ads

রবিবার , ৩১ আগস্ট ২০১৪ | ৪ঠা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

ঝিনাইদহ বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে লাখ লাখ টাকা আদায় : ওজোপাডিকোর মিটার নিয়ে কারচুপি

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
আগস্ট ৩১, ২০১৪ ৭:৪২ অপরাহ্ণ

02-Jhenaidah-ozopadiko-pictJhenaidah-ozopadiko-pictureশাহনেওয়াজ খান সুমন, ঝিনাইদহ : ঝিনাইদহ ওয়েস্টজোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ওজোপাডিকো) অতিথি ভবনে কেউ থাকেন না। অথচ প্রতি মাসে ৮শ থেকে ৯শ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হয়। এ জন্য প্রতি মাসে ওজোপাডিকো বিল দেয় ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা। কিভাবে এই বিদ্যুৎ খরচ হয়, অফিসের দায়িত্বশীল কেউ তা বলতে পারেন না। ঝিনাইদহ ওজোপাডিকোর নির্বাহী প্রকৌশলী সাইফুজ্জামানের সরকারি বাসাটিও পরিত্যক্ত। তিনি থাকেন কুষ্টিয়া শহরে। সেখানে তিনি সরকারি বিদ্যুৎ সুবিধা ভোগ করেন।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, অতিথি ভবনে দিনে তিনবার উচ্চমাত্রার হিটারে রান্না করা হয়। নিরাপত্তা প্রহরী মোজাহার হোসেন এই রান্না করেন। আর এনালগ সিস্টেমের মিটারটিও নষ্ট (মিটারের একাউন্ট নম্বর ১৭৭৬২৪)। নষ্ট মিটারে হিটার চালিয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী সাইফুজ্জামান ও একজন সিবিএ নেতার রান্না করা হচ্ছে মাসের পর মাস। সাধারণ গ্রাহকদের ডিজিটাল মিটার পরিবর্তন না করলে প্রতিমাসে মূল বিলের সাথে নির্ধারিত হারে জরিমানা গুনতে হলেও খোদ ওজোপাডিকোর নির্বাহী প্রকৌশলীর এই বিদ্যুৎবিলাসে বিতর্কের ঝড় উঠেছে গ্রাহকদের মধ্যে। তিনি কুষ্টিয়া শহরেও সরকারি বিদ্যুৎ সুবিধা নিচ্ছেন, আবার ঝিনাইদহ অতিথি ভবনে রান্নাবান্নার কাজেও হিটার জ্বালিয়ে সুবিধা নিচ্ছেন। একই ব্যক্তির দুই স্থানের সুবিধা ভোগ করা নিয়ে ওজোপাডিকোর সততা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ পাওয়া গেছে, ওয়েস্টজোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার আশকারা পেয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী দুর্নীতিতে বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। তিনি সরকারি সব আইনকানুনকে উপেক্ষা করে ঝিনাইদহ অফিসে নানা ধরনের দুর্নীতি করে চলেছেন। দুর্নীতির কারণে তিনি ইতোপূর্বে গ্রাহকদের হাতে প্রহৃত হয়েছেন। অভিযোগ পাওয়া গেছে, নতুন বিদ্যুৎ সংযোগের ফাইল গেলে তিনি প্রতি ফাইলে ১০০ টাকা করে ঘুষ নেন। পানি সেচের পাম্প নিতে ৪০ হাজার থেকে লাখ টাকা আদায় করেন। শিল্প কারখানা বা রাইস মিলে থ্রি ফেইজের লাইন নিতে দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা ঘুষ নেন। ট্রান্সফরমার পরিবর্তন ও খুঁটি সরাতে নেন এক লাখ টাকা করে। দুর্নীতির এই বিষয়গুলো ঝিনাইদহ ওজোপাডিকো অফিসে এখন ওপেন সিক্রেট। ঝিনাইদহে শহর প্রকল্পের কাজ শুরু হওয়ার প্রথম থেকেই তিনি টেন্ডার বাণিজ্য করছেন।
তিনি নিজে কুষ্টিয়ার আব্দুল কাদের ও তার এক ভাগ্নেকে দিয়ে ঠিকাদারি ব্যবসা করছেন। ট্রান্সফরমার ও বৈদ্যুতিক খুঁটির জন্য কোনো টাকা না দিতে হলেও হাটগোপালপুর ও ভাটই ফিডারের আওতাভুক্ত গ্রাহকদের কাছ থেকে নির্বাহী প্রকৌশলী লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। হাটগোপালপুর এলাকায়রুহুল, কাজল, লিটু ও এক বিডিআর সদস্যের কাছ থেকে ট্রান্সফরমার ও খুঁটি বাবদ বড় অঙ্কের টাকা নেয়া হয়েছে। ট্রান্সফরমার ও চারটি খুঁটি দিয়ে সেখান থেকে চার লাখ টাকা নেয়া হয়েছে। সাবেক এমপি সফিকুল ইসলাম অপুর ঝিনাইদহের বাসার সামনে ছোট খুঁটি তুলে টাকার বিনিময়ে ১২ মিটারের খুঁটি বসানো হয়েছে। শৈলকূপার ভাটই কালীতলায় ইলেভেন বাই ফোর কেভি তার ও ট্রান্সফরমার দিয়ে চার লাখ টাকা নেয়া হয়েছে। অভিযোগ পাওয়া গেছে, দ্রুত কাজ শেষ না করে গ্রাহকদের সমস্যার সুযোগ নিয়ে খুঁটি ও ট্রান্সফরমার বসিয়ে রাখা হয়েছে। ফলে শহরের ধানহাঁড়িয়া, শিকারপুর, গোবিন্দপুর, ভুটিয়ারগাতি, কালা ও অচিন্তনগরসহ হাটগোপালপুর ও ভাটই ফিডারের আওতাধীন গ্রামগুলোতে বিদ্যুতের লাইনগুলো জীর্ণ অবস্থায় পড়ে রয়েছে। অন্যান্য ঠিকাদার দ্রুত কাজ শেষ করলেও নির্বাহী প্রকৌশলীর ভাগ্নে কাজ না করেই বিল তোলার পাঁয়তারা করছেন বলে অভিযোগে প্রকাশ। তার নিয়ন্ত্রণে থাকা খুঁটিগুলো শহরের মারকাজ মসজিদ ও শৈলকূপার বিভিন্ন স্থানে মজুদ করে রাখা হয়েছে। অনুসন্ধান করে জানা গেছে, ঝিনাইদহে ডিস লাইন, ইজিবাইক রিচার্জসহ নানাভাবে লাখ লাখ টাকার বিদ্যুৎ প্রতি মাসে চুরি হলেও কারো কোনো মাথাব্যথা নেই। শহরের চাকলাপাড়া, প্রিয়া সিনেমা হল এলাকা, হাটখোলাসহ বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে ইজিবাইক চার্জার কেন্দ্র গড়ে উঠেছে। এতে বিল দেখানো হয় যতসামান্য। বিপুল রিডিং উঠলে মিটার নষ্ট দেখিয়ে পরিবর্তন করা হয়। গ্রাহকরা অভিযোগ করেন, কারিগরি ত্রুটির কারণে যখন তখন শহর বিদ্যুৎশূন্য হয়ে পড়ে। সব মিলিয়ে ওয়েস্টজোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ওজোপাডিকো) ঝিনাইদহ সরবরাহ অফিসে চলছে নাজুক অবস্থা।
ঝিনাইদহ ওজোপাডিকোর অফিস সূত্রে জানা গেছে, ঝিনাইদহ সরবরাহ বিভাগে ২০৭টি ট্রান্সফরমারের আওতায় ৩৮ হাজার ৭০২টি গ্রাহক রয়েছে। প্রতি মাসে গ্রাহকরা প্রায় চার কোটি ৫৮ লাখ ৭৭ হাজার ২০৯ টাকার বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করেও তারা উন্নত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
এ বিষয়ে ঝিনাইদহ বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সাইফুজ্জামানের সাথে ফোনে কথা বললে তিনি সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, অতিথি ভবনে গেস্ট থাকেন। তবে গেস্ট হাউজের বিল ও হাটগোপালপুর ও ভাটই ফিডারের আওতাভুক্ত গ্রাহকদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা নেয়াসংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে চাননি।

Shamol Bangla Ads

ঝিনাইদহে ৭ কোটি টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য ধ্বংস করেছে র‌্যাব

Shamol Bangla Ads

ঝিনাইদহে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ধ্বংস করেছে র‌্যাব। রোববার সকাল ১১ টার দিকে শহরের বিসিক মাঠে সড়কের ওপর মাদকদ্রব্য ধ্বংস করা হয়। ধ্বংসকৃত মাদকের আনুমানিক মুল্য ৭ কোটি টাকা।
র‌্যাব-৬ ঝিনাইদহ ক্যাম্পের কমা-ার স্কোয়াড্রন লিডার নিয়াজ মোহাম্মদ ফয়সাল জানান, ২০০৯ ও ২০১০ সালে জেলার বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য রোলার দিয়ে পিস্ট করে ও আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। ধ্বংসকৃত মাদকদ্রব্যের মধ্যে রয়েছে প্রায় ৩ হাজার বোতল ভারতীয় ফেনসিডিল, সাড়ে ৫ কেজি হেরোইন, ৩৬ লিটার বাংলা মদ, সাড়ে ১০ কেজি গাজা, দেড় কেজি আফিম ও ২ লিটার ক্লোরোফম। এসব মাদকের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৭ কোটি টাকা। মাদক দ্রব্য ধ্বংসের সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইকবাল হোসন, সহকারী পুলিশ সুপার নজরুল ইসলাম ও র‌্যাব-৬ এর সহকারী কমান্ডার গোলাম রাব্বানী সহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শোকের মাসে ঝিনাইদহে আওয়ামী যুব আইনজীবি পরিষদের
আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

জাতীয় শোক দিবস উদযাপন ও ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলায় শহীদদের স্মরণে ঝিনাইদহে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ আওয়ামী যুব আইনজীবি পরিষদ ঝিনাইদহ জেলা শাখার আয়োজনে রোববার জেলা আইনজীবি সমিতি কোর্ট বার ভবনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আওয়ামী যুব আইনজীবি পরিষদ ঝিনাইদহ জেলা শাখার আহবায়ক এ্যাডভোকেট আব্দুল খালেক সাগরের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ঝিনাইদহ জেলা পরিষদের প্রশাসক আব্দুল ওয়াহেদ জোয়ার্দ্দার। অন্যান্যের মধ্যে সভায় বক্তব্য রাখেন এ্যাডভোকেট তোফাজ্জেল হোসেন, সুবির কুমার সমাদ্দার, আফম শফিউল্লাহ বাচ্চু, খান আক্তারুজ্জামান, ইসমাইল হোসেন, সমির কুমার কু-ু, নজরুল ইসলাম,. আবদুল মালেক, আবদুল্লাহ মিন্টু, কানন কুমার দাস, আসাদুজ্জামান, মনিরুজ্জামান খান, বাচ্চু মিয়া। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন এ্যাডভোকেট আমিনুর ইসলাম নুরুল প্রমুখ। সভায় বক্তারা বলেন, ১৯৭১ সালের পরাজিত শক্তি ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের লোকজনকে হত্যা করে বদলা নিতে চেয়েছিল। জাতির জনকের পরিবারকে নিশ্চিহ্ন করতে না পেরে তারা আবার ২০০৪ সালে শেখ হাসিনার ওপর গ্রেনেড হামলা চালায়। শেখ হাসিনাকে হত্যার জন্য ২১ বার চেষ্টা করেছে। আমরা তাদের ওপর গ্রেনেড হামলা করব না। বিএনপি-জামাতকে রাজনৈতিকভাবে প্রতিহত করা হবে। আলোচনা সভা শেষে ১৫ আগষ্ট ও ২১ শে আগষ্ট শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এ কর্মসূচিতে দুই শতাধিক আইনজীবি উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

error: কপি হবে না!