ads

বুধবার , ৬ আগস্ট ২০১৪ | ৪ঠা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

নন্দীগ্রামে সর্বপ্রথম পানচাষী মমতাজ উদ্দিন

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
আগস্ট ৬, ২০১৪ ৩:১৮ অপরাহ্ণ

06-08-14 Nandigram Bograমো.সুজন রানা, নন্দীগ্রাম (বগুড়া) : বগুড়ার নন্দীগ্রামে পানের বর করে অসম্ভবকে জয় করলো কৃষক মমতাজ উদ্দিন। তার এই সাফল্য দেখে অনেকই হতবাক হয়েছেন। অনেকই আনন্দবোধ করেছেন। সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, নন্দীগ্রাম সদর ইউনিয়নের ছোট ডেরাহার গ্রামের পার্শ্বে ১০কাঠা জমিতে কৃষক মমতাজ উদ্দিন পানের বর তৈরী করেছে। সেখানে পানের চাষ দেখতে এলাকার মানুষের সরগম পড়েছে। পান চাষ কিভাবে করতে হয়’ এটা জানার জন্য অনেকই ছুটে যাচ্ছে সেখানে। বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর এই প্রথম কেউ এ উপজেলায় পান চাষ করছে। পান চাষের উপযোগী মাটি হিসাবে এই উপজেলাকে বলা যেতে পারে এমন মন্তব্য করেছেন উপজেলা কৃষি বিভাগের লোকজন। দো’আশ মাটিতে পান চাষ ভাল হয় এমনটি ধারনা করছেন তারা। পান চাষী মমতাজ উদ্দিন জানান, ২০১৩ সালে রাজশাহী মোহনপুর থেকে ৫হাজার টাকার বিনিময়ে ৫হাজার চারা নিয়ে এসে পান চাষ শুরু করি। জমি সুন্দর ভাবে তৈরী করে সেই চারাগুলো রোপন করি। পর্যায়ক্রমে ৪বার চারাগুলো নষ্ঠ হয়ে যায়। এতে আমার ২০হাজার টাকার ক্ষতি সাধন হয়। তারপরও আমি পান চাষের হাল ছাড়িনি। শেষবারের মতো চেষ্টা চালিয়ে পানের বর তৈরী করতে সক্ষম হয়েছি। এটা আমার চরম সফলতা। এখানকার পান অতি উৎকৃষ্ঠ মানের। যেমন সু-স্বাদ তেমনি মিষ্টি। তবে এই পানের চাহিদা অনেক বেশী। পান কেনার জন্য বিভিন্ন স্থানের ব্যবসায়ীরা আমার বাগানে ভীর করছে। খরা-বর্ষা সব সময় পান চাষ উপযোগী। আমার ১০কাঠা জমিতে পান চাষ করতে খরচ হয়েছে প্রায় ১লাখ টাকা। এযাবৎ পান বিক্রয় করেছি ৫০থেকে ৬০হাজার টাকার মত। বর্র্তমানে প্রতি সপ্তাহে পান বিক্রয় করছি ১হাজার টাকা। পানগুলো উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে বিক্রয় করে থাকি। ৬৪টি পান দিয়ে এক বিড়া সাজানো হয়। প্রতি বিড়া পান ৬০-৮০টাকায় বিক্রয় করা হয়। এভাবেই আমার সংসার চলে। কৃষি বিভাগ থেকে পান চাষের প্রয়োজনীয় সহযোগীতা পেলে পান চাষীর সংখ্যা দিনদিন বাড়বে। একটু প্রচেষ্টার মাধ্যমে অসম্ভবকে জয় করা সম্ভব। পান চাষ করে অল্প সময়ের মধ্যেই স্বাবলম্বী হওয়া সম্ভব । মমতাজ উদ্দিন পানে চাষে সাফল্য দেখে এ উপজেলার অনেকেই পান চাষ করার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এপ্রসঙ্গে উপজেলা কৃষি অফিসার মশিদুল হক বলেন, এই উপজেলায় পান চাষের উজ্বল সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। অনেকেই আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তবে কৃষি অফিস থেকে পান চাষীদের প্রয়োজনীয় সহযোগীতা করা হবে।

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

error: কপি হবে না!