স্টাফ রিপোর্টার : শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার মধুটিলা ইকোপার্কে স্বামীর সামনে নববধূকে বিবস্ত্র করে যৌন নিপীড়ন করে মোবাইলে ছবি তুলে ছড়িয়ে দেওয়ার চাঞ্চল্যকর মামলায় স্যাগ্রহণ সমাপ্ত হয়েছে। ৬ অক্টোবর মঙ্গলবার বিকেলে শেরপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট বুলবুল আহমেদ, জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট জিনিয়া জাহান ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নালিতাবাড়ী থানার উপ-পরিদর্শক মো. আরিফ হোসাইন স্যা দেন। এ নিয়ে ওই মামলায় মোট ১৭ জন সাক্ষীর স্যাগ্রহণ শেষ হওয়ায় আগামী ১৯ অক্টোবর যুক্তি-তর্কের জন্য ধার্য্য করা হয়েছে।
চাঞ্চল্যকর ওই মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ সমাপ্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে ট্রাইব্যুনালের পিপি এডভোকেট গোলাম কিবরিয়া বুলু বলেন, ১৯ অক্টোবর যুক্তিতর্ক শেষ হলে আশা করছি এ মাসেই মামলাটির রায় ঘোষণা হতে পারে।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ১৭ জুলাই রমজান মাসে উপজেলার মরিচপুরান ইউনিয়নের ফকিরপাড়া গ্রামের মেয়ে ও স্থানীয় তারাগঞ্জ ফাজিল মাদ্রাসার ডিগ্রি কাসের ছাত্রীকে নিয়ে তার সদ্য বিবাহিত স্বামী নজরুল ইসলাম বুলবুল মধুটিলা ইকোপার্কে বেড়াতে গেলে কয়েকজন দুর্বৃত্ত স্বামীর সামনেই তাকে বিবস্ত্র করে মোবাইলে ছবি তোলার পাশাপাশি যৌন পীড়ন চালায়। ওই ঘটনায় সমশ্চুড়া গ্রামের আব্দুর রহিমের বখাটে ছেলে শফিকুল ইসলাম (২৭), জসিম উদ্দিনের ছেলে আব্দুস ছালাম (২৫) ও মতিউর রহমানের ছেলে মনু মিয়া (২৬)র বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হলে থানা পুলিশ তদন্ত শেষে স্বামী বুলবুলকেও ওই মামলায় অর্ন্তভুক্তকরণসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ১০/৩০ ধারায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এছাড়া একই আসামীদের বিরুদ্ধে পর্ণোগ্রাফী নিয়ন্ত্রণ আইনে দাখিল করা অভিযোগের বিষয়ে বিচার প্রক্রিয়া চলছে।




