চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি : চকরিয়ায় পুলিশের অভিযানে মালয়েশিয়াগামী ৫ যুবককে আটক করা হয়েছে। ১৪ অক্টোবর মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার ভাঙ্গারমুখ এলাকা থেকে কক্সবাজারগামী একটি চেয়ারকোচ তল্লাশি করে থানার এসআই রফিকুল হাসান তাদের আটক করেন।
এসআই রফিকুল হাসান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে ভাঙ্গারমুখ এলাকায় কক্সবাজারগামী যাত্রীবাহি তিশা পরিবহনের একটি চেয়ারকোচ থেকে মালয়েশিয়াগামী পাঁচ যুবককে আটক করা হয়। তাঁরা হলেন উপজেলার কাকারা ইউনিয়নের দক্ষিন কাকারা গ্রামের আবদুল মজিদের ছেলে মোবারক হোসেন (২২), মোহাম্মদ সফির ছেলে মুজিবুল হক (২৪), মৃত সামসুল আলমের ছেলে হামিদ হোছাইন (২৫), কবির আহমদের ছেলে আবু ছিদ্দিক (৩৫) ও রিদুয়ানুল হকের ছেলে রায়হান উদ্দিন (১৭)।

চকরিয়ায় প্রতিবন্ধি বৃদ্ধা দিলোয়ারা বেগম ধর্ণা দিয়েও ভাগ্যে জুটছেনা প্রতিবন্ধি কার্ড

চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের সিকদারপাড়া গ্রামের মৃত মোস্তাক আহমদের বিধবা মেয়ে দিলোয়ারা বেগম শাররীক প্রতিবন্ধিতার কারনে পিতার মৃত্যুর পর থেকে ভাইয়ের অভাবের সংসারে মানবেতর দিন যাপন করে আসছে। শাররীক প্রতিবন্ধিতার কারনে ৬০বছর বয়সের এই বৃদ্ধা মহিলা জীবনে বিয়ে পিঁিড়তে বসতে পারেনি।
বাড়ির পাশের বাসিন্দা মাষ্টার খোরশেদ আলম বলেন, ভাইয়ের অভাবের সংসারে বৃদ্ধা দিলোয়ারা এখন বোঝা হয়ে দাঁিড়য়েছে। সরকার প্রতিবন্ধি ব্যক্তিদের সমাজের মুল স্্েরাতধারায় সম্পৃক্তকরণে নানা ধরণের কর্মসুচী গ্রহন করলেও দিলোয়ারা বেগমের ভাগ্যে জুটেনি সরকারের সফল এসব উদ্যোগ। উপজেলা সমাজ সেবা বিভাগে বছর আগে ১৮৫ নম্বর প্রতিবন্ধি ফরম পুরণ করলেও এতদিনে তার কাছে জুটেনি একটি প্রতিবন্ধি কার্ড। কার্ড না পাওয়ায় স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের আওতায় সরকারী সকল সুবিধা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে দিলোয়ারা বেগম।
বৃদ্ধা দিলোয়ারা বেগম জানান, স্থানীয় ইউপি সদস্য কমরু বেগম ও তোফায়েল আহমদের কাছে অনেকবার ধর্ণা দিয়েছেন। তারপরও একটি প্রতিবন্ধি কার্ড পেতে তাকে দিনের পর দিন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
অবহিত করা হলে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো.বুরহান উদ্দিন বলেন, ইউনিয়ন ব্যবস্থাপনা কমিটির সুপারিশক্রমে প্রতিবন্ধি কার্ড দেওয়া হয়। তবে এর আগে একটি আবেদন ফরম পুরণ করতে হয়। যেহেতু বিধবা মহিলাটি প্রতিবন্ধি তাই মানবিক বিবেচনায় তাকে একটি প্রতিবন্ধি কার্ড দেয়ার জন্য ইউনিয়ন ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যানকে বলা হবে।




