করা হবে। এটা বর্তমানে সিটি করপোরেশনে আছে।
জাতীয় সংসদের মতো স্থানীয় নির্বাচনেও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ১ শতাংশ সমর্থক ভোটারের তালিকা দিতে হবে কি-না জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, অধ্যাদেশ জারি বা সংসদে আইন পাস হওয়ার পর নির্বাচন কমিশন বিধিমালা সংশোধনের সময় বিষয়টি ঠিক করবে। আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দলীয় প্রার্থীরা স্থানীয় নির্বাচনে দলীয় প্রতীক ব্যবহার করবেন। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য আলাদা প্রতীক থাকবে।
গত বছর মার্চে তৎকালীন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেন, উপজেলা পরিষদসহ স্থানীয় সরকারের সব নির্বাচন দলীয়ভাবে অনুষ্ঠানের জন্য প্রয়োজনে আইন সংশোধন করা হবে। এর পর গত বছরের ১৮ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর ছেলে এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ও বলেন, স্থানীয় নির্বাচন নির্দলীয় করা-সংক্রান্ত আইনে পরিবর্তন আনতে হবে এবং ভবিষ্যতে স্থানীয় সব নির্বাচন দলীয়ভাবে হতে হবে। এর পর ওই বছরের ২৭ মার্চ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক আলোচনা সভায় আগামী দিনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয়ভাবে হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন। সর্বশেষ গত ১১ সেপ্টেম্বর আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন দলীয়ভাবে করার কথা জানান। পরে স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads