ads

সোমবার , ৪ আগস্ট ২০১৪ | ৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে পর্যটকদের ভারে মুখরিত হলেও ছিনতাইয়ের ভয়ে আতঙ্কিত

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
আগস্ট ৪, ২০১৪ ১০:১৫ অপরাহ্ণ

sapari-park-মিজবাউল হক, চকরিয়া (কক্সবাজার) : ডুলাহাজারাস্থ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রহমান সাফারি পার্ক ঈদের দিন থেকে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের পদভারে মুখরিত হয়ে উঠেছে। কক্সবাজারসহ চট্টগ্রাম ও বান্দরবান থেকে প্রতিদিন ১৪/১৫ হাজারের মতো দর্শনার্থীর পা পড়ছে দৃষ্টি নন্দন এ সাফারি পার্কে। তবে পার্ক কর্তৃপক্ষের অনিয়ম ও দূর্বল ব্যবস্থাপনার কারণে দেশ-বিদেশের পর্যটকরা প্রতিনিয়ত চরম হয়রানী ও বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছে। নাজেহাল হচ্ছে একশ্রেনী টাউট-বাটপার, ছিনতাইকারী ও পকেটমারের হাতে। প্রতিদিনই ঘটছে ১০/১২টির মতো ছিনতাইয়ের ঘটনা। এসব বখাটে ও ছিনতাইকারীদের হাতে অপমানিত হতে হচ্ছে দর্শনার্থীরা।
ছিনতাইয়ের শিকার দর্শনার্থী জয়নাব বেগম (২০) জানান, সে তার স্বামীকে নিয়ে পার্কে ঘুরে জলহস্তি দেখে ফিরে আসার সময় মোটর সাইকেলে করে কয়েকজন অপরিচিত যুবক তাদের উপর হামলা চালিয়ে নগদ টাকা ও মোবাইল সেট নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। এভাবেই প্রতিনিয়ত ঘটনা ঘটছে।
এদিকে পার্কে ঘুরে দেখা গেছে, কয়েকটি গ্রুপে বিভক্ত বখাটেরা মোটর সাইকেলে করে ও পায়ে হেটে ঘুরাফেরা করতে দেখা গেছে। এসব বখাটেরা পার্কে আগত দেশ-বিদেশের মহিলা দর্শনার্থীদের লক্ষ্য করে ইভটিজিং করতে থাকে। বখাটেরা মহিলাদের ইভটিজিং করার পাশাপাশি গায়ে বাদাম ও ডিল ছুড়ছে। পার্কের বাইরে পার্কিং ইজারাদারের কর্মচারী জসিম উদ্দিন জানান, গত শুক্রবার সন্ধ্যা ৫টার সময় স্থানীয় সাগর (২৪) ও জিকু (২১)সহ কয়েকজন যুবক তার কাছ থেকে গাড়ি পার্কিং বাবদ আদায় করা আনুমানিক সাড়ে ৪হাজার টাকা ছিনতাই করে নিয়ে যায়।
এলাকাবাসী ও দর্শনার্থীরা জানান, পার্কের ভিতরে প্রতিনিয়ত ছিনতাইয়ের ঘটনা হলেও দেখার কেই নেই বললেও চলে। এব্যাপারে ক্ষতিগ্রস্থ দর্শনার্থীরা পার্ক কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও প্রতিকার পায়না বলে জানান।
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে পার্কে নতুন করে কোন বন্য প্রাণী না আনলেও আগত দর্শনার্থীদের বেশি আকৃষ্ট করে পার্কে প্রধান গেইটের সামনে নির্মিত বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল ভাষ্কর্যটি। তবে এ সৌর্ন্দয্যকে নষ্ট করে দিয়েছে ভাষ্কর্যের চারপাশে ব্যাঙের ছাতার মতো করে গড়ে উঠা ঝুপড়ি দোকান গুলো।
এলাকাবাসী জানান, পার্কে নিয়োজিত কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মিলে মোটা অংকের নগদ নারায়নের বিনিময়ে এসব অবৈধ ঝুপড়ি দোকান গুলো গড়ে উঠার সুযোগ করে দিয়েছে। এমনকি পার্কের একজন কর্মচারী টিকেট কাউন্টারের পূর্বপাশের যাত্রী ছাইনী দখল করে দোকান বানিয়ে বিনা বাধায় ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। ঈদের দিন থেকে সাফারি পার্কে পর্যটক ও স্থানীয় দর্শনার্থীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। গরমের পাশাপাশি হালকা ও মাঝারি ধরণের বৃষ্টি উপেক্ষা করে ভ্রমণের জন্য পর্যটক ও দর্শনার্থীরা পার্কে ভিড় জমাচ্ছে সবচেয়ে বেশী।
পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নুরুল হুদা জানান, ঈদের দিন সকাল থেকে পর্যটক ও দর্শনার্থীদের ভীড় বাড়তে থাকে। আরও বেশ কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে। তিনি আরো জানান, ঈদের দিন থেকে পর্যন্ত অন্তত অর্ধ লক্ষাধিক দর্শনার্থী ও পর্যটকদের পদভারে মুখরিত ছিল পার্ক এলাকা। পর্যটকদের বাড়তি নিরাপত্তাও নেয়া হয়েছে।

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

error: কপি হবে না!