ads

সোমবার , ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ | ৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

পেকুয়ায় কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে তদন্ত সম্পন্ন

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
সেপ্টেম্বর ১৫, ২০১৪ ২:৫৮ অপরাহ্ণ
পেকুয়ায় কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে তদন্ত সম্পন্ন

এম.আবদুল্লাহ আনসারী.পেকুয়া (কক্সবাজার) : পেকুয়ার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ করিয়ার দিয়ায় কয়লা ভিত্তিক বিদ্যূত কেন্দ্র স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাই করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের তদন্ত টিম সরজমিনে পরিদর্শণকালে জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব আবদুল আলিম বলেন, পেকুয়ার করিয়ারদিয়া কয়লা ভিত্তিক বিদ্যূত কেন্দ্র স্থাপনের জন্য উপযুক্ত জায়গা। মহেশখালীর মাতারবাড়িতে আনুষ্ঠানিক ভাবে কয়লা বিদ্যূত কেন্দ্র স্থাপনের প্রক্রিয়া শুরু হলে দীর্ঘদিন ধরে শুনে আসা পেকুয়ায় কয়লা বিদ্যূত কেন্দ্র স্থাপনের সরকারী ঘোষণার আলামত দেখেছে বলে সচেতন মহল মনে করছে। ১৩সেপ্টম্বর দুপুরে জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব আবদুল আলীম চৌধুরীর নেতৃত্বে উচ্চ পর্যায়ের একটি টিম পেকুয়া উপজেলার উজানটিয়া ইউনিয়নের বিচ্ছিন্ন দ্বীপ করিয়ারদিয়ায় গিয়ে সার্বিক ফিজিবিলিটি ওয়ার্ক (সম্ভাব্যতা) যাচাই করেছে। ওই এলাকার ভ’মি ও সার্বিক পরিবেশ কয়লা ভিত্তিক বিদ্যূত কেন্দ্র স্থাপনের উপযোগী কিনা তা যাচাই করতে এ তদন্ত টিম কাজ করছে বলে জানাগেছে। একটি ভাল মানের কয়লা ভিত্তিক বিদ্যূত কেন্দ্র স্থাপন করতে গেলে ১হাজার থেকে ১২শ একর ভ’মির প্রয়োজন বলে সূত্রে জানাগেছে। বঙ্গোপসাগরের ও মাতামুহরী নদীর মোহনায় গড়ে ওঠা উপজেলা একমাত্র ব-দ্বীপ করিয়ারদিয়া অপেক্ষাকৃত জন কোলাহল মুক্ত এলাকা। এখানকার বেশির সংখ্যক ভ’মি সরকারী খাস জমি, লবণ ও চিংড়ি জোন এলাকা হওয়ায় সেখানে কয়লা ভিত্তিক বিদ্যূত কেন্দ্র স্থাপন করা হলে জনক্ষতির সম্ভাব্যতা থেকেও সরকারকে বেগ পেতে হবেনা বলে অনেকে মনে করেন। তদন্ত টিমে এসময় উপস্থিত ছিলেন, প্রজেক্ট ডিরেক্টর জাহিদ উদ্দিন, পিডিবির নির্বাহী প্রকৌশলী ও পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীল শওকত হোসেন। তদন্ত টিমে অংশ নেয়া জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব আবদুল আলিম চৌধুরীর এবিষয়ে জানতে চাইলে দীর্ঘ আলাপে তিনি উল্লেখ করেন, সিতাকু- থেকে পেকুয়ার করিয়ারদিয়া পর্যন্ত সম্ভাব্য ও পছন্দনীয় জায়গা খুজা হয়েছে। ৫টি জায়গার মধ্যে পেকুয়ার জায়গাটি সার্বিক দিক দিয়ে কয়লা বিদ্যূত কেন্দ্রের জন্যে উপযুক্ত। সার্বিক অবকাঠামো জনাকীর্ণ জায়গা সব মিলিয়ে জায়গাটি অসম্ভব সম্ভাবনার। তিনি আরো বলেন, কয়লা বিদ্যূত কেন্দ্র একটি বড় প্রকল্প। এজায়গায় অনায়াসে ৬শ থেকে ১২শ মেঘাওয়াট বিদ্যূত কেন্দ্র স্থাপন করা যাবে। আর এটি করতে সরকারকে ১০হাজার কোটি টাকা বাজেট করতে হবে। প্রতিদিন ১০থেকে ২০হাজার টন কয়লা আনতে হবে। বঙ্গোপসাগরের যে চ্যানেল এটিকে একটু গভীরতা ও আকারায়ন করা ছাড়া তেমন প্রতিবন্ধকতা তিনি দেখেননি বলে এ প্রতিবেদককে বলেছেন। এঅঞ্চলে কয়লা বিদ্যূত কেন্দ্র স্থাপন করা হলে অসংখ্য কলকারখানা গড়ে ওঠবে বলে উল্লেখ করে বলেন, সারা বাংলাদেশে ৮/৯টি বেসরকারী কোম্পানী ইতিমধ্যে জোর তদবির করছে সাগরতীরবর্তী এলাকায় কয়লা বিদ্যূত কেন্দ্র স্থাপনের জন্যে। আর করিয়ারদিয়ায় চেষ্ঠা করছে ইলেক্ট্রিসিটি জেনারেশন অব বাংলাদেশ লিমিটেড। ইতিমধ্যে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া চরে একটি কয়লা বিদ্যূত কেন্দ্র স্থাপন কাজ শুরু হয়েছে। মহেশখালীর মাতারবাড়িতে কাজ শুরু হয়েছে। জাানাযায়, বহুমাত্রিক উৎপাদন কোম্পানী এস.আলম পেকুয়ার মগনামা উজানটিয়ায় ও আনোয়ারাতে হাজার হাজার একর জমি ক্রয় করেছে কয়লা বিদ্যূত কেন্দ্র স্থাপন ও তদসংলগ্ন শিল্প জোন প্রতিষ্ঠার জন্যে। অনেকে মনে করেন, পেকুয়ায় সাগর পথ ও স্থল পথের যোগাযোগ সুবিধাকে কেন্দ্র করে শিল্প অঞ্চল গড়ে তোলার সমুহ সম্ভাবানার জায়গা প্রতিবন্ধকতা মাত্র বিদ্যূতায়ন্। সরকারী বেসরকারী উদ্যোগে বিদ্যূত চাহিদা মেঠাতে পারলে শিল্পাঞ্চল গড়ে ওঠা সময়ের ব্যাপার মাত্র। বাংলাদেশের ও বাইরের অনেক নামকরা শিল্প কম্পানী পেকুয়াতে অনেক আগে থেকেই জায়গা ক্রয় করে রেখেছেন। বিদ্যূত সুবিধা নিশ্চিত হলেই তারা এঅঞ্চলে তাদের কলকারখানা স্থাপনের কাজ শুরু করতে প্রস্তুত। পেকুয়ার করিয়ারদিয়ায় কয়লা বিদ্যূত কেন্দ্র স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের তদন্ত টিমের সরজমিনে পরিদর্শন কমিটির সদস্য পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর শওকত হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়ের টিমের সাথে গিয়ে তিনিও জায়গাটি দেখেছেন সরকার যে প্রেক্ষিত জায়গা খুজছে সে রকম জায়গা দেখেছেন বলে তদন্ত টিমের কর্তকর্তাদের মনে হজ্বোলানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব আবদুল আলিম চৌধুরী সর্বশেষ অভিমত ব্যক্ত করে বলেন, সার্বিক অগ্রগতি নেবে এসংক্রান্ত সরকারী বোর্ড তিনি আজ ১৫সেপ্টম্বর একটি খসড়া প্রতিবেদন ওই কমিটিতে উপস্থাপন করবেন।

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

error: কপি হবে না!