ads

বুধবার , ২৯ জুলাই ২০১৫ | ২৮শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শেরপুরে কলেজছাত্রী অপহরণ ও গণধর্ষণ মামলায় এক বখাটের ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
জুলাই ২৯, ২০১৫ ৪:১৫ অপরাহ্ণ

Remandস্টাফ রিপোর্টার : শেরপুরে কলেজছাত্রীর অপহরণ ও গণধর্ষণের মামলায় ইয়াকুব আলী (২১) নামে এক বখাটের ৩ দিনের পুলিশ রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। বুধবার দুপুরে উভয় পক্ষের শুনানী শেষে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সাইফুর রহমান ওই রিমান্ড মঞ্জুর করেন। অন্যদিকে অপহরণ ও গণধর্ষণের শিকার হয়ে একেবারেই নির্বাক-নিথর হয়ে পড়েছে ওই কলেজছাত্রী। ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার কালাপাগলা গ্রামের ব্যবসায়ী পরিবারের সন্তান ধর্ষিতা ওই কলেজছাত্রী এখন শেরপুর শহরের শেখহাটি মহল্লার ভাড়াটে বাসায় অবস্থান করছে। ঘটনার পর থেকে তার পরিবারের সদস্যরাও মুষরে পড়েছে।
ওই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাজহারুল করিম জানান, ডাক্তারী পরীক্ষা শেষে ওই কলেজ ছাত্রীকে অভিভাবকের হেফাজতে দেওয়া হয়েছে। বুধবার পর্যন্ত তার মেডিকেল রিপোর্ট পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে গ্রেফতারকৃত ইয়াকুব আলীর রিমান্ড মঞ্জুর হওয়ায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদে মামলাসংক্রান্তে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে, যা দ্রুত তদন্তের ক্ষেত্রেও সহায়ক হতে পারে। এছাড়া ঘটনায় জড়িত অপরাপর আসামীদের গ্রেফতারেও অভিযান চলছে।
উল্লেখ্য, রবিবার সন্ধ্যার দিকে শেরপুর বিজ্ঞান কলেজের একাদশ শ্রেণির ওই ছাত্রী শহরের শেখহাটি এলাকার ভাড়া বাসা থেকে ভাগ্নেকে সঙ্গে নিয়ে বই কিনতে শহরে বের হয়। বই কিনে বাড়ি ফেরার পথে পূর্ব পরিচিত পাকুরিয়া ইউনিয়নের চকপাড়া গ্রামের সোহাগ মিয়া (২০), ইয়াকুব আলী (২১) ও রসুল মিয়া (২২) তাকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে শহরের গোয়ালপট্টি থেকে অটোরিক্সায় তুলে নেয়। অটোরিক্সাটি শহরের এটিআই তিন রাস্তার মোড়ে পৌঁছার পর একই ইউনিয়নের গণইবরুয়া গ্রামের চাঁন মিয়া (৩৫), নজু শেখ (২৭) ও শামীম (২২) দুইটি মোটর সাইকেল নিয়ে ওই অটোরিক্সার গতিরোধ করে। সেখান থেকে পরের ৩ যুবক কলেজছাত্রীকে তুলে গাজীরখামার এলাকায় নিয়ে যায়। এদিক-সেদিক ঘুরাফেরার পর মধ্যরাতে ওই বখাটেরা কলেজছাত্রীকে পার্শ্ববর্তী খোলা মাঠে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। সোমবার ভোরে অসুস্থ কলেজছাত্রীকে পাশের এক বাড়িতে উঠিয়ে দিয়ে সটকে পড়ে বখাটেরা। খবর পেয়ে ওই কলেজছাত্রীর স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে বাড়ি নিয়ে যায় এবং তার অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওই ঘটনায় মঙ্গলবার ধর্ষিতা কলেজছাত্রী নিজেই বাদী হয়ে ওই ৬ বখাটের বিরুদ্ধে শেরপুর সদর থানায় অপহরণ ও গণধর্ষণের একটি মামলা দায়ের করলে পুলিশ এজাহারনামীয় ইয়াকুব আলীকে গ্রেফতার করে। একইদিন জেলা সদর হাসপাতালে ধর্ষিতা কলেজছাত্রীর ডাক্তারী পরীক্ষা সম্পন্ন হয়।

error: কপি হবে না!