উত্তম কুমার পাল হিমেল, নবীগঞ্জ(হবিগঞ্জ) : জঙ্গী তৎপরতা রোধে আওয়ামী সরকারের বিকল্প নেই, তাই এই সরকারকে আন্দোলনের নামে হুমকি ধামকি দিয়ে লাভ নেই। আন্দোলনের নামে এদেশে অরাজকতা করলে সরকার বসে থাকবেনা। আওয়ামীলীগ কারো হুমকি ধামকিতে ভয় পায়না। সাধারন মানুষের সুখ দুঃখে পাশে থেকে মা মাটি ও মানুষের সেবা করতে চাই। নবীগঞ্জ বাহুবলের উন্নয়নে দলমত নির্বিশেষে সকলের সার্বিক সহযোগীতা প্রয়োজন। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ গড়তে জন নেত্রী শেখ হাসিনার সরকারের কোন বিকল্প নেই। গতকাল রবিবার বিকালে নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়নের মিনাজপুর গ্রামের কনা মাস্টারের বাড়িতে এক মত বিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিলেট- হবিগঞ্জ সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট আমাতুল কিবরিয়া চৌধুরী কেয়া উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। এসময় তিনি আরো বলেন, এশিয়ার বৃহত্তম গ্যাস ক্ষেত্র নবীগঞ্জের বিবিয়ানা গ্যাস উপজেলার ঘরে ঘরে সংযোগ দিতে এলাকাবাসী যে আন্দোলন করে যাচ্ছেন সেটা সরকার বিবেচনা করে দেখছে। নবীগঞ্জবাসীর এই দাবী টুকু আমি সংসদেও উত্তাপন করেছি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, নবীগঞ্জ পৌর কাউন্সিলর ও আওয়ামীলীগ নেতা রিজভি আহমেদ খালেদ, মুক্তিযোদ্ধা শফিকুর রহমান, ইউপি আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক সুজন মিয়া মেম্বার, ডাঃ আজিজুর রহমান, সিনিয়র সহ সভাপতি বদরুল ইসলাম বকুল মেম্বার, আওয়ামীলীগ নেতা আমিনুর রহমান নোমান, আওয়ামীলীগ নেতা ও সাংবাদিক এম এ আহমদ আজাদ, এম এ মুকিত, যুবলীগ নেতা আব্দুল হামিদ নিকছন, আওয়ামীলীগ নেতা মহসিন আহমেদ, যুবলীগ নেতা ও গীতিকার হাবিবুর রহমান, পল¬ীবিদ্যুৎ সমিতির স্থানীয় পরিচালক শফিউল আলম হেলাল, থানা স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা এম মুজিবুর রহমান, হাজী সানুর মিয়া,কৃষকলীগের নেতা, ডা: নাজমুল ইসলাম চৌধুরী, আব্দুর নুর, ছাত্রলীগ নেতা আল আমিন, শাহ আশরাফ আলী, সোয়েব,দিপলু ব্যবসায়ী নেতা শাহ মুস্তাকিম আলী প্রিন্স, আবুল কালাম, সাংবাদিক বুলবুল আহমদ, সাংবাদিক মতিউর রহমান মুন্না, আব্দুর রহমান চৌধুরী লিমন, হেলাল আহমদ, কাচঁন মিয়া প্রমূখ।
সাহিত্য মানুষের হৃদয়ে মনুষ্যত্ব বোধ জাগিয়ে তোলে-
নবীগঞ্জে শরৎকালীন কবিতা উৎসবে কবি জালাল খান ইউসুফী
সাহিত্য মানুষের হৃদয়ে মনুষ্যত্ব বোধ জাগিয়ে তোলে। সর্ব প্রকার অনাচার অবিচারের বিরুদ্ধে সাহিত্য হচ্ছে সত্যের হাতিয়ার বর্তমান এই ঘুনে ধরা সমাজ ব্যবস্থা পরিবর্তনে সাহিত্য চর্চায় মনোনিবেশ করতে হবে । বুধবার বিকালে নবীগঞ্জ উপজেলার কসবা নতুন বাজারে বিবিয়ানা সাহিত্য পরিষদ নবীগঞ্জ কর্তৃক আয়োজিত শরৎকালীন কবিতা উৎসব ২০১৪ ও ঈদ পূণর্মিলনি অনুষ্টানে প্রধান অতিথির বক্ততায় মাসিক কাব্য কথার সম্পাদক কবি ও উপন্যাসিক জালাল খান ইউসুফী উপরোক্ত কথা গুলো বলেন।
প্রধান আলোচকের বক্ততায় দাঁড়াও পথিক গ্রন্তের লেখক বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক সাদেক আহমেদ বলেন গ্যাসের খনি পাওয়ায় বিবিয়ানা অঞ্চল আজ সমগ্র দেশে পরিচিতি লাভ করেছে। উক্ত অনুষ্টানে অসংখ্য কবি সাহিত্যিকদের উপস্থিতি দেখে আমার মনে হচ্ছে উক্ত অঞ্চল জ্ঞানের খনি হতেও চলছে। বিবিয়ানা সাহিত্য পরিষদ নবীগঞ্জের প্রতিষ্টাতা চেয়ারম্যান ও মাসিক নবীগঞ্জ দর্পণের সম্পাদক কবি-সাংবাদিক এম. শহিদুজ্জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও হাফিজ হোসাইন আহমদ এর পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া অনুষ্টানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন হবিগঞ্জ জজ কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবি এডভোকেট মোঃ ইলিয়াস মিয়া, মাসিক বুঁড়ি নদীর বাঁকে পত্রিকার সম্পাদক শেখ ফয়ছল আহমদ, পোয়েটস ক্লাব হবিগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি কবি নিলুপা ইসলাম নিলু, মাসিক নবীগঞ্জ দর্পণের প্রধান সম্পাদক এম. গৌছুজ্জামান চৌধুরী, গীতি কবি মাহবুব খান লুবাব। কবি শুয়াইব আহমদ শিবলুর পরিচালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিবিয়ানা সাহিত্য পরিষদ নবীগঞ্জের সহ সভাপতি এডভোকেট কবি আব্দুল বাছিত, ইনাতগঞ্জ উজ্জীবন শিল্পী গোষ্ঠির সভাপতি নাট্যকার আহমদ আবুল কালাম, সৈয়দ আমজদ আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মাওলানা আব্দুল আজিজ, দক্ষিন কসবা জামে মসজিদের খতিব মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম, ইক্বরা কিন্ডার গার্টেন এর সহকারী শিক্ষক মোঃ আব্দুল হান্নান। অনুষ্টানে স্বরচিত কবিতা আবৃত্তি করেন সৌদি প্রবাসী কবি তোফাজ্জল হোসেন, কবি মাস্টার ফজলুর রহমান চৌধুরী, গীতি কবি গোপাল রায়, কবি আব্দুল মুকিত, কবি শামসুল ইসলাম ছনু, কামরুল হাসান। গান ও ইসলামী সংগীত পরিবেশন করেন এডভোকেট আব্দুল বাছিত ও জামিল আহমদ খান প্রমুখ।

নবীগঞ্জ পশু সম্পদ অফিস টাকা ছাড়া চিকিৎসা হয় না
বদলী বাতিল করে বহাল তবিয়তে, কর্মকর্তার কু-টির জোর কোথায় ?
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলা পশু সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ বরুন কুমার দত্তের বিরুদ্ধে ব্যাপক ঘুষ,দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গ্রামীন জনপদের লোকজন তাদের গবাধি পশুর চিকিৎসার জন্য নবীগঞ্জ শহরের ওসমানী রোডস্থ পশু হাসপাতালে নিয়ে আসলে উক্ত ডাক্তারকে ৩ শ’ থেকে ১ হাজার টাকা এবং নিয়ে চিকিৎসা করালে ৫ শ’ থেকে ২ হাজার টাকা ফ্রি দিতে হয়। অন্যতায় তিনি গবাধির চিকিৎসা না করেই বিদায় করে দেন বলে অভিযোগে প্রকাশ। এছাড়া ওই পশু হাসপাতাল থেকে সরকারী কোন ঔষধ পত্র না পেয়ে বিভিন্ন ফার্মেসীর দোকান থেকে চড়া মুল্যে খরিদ করতে হয়। নতুবা টাকা দিলে উক্ত হাসপাতাল থেকে ঔষধ এবং ভেকসিন বের করে দেন ডাক্তার বরুন কুমার দত্ত। ফলে গবাধি পশুর চিকিৎসার জন্য চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। পশু সম্পদ কর্মকর্তার এ সব কার্যক্রমে তার কুটিঁর জোর কোথায় ? এ প্রশ্ন ভুক্তভোগীদের। ভোগান্তির শিকার উপজেলার কুর্শি ইউনিয়ের রতনপুর গ্রামের মনমন রায়ের ছেলে অমর রায় জানান,গত শনিবার তার একটি গাভীকে ভিঙ্গুল বলায় কামড় দিলে তিনি ডাক্তারের কাছে ছুটে আসেন বাড়িতে নেয়ার জন্য। এ সময় ডাঃ বরুন কুমার দত্ত ৫ শ টাকা ফ্রি দাবী করেন। তবে তিনি গিয়ে ঔষধ লিখে দিলে তা বাজার থেকে খরিদ করে নিতে হবে এবং ইনজেকশন পুশ করতে গেলে আরও ৫ শত টাকা দিতে হবে বলে জানান। অসহায় অমর রায় এত টাকা দিতে অপারকতা প্রকাশ করলে তিনি যেতে অস্মতি জানান। অতি সম্প্রতি পৌর এলাকার গন্ধ্যা গ্রামের জনৈক রিক্সা চালক তার একটি বাছুর খাস কম খাওয়ার কারনে পশু হাসপাতাল নিয়ে আসেন। তার কাছ থেকে ৫ শত টাকার বিনিময়ে ইনজেকশন দেয়ার সময় বাছুরটি দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরে ওই লোক স্থানীয় লোকদের সহযোগীতায় বাছুর ধরে আনলে ডাঃ বরুন দত্ত একটি ইনজেকশন পুশ করার আধ ঘন্টার মধ্যে বাছুরটি মারা যায়। ওই লোকটি অভিযোগ করেন টাকা নিয়েও তার বাছুরটিকে মেয়াদ উর্ত্তীণ ইনজেকশন দিয়ে মেরে ফেলছে।
অভিযোগে প্রকাশ, ডাক্তার বরুন কুমার দত্ত নবীগঞ্জ পশু সম্পদ কার্যালয়ে যোগদানের পর থেকেই ব্যাপক অনিয়ম,ঘুষ ও দুর্নীতি শুরু করেন। সাধারণ মানুষ গবাধি পশু নিয়ে উক্ত হাসপাতালে আসলে টাকা বিহীন কোন চিকিৎসা সেবা পান না। এছাড়া সরকারী ঔষধ,ভ্যাকসিন মোটা অংকের বিনিময়ে কালো বাজারে বিক্রী করে প্রচুর অর্থ-বিত্তের মালিক হয়েছেন। নাম অপ্রকাশের শর্তে হাসপাতালের জনৈক কর্মচারী বলেন,ডাঃ বরুন দত্ত নাকি নবীগঞ্জ আসতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে কয়েক লাখ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। ওই টাকা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে আদায় করার মিশনে নেমেছেন। তাই বার বার তাকে বদলীর চেষ্টা করা হলেও অদৃশ্য কারনে তা বাতিল করা হয়। এ ব্যাপারে ডাঃ বরুন দত্তের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। এলাকাবাসী দুর্নীতি পরায়ন ডাঃ বরুন কুমার দত্তকে নবীগঞ্জ থেকে অপসারনের দাবী জানিয়েছেন।

ইউনিয়ন তথ্যসেবা কেন্দ্রের প্রেরিত সেবায় উপকৃত নবীগঞ্জ ৮ নং সদর ইউনিয়নবাসী
অবাধ তথ্যপ্রবাহ জনগনের ক্ষমতায়নের অন্যতম পূর্বশর্ত। বিশেষ করে অনগ্রসর জনগনের মাঝে তথ্যপ্রবাহ নিশ্চিত করার মাধ্যমে তাদের জীবন যাত্রার মানে ইতিবাচক পরিবর্তন আনয়ন করা সম্ভব।তৃনমূল পর্যায়ে ব্যাপক জনগোষ্টীর মাঝে তথ্যসেবা পৌছে দিয়ে জনগনের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার জন্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্টানের সম্পৃক্ততা অপরিহার্য। এ লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগ ইউনিয়ন পর্যায়ে পর্যায়ক্রমে ইউনিয়ন তথ্যসেবা কেন্দ্র(ইউআইএসসি)স্থাপনের কার্যক্রম চালু করেছেন। ইউ আইএসসি হচ্ছে এমন একটির অত্যাধুনিক তথ্য সেন্টার(টেলি সেন্টার) যার মূল উদ্দেশ্য হলো তৃনমূল মানুষের দোরগোড়ায় তথ্যসেবা নিশ্চিত করা। এ সেবা চালুর শুরুতে তেমন একটা সাড়া না পাওয়া না গেলেও সময়ের সাথে সাথে দেশের প্রতিটি জেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ই-তথ্য সেবা কেন্দ্র। সরকারের ডিজিটাল সেবা ভিশন ২০২১ বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতা নিয়ে ইউনিয়ন তথ্যসেবা কেন্দ্র চালু হয়। সরকারের ভিশন ২০২১ বাস্তবায়নের মূল লক্ষ্যে ও উদ্দেশ্যই হচ্ছে দেশের সকল মানুষের মাঝে উন্নত সেবা নিশ্চিত করা। উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলাতে বাংলাদেশকে আরো বেশী উন্নত আরো বেশী গতিশীল এবং আরো বেশী সংবেদনশীল করাই হচ্ছে ডিজিটাল বাংলাদেশের মূল লক্ষ্য। বিষয় বা ব্যক্তি বিশেষে এর ব্যাখ্যাও ভিন্ন হতে পারে। একজন ছাত্রের কাছে তার উন্নত মানের শিক্ষা পাবার নিশ্চয়তা,একজন কৃষকের কাছে সহনশীল বাজারের নিশ্চয়তা,একজন রোগীর কাছে দীর্ঘ লাইনে না দাড়িয়ে সুচিকিৎসা না পাবার নিশ্চয়তা,একজন পেনশন ভোগী,একজন মুক্তিযোদ্ধা ও একজন বিধবার কাছে তাদের পেনশনের টাকাটা সময়মতো স্বচ্ছতার সাথে পাওয়ার নিশ্চয়তা অর্থ্যাৎ প্রতিটি মানুষের চাহিদামতো তার দোরগোড়ায় আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে সম্ভাব্য সেবা পৌছে দেওয়ার সুযোগই হচ্ছে ডিজিটাল বাংলাদেশ।একেবারে গ্রামাঞ্চলের মানুষ যেন নাগরিক অধিকার ও প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিসেবা থেকে বঞ্চিত না হয় এ বিষয়টি বাস্তবায়নের জন্যই সরকার প্রত্যন্ত অঞ্চলে এ তথ্যেেসবা কেন্দ্র চালু করেছেন। বর্তমান যুগ মিডিয়া বিপ্লবের যুগ ,এখন মানুষ নিমিষেই দেশের যেকোন স্থানের যেকোন সংবাদ খুব দ্রুত জানতে পারে এ তথ্যসেবার মাধ্যমে। টেলিভিশন,রেডিও এবং ইন্টানেটের মাধ্যমে খুব দ্রুত আদান-প্রদান হচ্ছে সংবাদসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য সকল তথ্য। এ সেবা থেকে যেন কোন নাগরিক বঞ্চিত না হয় এ উদ্দেশ্যে চালু করা হয়েছে এসব তথ্যসেবা কেন্দ্র।
নবীগঞ্জ উপজেলার ৮ নং সদর ইউনিয়ন পরিষদের তথ্য সেবাকেন্দ্র থেকে অনেকেই বিভিন্ন সেবার মাধ্যমে উপকৃত হয়েছেন।
সরজমিনে পরিদর্শনকালে এমন চিত্র দেখা গেছে। জনগনের খুব কাছাকাছি তথ্যসেবা নিশ্চিতকরতে এ ইউনিয়নে ২০১২ সালে চালু করা হয় ইউনিয়ন তথ্য ও সেবা কেন্দ্র। এখান থেকে গ্রামাঞ্চলের মানুষ অনায়াসেই বাড়ীর কাছে সুন্দর পরিবেশে জীবন জীবিকার সন্ধান ভিত্তিক অনেক তথ্য ও প্রয়োজনীয় সেবা পেয়ে থাকেন। বিগত ২০১৩ সালে নবীগঞ্জ ৮ নং সদর ইউনিয়ন থেকে ১০৫৫ পুরুষ এবং ৫৫ জন মহিলা মালয়েশিয়া ও হংকং চাকুরীর জন্য আবেদন পাঠিয়েছেন। যদিও কারো চাকুরী পাবার কোন তথ্য এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। এ ইউনিয়নে তথ্য সেবা কেন্দ্রের মধ্যে কম্পিউটার কম্পোজ,ই-মেইল,ইন্টানেট,কম্পিউটার প্রশিক্ষন,বিভিন্ন সরকারী ফরম পূরন,পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ,জমির খতিয়ানের জন্য আবেদন ও সরবরাহ,মোবাইল ব্যাংকিং,ফটোকপি,ভিডিও প্রদর্শনী,স্কুল,কলেজ মাদ্রাসার এমপিওভুক্তির তথ্য,সরকারের বিভিন্ন বিভাগের তালিকা ও কর্মপরিধি,ভিজিএফ,ভিজিডি প্রাপ্তদের তালিকা,পরিসংখ্যান বুরে্যা এবং বিভিন্ন জরিপ,জন্ম নিবন্ধন,ভোটার তালিকা হালনাগাদকরন,নাগরিকত্ব সনদপত্র প্রদানের কাজ অন্যতম। এসব কাজ করে এ ইউনিয়নের অনেকেই উপকৃত হয়েছেন।
এ ইউনিয়নের বাসিন্ধা হাফিজ উদ্দিন বলেন,এ ইউনিয়ন অফিসের তথ্য সেবা কেন্দ্র থেকে সহজেই মালয়েশিয়ার নিয়োগের আবেদন পূরন করেছি। ইউনিয়ন তথ্য সেবা কেন্দ্র চালু থাকলে অনেক লোক বিভিন্নভাবে উপকৃত।
সনজয় রায় জানান,এখনও এ ইউনিয়নের তথ্যসেবা কেন্দ্রে অনেক প্রয়োজনীয় অনেক কিছুই ঘাটতি রয়েছে। ছবি তোলার ক্যামেরা,রঙ্গিন ছাপা মেশিন,লেমোনেটিং মেশিনসহ আরো প্রয়োজনীয় সরঞ্জমাদি না থাকায় সমস্যায় পড়তে হয়।
ইউপি সচিব মোঃ আইনুল হক জানান, এ ইউনিয়নে যোগদান করার পর থেকে আন্তরিকভাবে মানুষকে সেবা প্রদানের চেষ্টা করছি। কিন্তু এ ইউনিয়নের অনেক লোকজন গরীব থাকায় সীমিত সাধ্যের মধ্যে প্রয়োজনের ভারসাম্য রক্ষা করে চলতে হিমশিম খেতে হয়।
৮নং সদর ইউপি চেয়ারম্যান হাজ্বী আব্দুল মোক্তাদির চৌধুরী বলেন,ইউনিয়নবাসীকে যথাসাধ্য ত্বরিত গতিতে সেবা দেওয়া চেষ্টা করি। এ ইউনিয়নে সরকারী বরাদ্দ ও সাহায্য প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। এর মধ্যে গরীব ও দিনমজুরের সংখ্যা বেশী হওয়ায় স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা আরো শক্তিশালী করতে সরকারী বরাদ্দ ও সহযোগীতা বৃদ্ধি করার জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।
নবীগঞ্জ ঐতিহ্যবাহী জে,কে মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ‘৯৫ ব্যাচের সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্টিত ফ্রি চক্ষু ক্যাম্পসহ সামািজক কাজ করার উদ্যোগ
নবীগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী জে,কে মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৯৯৫ ইং ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ঈদ পুর্নমিলনী ও সমন্বয় কমিটির এক সাধারন সভা গত মঙ্গলবার দুপুরে বিদ্যালয় সভাকক্ষে অনুষ্টিত হয়। সমন্বয় কমিটির আহবায়ক মোঃ রুবেল মিয়ার সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব উত্তম কুমার পাল হিমেলের পরিচালনায় এতে বক্তব্য রাখেন,জাহাঙ্গীর বখত চৌধুরী,তনুজ রায়,শামীম আহমদ,আশফাক উদজ্জামান চৌধুরী,মোঃ স্বরাজ মিয়া,এলেমান আহমদ চৌধুরী,মোঃ কাজল মিয়া,সাইফুর রহমান খান,আব্দুল মজিদ,সমীরন দে,প্রনব দেব,ছালেহ আহমদ,কাঞ্চন বনিক,মিজানুর রহমান জুয়েল,দেলোয়ার হোসেন দিলু,ডাঃ নাজিমুল ইসলাম বাবলু,আকিকুর রহমান সেলিম,কামরুজ্জামান চৌধুরী,দিলীপ কুমার গোপ,পিযুষ পুরকায়স্থ,সীতেশ মহালদার,জাকারিয়া হোসেন,আমিনুর রহমান চৌধুরী সুমন,রাজিব রায়,শাহ সাজিদুর রহমান,মোঃ তোফায়েল আহমদ,পিন্টু রায়,শিব্বির আহমদ সুমন,মোঃ আব্দুল হাই,মোঃ জসিম উদ্দিন,শাহ সোয়েব আহমদ,নুরুজ্জামান,অলক চৌধুরী,মোঃ তাহিদুর রহমান,লোমেশ রঞ্জন দাশ,ধনঞ্জয় দেবনাথ,বিকাশ চন্দ্র দাশ প্রমূখ। সভায় নবীগঞ্জ জে,কে উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ,পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দের সাথে যোগাযোগ করা ও ঐ ব্যাচের উদ্যোগে ফ্রি চক্ষু শিবির ক্যাম্পসহ বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বাহুবলের রশিদপুর চা বাগানের নিরীহ শ্রমিকদের উপর হামলায় নিন্দা ও জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবী জানিয়েছেন নবীগঞ্জ উপজেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ নেতৃবৃন্দ
নবীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের বাহুবল রশিদপুর চা বাগানের নিরীহ সংখ্যালঘু শ্রমিকদের উপর দুবৃত্তদের হামলা বাড়ীঘরে লুটপাট,ভাংচুর,স্বর্নালংকার লুট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ নবীগঞ্জ উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ। সংবাদপত্রে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধÑখ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ নবীগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি মিহির কুমার রায় মিন্টু, সহ-সভাপতি সুখেন্দু পুরকায়াস্থ,এডঃ সুষেন্দ্র দাশ,সাধারন সম্পাদক কালীপদ ভট্রাচার্য্য, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ও জাতীয় হিন্দু মহাজোটের সাধারন সম্পাদক প্রভাষক উত্তম কুমার পাল হিমেল,সহ-সাধারন সম্পাদক পবিত্র বনিক,সাংগঠনিক সম্পাদক সলিল বরন দাশ,অর্থ সম্পাদক নিতেশ চন্দ্র রায়,মুক্তিযোদ্ধা গৌরদাশ রায়,সাধন চ›ন্দ্র দাশ,শিক্ষক রাখাল চন্দ্র দাশ,নিতেশ রায়,গৌরমনি সরকার,পিন্টু চন্দ্র রায়,গুরু পদ দাশ ময়না,পৃথ্বিশ চক্রবর্তী,সজল কুমার দাশ,বিপুল চক্রবর্তী,সুশিতল রায়,সুধীর চন্দ্র রায় প্রমূখ।। নিন্দা জ্ঞাপনকারীরা বলেন,ঘটনার সাথে জড়িতদের অবিলম্ভে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা ও ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সার্বিক পুর্নবাসন ও সামাজিক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে।
নবীগঞ্জের কবি পৃথ্বীশ চক্রবর্ত্তী পেলেন সংশপ্তক কর্তৃক শিশুতোষ ছড়া সাহিত্যে ‘ভাসানী স্মৃতি পুরস্কার-২০১৪
উত্তম কুমার পাল হিমেল,নবীগঞ্জ থেকেঃ জাতীয় পত্রিকাগুলোর সাহিত্য ও শিশু কিশোর পাতা, খুললেই যাঁদের লেখা পাওয়া যায় কবি ও ছড়াশিল্পী পৃথ্বীশ চক্রবর্ত্তী তাদের অন্যতম। এক যুগেরও বেশি সময় ধরে তিনি শিশু-কিশোরদের জন্য ছড়া-কবিতা এবং বড়দের জন্য কবিতা, সমকালীন ছড়া, অণুকাব্য ইত্যাদি লিখে যাচ্ছেন। সম্প্রতি বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদ মিলনায়তনে (জাতীয় প্রেস ক্লাবের বিপরীতে) “সংশপ্তক” ও “আমরা কুঁড়ি”র যৌথ আয়োজনে “বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহ-২০১৪” উপলক্ষে ‘কৃতি শিশু শিল্পী সংবর্ধনা’, মজলুম জননেতা মরহুম মাওলানা আব্দুল হামিদ খাঁন ভাসানী স্মরণে “ভাসানী স্মৃতি পুরস্কার” ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে শিশুতোষ ছড়া সাহিত্যে বিশেষ কৃতিত্ব অর্জনের স্বীকৃতি স্বরূপ কবি ও ছড়াশিল্পী পৃথ্বীশ চক্রবর্ত্তী কে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের সাবেক বিচারপতি সিকদার মকবুল হক “ভাসানী স্মৃতি পুরস্কার-২০৪” তুলে দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উক্ত অনুষ্ঠানের সভাপতি যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, কথাসাহিত্যিক মঈনুদ্দিন কাজল, বিশেষ অতিথি বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ভাইস চেয়ারম্যান, কর কমিশনার বীর মুক্তিযোদ্ধা ড.এস.এম.জাহাঙ্গীর আলম, সংশপ্তকে’র চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমেদ লিটন, আমরা কুঁড়ি’র মহাসচিব ফেরদৌস আরা বন্যা, অধ্যক্ষ শামীম নূর, বাংলাদেশ শিশু সংগঠন ঐক্যজোটের সাধারণ সম্পাদক শিশু সাহিত্যেক হানিফ খাঁন, আমরা কুঁড়ি’র উপদেষ্টা শফিকুল ইসলাম কাঞ্চন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কর্মরত নিরঞ্জন চক্রবর্ত্তী, কবি সংসদ বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম কনক প্রমুখ।
এছাড়াও তিনি দুর্বার ম্যাগাজিন সম্পাদনায় ‘বাসন্তী সাহিত্য পুরস্কার-২০০২’, ‘কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদ পুরস্কার-২০০৬’, ‘বাংলাদেশ পয়েটস ক্লাব ও বাংলাদেশ পল¬ী সাহিত্য গবেষণা পরিষদ’ কর্তৃক কবিতায় ‘জাতীয় সাহিত্য সম্মেলন সম্মাননা-২০১৪’, ‘আমীর প্রকাশন ও এডুকেশন কালচালার লিটারেচার রিচার্স ডেভেলফম্যন্ট’ কর্তৃক ছড়া সাহিত্যে ‘আমীর প্রকাশন সাহিত্য পুরস্কার-২০১৪’, সাপ্তাহিক বর্ণমালা কর্তৃক ছড়া সাহিত্যে ‘বাংলার বর্ণমালা ২০১৪’ লাভ করেন।



