ads

শনিবার , ৯ আগস্ট ২০১৪ | ৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

ছাতকে ছাত্রী উত্যক্তের সালিশে ম্যানেজিং কমিটির সদস্যের উপর হামলা

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
আগস্ট ৯, ২০১৪ ৮:২৬ অপরাহ্ণ
ছাতকে ছাত্রী উত্যক্তের সালিশে ম্যানেজিং কমিটির সদস্যের উপর হামলা

ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ ছাতকে ছাত্রী উত্যক্তের ঘটনায় সালিশ বৈঠকে ম্যানেজিং কমিটির সদস্যের উপর হামলা করে আহত করা হয়েছে। ৯ আগষ্ট শনিবার দুপুরে কালারুকা ইউনিয়নের হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটেছে। আহত ম্যানেজিং কমিটির সদস্য জহির আহমদ (৪৫) কালারুকা গ্রামের মৃত হাজী রইছুল হকের পুত্র। তাকে ছাতক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। খবর পেয়ে ছাতক থানা-পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। কালারুকা গ্রামের মাসুক আহমদের বখাটে পুত্র জুবেল আহমদ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেনীর ছাত্রীকে উত্যক্ত করে আসছিল দীর্ঘদিন ধরে। এ ঘটনায় ছাত্রীর মা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির কাছে বিচার প্রার্থী হন। পূর্ব নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ঘটনা নিস্পত্তি করতে বিদ্যালয়ে সালিশ বৈঠক বসে। এক পর্যায়ে সালিশ বৈঠক চলাকালে ম্যানেজিং কমিটির সদস্য জহির আহমদকে বিচার বোর্ডে না রাখার জন্য আপত্তি জানায় কালারুকা গ্রামের আব্দুর রউফের পুত্র রিয়াজ উদ্দিন। এ সময় জহির আহমদ প্রতিবাদ করলে তার মুখে মোবাইল ফোন ছুড়ে তাকে রক্তাক্ত আহত করে রিয়াজ উদ্দিন। তাৎক্ষনিক আরো ৪-৫জন সহযোগী জহির আহমদকে টেনে-হেঁচড়ে বাহিরে এনে এলোপাতারি মারধর করে। খবর পেয়ে সাবেক চেয়ারম্যান অদুদ আলমের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে জহির আহমদের বসত বাড়িতে হামলার চেষ্টা করলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। আহত জহির আহমদ জানান, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান অদুদ আলমের নেতৃত্বে রিয়াজ উদ্দিন, সাজ্জাদ হোসেন, নবী হোসেনসহ ৬-৭জন হামলা চালিয়ে তাকে রক্তাক্ত আহত করে। পরে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল হক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি কবির আহমদ, প্রধান শিক্ষক এএইচএম কামাল, সদস্য আব্দুল গফ্ফার, নুর উদ্দিন, মানিক মেম্বারসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ জহির আহমদের বাড়িতে গিয়ে ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এএইচএম কামাল জানান, ৬ষ্ঠ শ্রেনীর ছাত্রী নির্যাতনের সালিশ বৈঠকে এমন অনাকাংখিত ঘটনা কাম্য নয়। এতে বিদ্যালয়ের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন হতে পারে।

নবীন বরনকে কেন্দ্র করে ছাতকে ছাত্রলীগ দু’গ্রপে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া : ককটেল বিষ্ফোরণ

Shamol Bangla Ads

ছাতকে নবীন বরনকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দু’গ্র“পের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও কয়েকটি ককটেল বিষ্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল শনিবার দুপুরে গোবিন্দগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের ছাত্রলীগের দু’গ্র“পের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। ককটেল বিষ্ফোরণের ঘটনায় সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা প্রথম ক্লাস শেষে দুপুরে কলেজ ক্যাম্পাসের মধ্যে এমপি সমর্থিত ছাত্রলীগ ও পৌর মেয়র সমর্থিত ছাত্রলীগের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। উভয় গ্র“প নবীনদের স্বাগত জানিয়ে পৃথক মিছিল বের করলে দল ভারী করা নিয়ে উভয় গ্র“পের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এক পর্যায়ে কলেজ ক্যাম্পাস ছাড়িয়ে গোবিন্দগঞ্জ পয়েন্ট পর্যন্ত ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় কয়েকটি ককটেল বিষ্ফোরণ ঘটানো হয়। থানা-পুলিশের উপস্থিতির কারনে কোন সাংঘর্ষিক ঘটনা ঘটেনি। পরে নবীনদের স্বাগত জানিয়ে ছাত্রদলও একটি মিছিল বের করে। উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা মঞ্জুর আলম জানান, বহিরাগতরা অনাকাংখিতভাবে কয়েকটি বিষ্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করলে পরে তাদের আর পাওয়া যায়নি। জেলা ছাত্রলীগের সাহিত্য সম্পাদক টিএম রায়হান জানান, কলেজের প্রকৃত ছাত্ররা নবীনদের স্বাগত জানিয়ে মিছিল করার সময় কাওছার, গাফ্ফার, লিটনসহ কতিপয় অছাত্র কলেজে অনধিকার প্রবেশ করে নবীনদের টানা-হেঁচরা করে। এ সময় তারা কয়েকটি ককটেল বিষ্ফোরণও ঘটায়। পরে ছাত্রদের ধাওয়া খেয়ে কলেজ ক্যাম্পাস ছেড়ে পালিয়ে যায় তারা। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছাতক থানার এসআই অমৃত দেব জানান, ছাত্রলীগের দু’গ্র“পের মিছিলের সময় ২-৩টি ফটকা ফাটানো হয়েছে।

ছাতকে নবীন বরন উপলক্ষে ছাত্রলীগের কর্মীসভা

ছাতক ডিগ্রী কলেজ ছাত্রলীগের উদ্যোগে নবাগত ছাত্র-ছাত্রীদের স্বাগত জানিয়ে কর্মীসভা গতকাল শনিবার দুপুরে স্থানীয় পাবলিক মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। কলেজ শাখার সভাপতি রিয়াদ আহমেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সহ-সভাপতি আব্দুল কাদিরের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা শামীম আহমদ চৌধুরী। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সহ-সভাপতি ও ছাতক পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র তাপস চৌধুরী, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শাহিন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারী চপল, জেলা যুবলীগ নেতা শাহাব উদ্দিন সাহেল। বক্তব্য রাখেন, যুবলীগ নেতা জামিল আহমদ, কাজল মিয়া, নজরুল চৌধুরী, আলী হুসেন লিটন, মঞ্জু মিয়া, আব্দুল বাছিত মামুন, মিসহাক মিয়া, জেলা ছাত্রলীগ নেতা সজীব মালাকার, উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা রুবেল মিয়া, সায়েদ মিয়া, রাসেল মিয়া, পৌর স্বেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ম আহবায়ক সাদমান মাহমুদ সানী, নাছিম আহমদ শাওন, পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি জামায়েল আহমদ ফরহাদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি সুব্রত হালদার, সাধারন সম্পাদক কামরুল হাসান চৌধুরী সজীব, সহ-সভাপতি তারেক জাহাঙ্গীর, শামীম আহমদ, তন্ময় দাস, সৌরভ দাস, মিরওয়াহিজ ইব্রাহীম জিতু, আহসান মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন, যুগ্ম সম্পাদক রাজীব তরপদার, কলেজ ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আলীরাজ চৌধুরী, ইমরান আহমদ, মোস্তাক আহমদ, জেনিস আহমদ, সুরঞ্জিত রায়, সাংগঠনিক সম্পাদক হোসাইন মাহমুদ বাবলু, দপ্তর সম্পাদক পিন্টু দাস, প্রচার সম্পাদক চয়ন দে, নাসিম আহমদ, ছাত্রলীগ নেতা আইনুল হক, আলী রাজ, পিযুষ মালাকার, রাজু কর, অসিত দাস, তুষার দাস, জুয়েল আহমদ, প্রীতম দাস, সেলিম আহমদ, নয়ন দাস, শৈব দে, আবু বক্কর সানী, শাহীন মিয়া, মুরাদ আহমদ, শাহ আলম বাসিত, কলেজ ছাত্রলীগ নেতা সেলিম মিয়া, বুরহান উদ্দিন, ফয়ছল মিয়া, শরীফ উদ্দিন, ফজলু মিয়া, সাহাব উদ্দিন, মারুফ আহমদ, শিব্বির আহমদ, জুনেদ আহমদ, জুনেল আহমদ, জাহেদ মিয়া প্রমূখ। এদিকে ছাত্রলীগে যোগদানকৃত নবাগত ছাত্র-ছাত্রীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন, সুনামগঞ্জ জেলা আ.লীগ নেতা ও পৌর মেয়র আবুল কালাম চৌধুরী, উপজেলা আ.লীগের সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব আবরু মিয়া তালুকদার, পৌর কাউন্সিলর ও আ.লীগ নেতা ইরাজ মিয়া, উপজেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক মৃদুল কান্তি দাস মিন্টু, উপজেলা আ.লীগের দপ্তর সম্পাদক কল্যাণ ব্রত দাস।

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

error: কপি হবে না!