ads

মঙ্গলবার , ১৯ আগস্ট ২০১৪ | ৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

সোজা আঙুলে ঘি উঠবে না : মির্জা ফখরুল

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
আগস্ট ১৯, ২০১৪ ৮:৩৩ অপরাহ্ণ

fakhrul146শ্যামলবাংলা ডেস্ক : বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সোজা আঙুলে ঘি উঠবে না, তাই আন্দোলনের মাধ্যমে এ সরকারের পতন ঘটাতে হবে। ১৯ মঙ্গবার বিকেলে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি ওই কথা বলেন। জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালার প্রতিবাদে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট ওই প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করে।
এসময় তিনি বলেন, যে সংসদে জনগণের প্রতিনিধিত্ব নেই, তাদের কাছে উচ্চ আদালতের বিচারপতিদের অভিশংসন বা অপসারণের ক্ষমতা দেয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, অতীতের মতো ক্ষমতাকে কুক্ষিগত, নিরঙ্কুশ ও চিরস্থায়ী করতে এই অবৈধ সরকার একের পর এক অন্যায় পদক্ষেপ নিচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে কেউ যাতে ভিন্নমত পোষণ করতে না পারে সে জন্যই জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। এভাবে তারা গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করতে চায়।
আওয়ামী লীগ আবারো বাকশালের পথে হাঁটছে অভিযোগ করে তিনি আরও বলেন, ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের মুখ থেকে আগে গণতন্ত্রের ফেনা বের হলেও এখন তাদের আসল চেহারা উন্মোচিত হতে শুরু করেছে। তাদের আসল চেহারা, তাদের প্রকৃত মুখোশ বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে। তাদের নেতারা বলতে শুরু করেছেন, গণতন্ত্র থাকলে নাকি দেশের উন্নয়ন হয় না।
ফখরুল বলেন, গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করে অবৈধ ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে চাচ্ছে তারা। এগুলোর একটাই উদ্দেশ্য যাতে তাদের অন্যায়-অপকর্ম নিয়ে কেউ কথা বলতে না পারে।
সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে মির্জা আব্বাস বলেন, বাংলাদেশের জনগণ নমরুদ, ফেরাউনের কাছে বন্দী। তবে আওয়ামী লীগকে এ সমাবেশের মাধ্যমে ধন্যবাদ দিতে চাই, কারণ তারা নতুন প্রজন্মকে ১৯৭৪ সালে যে গুম-খুন ঘটেছিল তা আবারও দেখিয়েছে। নতুন প্রজন্মতো এসব ঘটনা জানতো না। তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনগণ গণআন্দোলনের জন্য প্রস্তুত। আপনারাও মিটিং করুন আমরাও করি। পুলিশ দিয়ে বাধা না দিয়ে রাজপথে আসুন তখন দেখবেন গণআন্দোলন কাকে বলে।
দুপুর একটা থেকেই ২০ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা মিছিল সহকারে হাতে বিভিন্ন ব্যানার, ফেস্টুন নিয়ে সমাবেশে যোগ দেয়ার জন্য আসতে শুরু করে। সমাবেশস্থলে বিভিন্ন বন্ধ গণমাধ্যম খুলে দেয়ার দাবিতে অসংখ্য ব্যানার প্রদর্শন করা হয়।
৫ জানুয়ারি নির্বাচন পরবর্তী ১ মে শ্রমিক সমাবেশের পর বিএনপিসহ ২০ দলীয় জোটের এই প্রথম কোনো বৃহৎ সমাবেশ হল। সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুল আউয়াল মিন্টু, যুগ্ম-মহাসচিব আমান উল্লাহ আমান, বরকত উল্লাহ বুলু, মিজানুর রহমান মিনু, এনপিপির গোলাম মর্তূজা, জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আমিনুল ইসলাম, ইসলামী পার্টির অ্যাডভোকেট আব্দুল মবিন, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, বিএনপির প্রচার সম্পাদক জয়নুল আবদীন ফারুক, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবির খোকন, যুব বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সালাম, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, সমাবয় বিষয়ক সম্পাদক সালাহউদ্দিন, মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক নাসির উদ্দিন অসীম, শ্রমিকদল সভাপতি আনোয়ার হোসেন, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা, জামায়তের কেন্দ্রীয় শুরা সদস্য কবির আহমেদ, কর্মপরিষদ সদস্য সেলিম উদ্দিন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মীর সরাফত আলী সফু, শিবির নেতা আতিকুল আসলাম আতিক প্রমুখ।

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

error: কপি হবে না!