ads

বুধবার , ২০ আগস্ট ২০১৪ | ১১ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

চুয়াডাঙ্গায় ২শ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ২

ইফতেখার হোসেন পাপ্পু
আগস্ট ২০, ২০১৪ ৩:১৫ অপরাহ্ণ

Chuadanga Yeaba 20.08.14চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি : চুয়াডাঙ্গার হিজলগাড়ি ফাঁড়ি পুলিশ মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়েছে। এ অভিযানেপুলিশ ইয়াবাসহ দুজনকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে দায়ের করাহয়েছে মামলা।

Shamol Bangla Ads

জানাগেছে, মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে হিজলগাড়িপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এএসআই মুহিতুর রহমান মুহিত গোপন সংবাদের ভিত্তিতেসঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে মাদকবিরোধী অভিযান চালান কোটালী-ছোটশলুয়া সড়কে। পুলিশ ওইসড়ক থেকে গ্রেফতার করেছে দামুড়হুদার নতিপোতা ইউনিয়নের জগন্নাথপুর গচিয়ারমোড়ের এলাহী খানের ছেলে হাফিজুর রহমান (৪৫) ও রমজান আলীর ছেলেকাউসারকে (৪০)। পুলিশ বলেছে, গ্রেফতারকৃতদের ধাওয়া করে ধরা হয়েছে। তার দেহতল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করা হয়েছে ২শ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট। গ্রেফতারকৃতরা জানায়, এ ট্যাবলেট দামুড়হুদার মুন্সিপুর সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে প্রতি পিস১১০ টাকা করে কেনা হয়েছে। দশমাইল বাজারের পৌঁছুলে ঝিনাইদহের একজন আসবে তারহাতে তুলে দেবো। এ ঘটনায় এএসআই মুহিত বাদী হয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় মামলাদায়ের করেছেন।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগী উজিরপুরের এক বধূর মৃত্যু: দু শিশুসন্তান দেখে অনেকেই ঝরালেন অশ্রু

Shamol Bangla Ads

Chuadanga Griobodhur Mrittuদু শিশুকন্যা রেখে মারা গেলেন আয়েশা খাতুন (২৬)। ছোট মেয়ের বয়স ৭ মাস আর বড় মেয়ের বয়স ৭ বছর। অতোটুকু দু সন্তানের দিকে তাকিয়ে অনেকেই নিজের অশ্রু ধরে রাখতে পারেননি। মঙ্গলবার বিকাল ৫টার দিকে মারা গেলে সংশ্লিষ্টরা চিকিৎসা প্রদানে ত্রু টির অভিযোগ তোলেন। অবশ্য অভিযোগ শেষ পর্যন্ত থানায় বা সিভিল সার্জনের নিকট পৌঁছায়নি।
জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা ঠাকুরপুরের হারুন অর রশিদের স্ত্রী আয়েশা খাতুন কয়েকদিন ধরে অসুস্থ। গতপরশু সোমবার জর ও পেটে ব্যথা নিয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি হন। প্রথমে তাকে নেয়া হয় ফিমেল সার্জিক্যাল ওয়ার্ডে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সার্জিক্যাল ওয়ার্ড থেকে পাঠানো হয় ফিমেল মেডিসিন ওয়াডে। চিকিৎসক রোগী দেখে অনেকটা সুস্থ বলেই মন্তব্য করেন। প্রস্রাব নালিতে দেয়া নলটি খুলে দিতেও বলেন। রোগীর লোকজন এ তথ্য জানিয়ে বলেন, নলটা খুলে দিতেই রোগী অস্থির হয়ে পড়ে। কিছুক্ষণের মধ্যেই রোগী আয়েশা খাতুন মারা যায়।

দু মেয়ে আয়েশা খাতুনের। ছোট মেয়ের বয়স মাত্র ৭ মাস। আর বড় মেয়ের বয়স ৭ বছর। বড় মেয়ে মা মারা যাওয়ার বিষয়টি কিছুটা বুঝলেও ছোট মেয়ে তার কিছুই বোঝেনি। শুধু মায়ের দুধ খাওয়ার জন্য কেঁদেছে। দু কন্যার কান্না দেখে হাসপাতালে অনেকেই অশ্রুসজল কণ্ঠে দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলেন, হায়রে নিয়তি!

Need Ads
error: কপি হবে না!