ads

মঙ্গলবার , ২২ জুলাই ২০১৪ | ৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

২৮ বছর পর লর্ডস-এ ভারতের জয়

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
জুলাই ২২, ২০১৪ ১:৫২ অপরাহ্ণ

189725-320x200জয়দেব দাস, কলকাতাঃ লর্ডসে ভারত বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে৷ ন্যাটওয়েস্ট ট্রফির ফাইনাল জিতেছে৷ কিন্তু সেগুলি সবই ছিল ওয়ান ডে ফরম্যাটের খেলা ৷ টেস্টে নাকি এই মাঠ একেবারেই অপয়া ভারতীয়দের কাছে৷ অতীত রেকর্ড যে সেকথাই বলছে৷ ভারত এখানে এর আগে ১৬টা টেস্ট খেলে জিতেছে মাত্র একটিতে৷ হার ১১টি এবং চারটে টেস্ট ড্র করেছে তারা৷ কিন্তু পারফরম্যান্স ঠিকঠাক করতে পারলে যে অতীত রেকর্ডের কোনও মূল্য নেই, সোমবার টেস্টের পঞ্চম দিনেই তার আরও একবার প্রমাণ পাওয়া গেল৷ রবিবার চতুর্থ দিনের শেষেই ১০৫ রানে ৪ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর ভারতের দিকেই ম্যাচ বেশি ঝুঁকে ছিল৷ কিন্তু এদিনের প্রথম সেশনটা ধোনিদের ভয় ধরিয়ে দেওয়ার জন্য ছিল যথেষ্ট৷ শেষপর্যন্ত ৫ উইকেটে ১৭৩ রান থেকে কুকরা যে ২২৩ রানে অল-আউট হয়ে যাবে, সেটা হয়তো স্বপ্নেও ভাবেননি ইংল্যান্ড বা ভারতের সমর্থকরা৷ কিন্তু লাঞ্চের পরেই ইংল্যান্ডের ব্যাটিং-এর এই ধস নামার পিছনে ভারতীয় বোলারদের চেয়ে বেশি কৃতিত্ব ইংলিশ ব্যাটসম্যানদেরকেই দিতে হবে৷ প্রত্যেকেই প্রায় উইকেট ছুঁড়ে দিয়ে আসেন এদিন৷ শেষপর্যন্ত প্লাঙ্কেটের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে অ্যান্ডারসন রান আউট হতেই লর্ডসে তাদের দ্বিতীয় টেস্ট জয়টা ছিনিয়ে নিতে সফল ভারতীয়রা৷
সোমবার দিনের শুরুটা হয়েছিল অবশ্য ইংল্যান্ডের অনুকূলেই৷ ইশান্ত-শামি-জাদেজারা একেবারে পাত্তাই পাচ্ছিলেন না জো রুট-মঈন আলি জুটির কাছে৷ দু’একবার স্লিপে ক্যাচ দিয়ে বেঁচে গেলেও পঞ্চম উইকেটে এই দুই ব্যাটসম্যান মিলে ইংল্যান্ডকে জয়ের আশাই দেখাচ্ছিলেন৷ লাঞ্চ পর্যন্ত প্রায় কাটিয়েই নিয়েছিল এই জুটি৷ কিন্তু হঠাৎই ইশান্তের একটা লাফিয়ে ওঠা বলে ছন্দপতন ঘটল ইংল্যান্ডের৷ শর্ট লেগে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়ানে ফিরলেন মঈন৷ তবে তিনি আউট হওয়ার পরেও ভারতীয়রা যে এত তাড়াতাড়ি ম্যাচ গুটিয়ে নেবেন, সেটা আন্দাজ করাটা মোটেই সহজ কাজ ছিল না৷ লাঞ্চের পর দু’দলকেই একেবারে অন্যরূপে দেখিয়েছে৷ প্রায়র, স্টোকস, রুটরা যে এভাবে একে একে উইকেট ছুঁড়ে দিয়ে আসবেন, তা না দেখলে বিশ্বাস হওয়ার মতো নয়৷ উইকেট বাঁচিয়ে খেলার চেয়ে হঠাৎই ইশান্তের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্বক হয়ে ওঠেন ইংল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা৷ কেউ মিড উইকেট আবার কেউ ডিপ স্কোয়ার লেগে ধরা পড়েন৷ ইশান্তের অতি সাধারণ শর্ট পিচ বলগুলিও তখন যথেষ্ট ভয়ঙ্কর দেখাচ্ছিল৷ এমনকী, শেষ ব্যাটসম্যান অ্যান্ডারসন রান আউট হন৷দ্বিতীয় ইনিংসে সাতটি উইকেট নিয়ে ইশান্তই ম্যাচের সেরা নির্বাচিত হয়েছেন৷ ম্যাচ এইভাবে হারার পর ভারতীয় শিবিরে যতোটা উচ্ছ্বাস দেখা গিয়েছে,ঠিক উল্টোটাই দেখা গিয়েছে ইংল্যান্ড শিবিরে৷ লর্ডসের ব্যালকনিতে কুকদের বিধ্বস্ত মুখগুলি ভেসে উঠছিল তখন৷ শ্রীলঙ্কা সিরিজ থেকেই খারাপ সময় চলছে কুকদের৷ সেই ধারা ভারতীয়দের বিরুদ্ধে ক্রিকেটের মক্কাতেও বজায় থাকল৷

Shamol Bangla Ads

ভারত: ২৯৫ ও ৩৪২
ইংল্যান্ড: ৩১৯ ও ২২৩
৯৫ রানে জয়ী ভারত৷
ম্যাচের সেরা ইশান্ত শর্মা

error: কপি হবে না!