শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি : বাগেরহাটের শরণখোলায় অজ্ঞান পার্টির ছিনতাই করা টাকা ভাগাভাগি নিয়ে দু’ব্যক্তি খুন হয়েছে। খুনের পর তাদের লাশ রাতের আঁধারে মাটি চাঁপা দেয়ার এক সপ্তাহ পর পুলিশ ওই লাশ উদ্ধার করেছে। এরা হচ্ছে, পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার চাকামোরা গ্রামের মৃত সোমেদ হাওলাদারের ছেলে মজিবর রহমান হাওলাদার (৫৩) ও পটুয়াখালী সদর উপজেলার পাকুয়া গ্রামের মৃত হাতেম আলীর ছেলে সোবাহান (৩০)। এঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে হাবিব হাওলাদার (৩৫) নামে এক ব্যাক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়নের উত্তর তাফালবাড়ি গ্রামের মহারাজ হাওলাদারের পরিত্যক্ত বাড়ির বাগানে হারানো ছাগল খুঁজতে গিয়ে প্রতিবেশী হাজেরা বেগম ২টি কবরের মতো দেখনে পান। সেখান থেকে মারাত্মকভাবে দুর্ঘন্ধ বের হলে বিষয়টি তার সন্দেহ হয়। পুলিশকে খবর দিলে মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় মাটি খুঁড়ে দু’টি লাশ সেখান থেকে উদ্ধার করা হয়। এঘটনায় ঢাকার মিরপুর এলাকা থেকে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গৃহকর্তা মহারাজের ভাই হাবিবুর রহমান ওরফে হাবিল ডিএমপি পুলিশের হাতে গ্রেফতার হলে নিহতদের পরিচয় পাওয়া যায়। শরণখোলা থানার ওসি কাজী আঃ সালেক জানান, নিহত ও খুনীরা উভয়ই অজ্ঞান পার্টির সদস্য। তারা ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে এ কাজ করে থাকে। ছিনতাই করা টাকার ভাগবাটোয়ার নিয়ে সৃষ্ট দ্বন্দে মজিবর ও সোবাহানকে কৌশলে ওই বাড়িতে নিয়ে এসে খাবারের সঙ্গে ঘুমের ট্যাবলেট খাইয়ে তাদেরকে হত্যা করা হয়। পরে লাশ দু’টি বাগানে মাটি চাঁপা দেয়া হয়।




