ads

শুক্রবার , ৮ আগস্ট ২০১৪ | ৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

পেকুয়ায় ‘বোরখা’ বাহিনীর প্রধান নারীসহ চুনতি থেকে গ্রেফতার

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
আগস্ট ৮, ২০১৪ ৪:৩১ অপরাহ্ণ
পেকুয়ায় ‘বোরখা’ বাহিনীর প্রধান নারীসহ চুনতি থেকে গ্রেফতার

চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি : পেকুয়ার পাহাড়ী অঞ্চলের বহুল আলোচিত সন্ত্রাসী ‘বোরখা’ বাহিনীর প্রধান বহু মামলার পলাতক আসামী মো: খোকন (৩১) কে গতকাল বৃহস্পতিবার ৩টার দিকে পুলিশ লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি এলাকার একটি বাড়ী থেকে এক যৌনকর্মীসহ গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃত খোকন পেকুয়া উপজেলার টইটং ইউনিয়নের খুইন্যাভিটা গ্রামের মৃত বাদশা মিয়ার পুত্র।
পেকুয়া থানা পুলিশ জানায়, তার বিরুদ্ধে পেকুয়া থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। এরমধ্যে ৩টি মামলায় বর্তমানে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা রয়েছে। পেকুয়া থানার এসআই রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, বৃহস্পতিবার ভোর রাত ৩টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চুনতি এলাকার একটি বাড়িতে খোকন ও এক নারী অসামাজিক কার্যাকলাপে জড়িত থাকার সময় চুনতি পুলিশ ফাঁড়ির একদল ফোর্স ওই বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে। পরে চুনতি পুলিশ ফাঁড়ি বৃহস্পতিবার ভোরে আটক ওই নারীকে ছেড়ে দিয়ে খোকনকে পেকুয়া থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করে।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে খোকনের নেতৃত্বে পেকুয়ার পাহাড়ী অঞ্চল টইটং এলাকায় ৫০/৬০ জনের সমন্বয়ে ‘বোরখা’ বাহিনী গঠন করে নানান ধরনের অপরাধ কর্মকান্ড সংগঠিত করে আসছিল। এ বাহিনীর সীমাহীন অত্যাচারে টইটং এলাকার সাধারান মানুষ অতিষ্ট হয়ে অনেকেই ঘর-বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে। এদিকে চুনতি এলাকায় পুলিশের হাতে খোকনের গ্রেফতারের সংবাদ এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা আনন্দ উল্লাস করে পরস্পরকে মিষ্টি বিতরণ করেছে। স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্থি ফিরে এসেছে। পেকুয়া থানার এসআই আবদুল মতিন জানিয়েছেন, গ্রেফতার খোকনকে গতকাল বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

চকরিয়া কৈয়ারবিল ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে  ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ

Shamol Bangla Ads

চকরিয়া উপজেলার কৈয়ারবিল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শরীফ উদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম, দূর্ণীতি, অব্যবস্থাপনা, স্বজনপ্রীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারসহ ব্যাপক অভিযোগ উঠেছে। ২০১১ সালে ২৮আগষ্ট শরীফ উদ্দিন চৌধুরী চেয়ারম্যান হিসেবে শপথ নেওয়ার পর থেকে ধারাবাহিকভাবে অনিয়ম ও দূর্নীতির মাধ্যমে লাখলাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়নের জন্য সরকারী ভাবে বরাদ্দ পাওয়া নগদ টাকা, চাল ও গম উক্ত চেয়ারম্যান ভুয়া প্রকল্প দেখিয়ে সমস্ত টাকা আত্মসাৎ করেছে। চেয়ারম্যান শরিফ উদ্দিন চৌধুরী এসব অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে কেই প্রতিবাদ করার সাহস পায়না। অসাধু ও দূর্নীতিবাজ চকরিয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আহসান উল্লাহর যোগসাজসে কৈয়ারবিল ইউনিয়নের জন্য বরাদ্দ পাওয়া টিআর, কাবিখা, অতিদরিদ্রদের জন্য কাজের ১০% টাকা, ১% এর টাকা, কাবিটা, এলজিএসপি-২, ট্রেড লাইসেন্স, ওয়ারিশ সনদ ও জন্ম নিবন্ধন সনদ দেওয়া বাবদ সমুদয় টাকা কৌশলে আত্মসাৎ করেছে। গত ২০১৩-১৪ অর্থবছরের “বিশেষ বরাদ্দ” প্রকল্প নং ৫৭, দ্বীপকুল-ভরন্ন্যারচর রাস্তার ফ্লাট সলিং দ্বারা উন্নয়ন বাবদ ৫টন চাল যার অনুমানিক ১লাখ ৬৬হাজার টাকা, ওই চেয়ারম্যান কোন কাজ না করেই সমস্ত টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। প্রকল্প নং ৪৬, তাং ৩০/০৯/২০১৩, কৈয়ারবিল ইউনিয়ন পরিষদের বাউন্ডারী ওয়াল নির্মাণ বাবদ টিআর সাধারণ বরাদ্দ ২ টন চাউল-মুল্য ৬৬ হাজার টাকা কোন কাজ না করেই চেয়ারম্যান নিজেই পকেটস্থ করেছে। প্রকল্প নং ১১৬, তাং ১৫/০৯/২০১৩, কৈয়ারবিল ইউনিয়ন পরিষদের তথ্য কেন্দ্র উন্নয়ন বাবদ বরাদ্দ ৩ টন গম-মুল্য ৮৭ হাজার টাকা, কোন কাজ না করে সমস্ত টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। প্রকল্প নং ১৯, ২০১৩-১৪ অর্থবছরের জন্য “কাবিখা বরাদ্দ” ৮নং ওয়ার্ডের জালিয়াবাজার-পুর্বপাড়ার রাস্তা মাটি দ্বারা উচুকরণ ও ফ্লাট সলিং দ্বারা সংস্কার বাবদ ৬ টন গম-মুল্য ১লাখ ৭৪হাজার টাকা। তৎমধ্যে ৪০হাজার টাকা কাজ বাবদ ব্যয় করে নামমাত্র দেড় চেইন মাটি ও ফ্লাট সলিংয়ের কাজ করে বাকি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। সাধারণ বরাদ্দ “কাবিটা প্রখল্প নং ২৪, কৈয়ারবিল ইউনিয়ন পরিষদের মাঠ ভরাট-সীমানা দেয়াল ও গেইট নির্মাণ প্রকল্পে কৈয়ারবিল ৪, ৫ ও ৬নং ওয়ার্ডের মহিলা সদস্যা পারভিন সোলতানাকে নামমাত্র প্রকল্প সভাপতি দেখিয়ে গত ৩০ জুন ১লাখ ৪৭ হাজার টাকা মহিলা মেম্বার থেকে নিয়ে নিজেই আত্মসাৎ করেছে। খোছাখালী পাহাড়পাড়া রাস্তার মাটি ও ফ্লাট সলিংয়ের জন্য বিশেষ বরাদ্দ থেকে ২ দফায় কাবিখা-১০টন ও টিআর-৫টন চাল, যার মূল্য প্রায় ৫লাখ টাকার মধ্যে প্রায় দেড় লাখ টাকা ব্যয়ে ৫চেইন প্লাট সলিং এর কাজ করে বাকি সাড়ে ৩লাখ টাকা চেয়ারম্যান নিজেই আত্মসাৎ করেছে। গত অর্থবছরের ১%, ডলনপির শাহ মাজার হইতে পূর্ব বানিয়ারকুম মাদ্রাসা সড়কের ফ্লাট সলিং বাবদ ১লাখ টাকার মধ্যে মাত্র ৩০হাজার টাকার কাজ করে বাকি টাকা আত্মসাৎ করেছ্।ে অতিদরিদ্রদের কাজের টাকা ১০% টাকার বরাদ্দ পাওয়া টাকা তিনি চেয়ারম্যান হওয়ার পর থেকে পাওয়া প্রায় দেড় লাখ টাকা কোন কাজ না করেই আত্মসাৎ করেছে। এলজিএসপি-২ এর প্রকল্প বরাদ্দ পাওয়া প্রতি এমইউপিদের কাজের চুড়ান্ত বিলের চেক দেওয়ার আগে ১৪%টাকা আদায় করে চেয়রম্যান নিজেই তুলে নিয়েছে। এছাড়াও গত অর্থবছরে এলজিএসপির-২ এর পুরুস্কার পাওয়া বরাদ্দ বাবদ ২লাখ ৫৬হাজার টাকার ২টি প্রকল্প থেকে চেয়ারম্যান নিজেই প্রকল্প সভাপতি থেকে ২৫হাজার টাকা করে ৫০হাজার টাকা পকেটস্থ করেছে। কৈয়ারবিল ইউনিয়নে গভীর নলকূপ বসানোর নামে জেলা পরিষদ থেকে বরাদ্দকৃত এক লাখ টাকা উত্তোলন করে। পরে নলকূপ না বসিয়ে সম্পূর্ন টাকা আত্মসাৎ করেছে।
এলজিএসপির প্রাপ্ত বরাদ্দ থেকে ১নং ওয়ার্ডের আলমগীর মেম্বারকে ফ্লাট সলিং ও ল্যাপটপ ক্রয়ের জন্য ১লাখ ৫১হাজার টাকা দিলেও ৬০হাজার টাকা ল্যাপটপ ক্রয়ের জন্য নিয়ে সমুদয় টাকা আত্মসাৎ করেছে। এছাড়াও জন্ম নিবন্ধন, ওয়ারিশ সনদ ও ট্রেড লাইসেন্স প্রদানেও ব্যাপক অভিযোগ রয়েছে। চেয়ারম্যানের বেপরোয়া অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সরজমিনে তদন্ত পুর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য কৈয়ারবিল ইউনিয়নের ৪ইউপি সদস্যসহ ইউনিয়নের বেশকিছু সাধারণ মানুষ ও গন্যমান্য ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে শাস্তিমুলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। চেয়ারম্যানের এ অনিয়মের ঘটনায় ইউপি সদস্যদের মধ্যে দেখা দিয়েছে চরম ক্ষোভ ও বিরাজ করেছে হতাশা। এমনকি চেয়ারম্যানের এসব অনিয়ম ও দূর্নীতির প্রতিবাদ করায় ৮নং ওয়ার্ডের মেম্বার হারুনুর রশিদ মিয়াজি ও ইউপি সচিব মন্টু বড়–য়াকে জুতা দিয়ে পিঠিয়ে অপমানিত ও লাঞ্চিত করেছে।
গত ২১জুলাই ইউপি সদস্য নুরুল ইসলামসহ অপর তিন ইউপি সদস্য কর্তৃক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে দেয়া অভিযোগে জানা গেছে, ইউপি চেয়ারম্যান শরীফ উদ্দিন কৈয়ারবিল ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পাওয়ার পর বিভিন্ন অনিয়ম ও দূর্নীতির আশ্রয় নিয়ে উন্নয়ন প্রকল্পের নামে জালিয়াতির মাধ্যমে ভূয়া কাগজপত্র, বিল ভাউচার তৈরী করে সরকারিভাবে বরাদ্দকৃত চাল, গম ও নগদ টাকা আত্মসাৎ করে চলেছে। এব্যাপারে কৈয়ারবিল ইউপি চেয়ারম্যান শরীফ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, তার বিরুদ্ধে একটি মহল নানা ভাবে ষড়যন্ত্র করছে। এসব অভিযোগ তিনি অস্বীকার করে বলেন, বিগত দিনে সরকারিভাবে যা বরাদ্দ পেয়েছে সবই উন্নয়ন কাজ করা হয়েছে। এতে কোন অনিয়ম বা দূর্নীতির করার প্রশ্নেই উঠে না। এদিকে ইউপি চেয়ারম্যান শরীফ উদ্দিন অনিয়ম দূর্নীতি, স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে চাল, গম ও প্রকল্পের লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করায় স্থানীয় ইউপি সদস্য নুরুল ইসলাম, শরাফত, এনামুল হক ও আলমগীরসহ বেশ কজন এলাকাবাসি এর প্রতিকার চেয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়, দূর্নীতি দমণ কমিশন, কক্সবাজার জেলা প্রশাসক, চকরিয়া প্রেস ক্লাব ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।

ফাঁশিয়াখালী ইউনিয়ন আ’লীগের শোকদিবসের প্রস্তুতি সভা

জাতীয় শোকদিবস পালন উপলক্ষে ফাঁশিয়াখালী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের উদ্যোগে গতকাল বিকাল ভেন্ডিবাজার ফাঁশিয়াখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি সাহাবউদ্দিন মেম্বারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল আবছারের পরিচালনায় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন চকরিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক গিয়াসউদ্দিন চৌধুরী। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজবাউল হক। এসময় ফাঁশিয়াখালী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি আবদু ছালাম, উপজেলা আ’লীগ নেতা কামাল মেম্বার, আলমগীর কবির রাজু মেম্বার, হান্নান হোসেন মেম্বার, লক্ষ্যারচর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিব খান চৌধুরী বেদার এছাড়াও মাষ্টার মুফিজ, মাষ্টার শাহ আলম, মহিউদ্দিন, কফিল উদ্দিন, ইব্রাহিম, নুরুছমদ, ডা: নুরু ছমদ, সেলিম বেলালী, মো: মহসিন, দেলোয়ার, মহিউদ্দিন, আবুল কালাম, বাবুল, মাহাবুব, রফিক, সামসু, জামাল, নুরুল কবির, মাষ্টার কবির, জাকের সওদাগর, যুবলীগ সভাপতি মহিউদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক লিটন, কলিম, শাহ আলম বাদশা, উত্তম দাশ, ডা: শিমুল, জমির ও বাহাদুর।

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

error: কপি হবে না!