ads

রবিবার , ২০ জুলাই ২০১৪ | ১লা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

মহাদেবপুরে রমজান মাসের কল্যাণে ব্যস্ততায় কলাচাষীরা : শত শত চাষীর স্বচ্ছল জীবনযাপন

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
জুলাই ২০, ২০১৪ ১:৩৮ অপরাহ্ণ

Mohadevpur Picture_17-07-2014মহাদেবপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি : রমজান মাসের কল্যাণে নওগাঁর মহাদেবপুরে শত শত কলাচাষী চরম ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। এ ব্যস্ততার ধাপে ধাপে লাভের মুখ দেখছেন চাষীরা। রমজান মাসে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় লাভের মাত্রাটাও বেশ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে কলার বাগান মালিকরা জানান। এখানে কলাচাষ করে চাষীরা এমনিতেই সফল। অতীতের ওই সফলতাগুলোই কৃষকদের এখন প্রেরণা হিসেবে কাজ করছে। এতে চাষীরা কলাচাষে বেশ ঝুঁকে আছেন। সারি সারি বাগান থেকে কলা বিক্রি করে প্রচুর টাকার মুখ দেখছেন তারা। বাজারে উচ্চমূল্য এবং ব্যাপক চাহিদার কারণে বাগানের কলা নিয়ে সামান্যতম দুশ্চিন্তাও করতে হচ্ছেনা কৃষকদের। বাগানে চাষ আবার বাগানে বসেই বিক্রি। ক্রেতারা বাগানে বাগানে ঘুরে কলা ক্রয় করে নিয়ে আসেন। অনেক ক্রেতা আবার বাগানের সমুদয় কলা আগাম ক্রয় করে রাখেন। আর এ রমজান মাসে চাহিদা মোতাবেক ব্যবসায়ীদেরকে কলা সরবরাহ করতে পারছেননা বাগান মালিকরা। বর্তমান চিত্রটা এমন যে, কলা ক্রয়ের জন্য ব্যবসায়ীরা বাগানে হুমড়ী খেয়ে পড়ছেন। এ ফসল চাষ করে যেখানে বাজারমূল্য ও বিক্রি নিয়ে নেই কোন দুশ্চিন্তা সেখানে কৃষকদের ঝুঁকে পড়াটাই স্বাভাবিক। কোন দুশ্চিন্তা ছাড়াই স্বল্প খরচ ও নামমাত্র পরিশ্রমে বেশী লাভের দেখা পাওয়ায় উপজেলার সহ¯্রাধিক কৃষক তাদের তুলনামূলক উঁচু জমিগুলোকে পরিকল্পিতভাবে তৈরী করে কলাচাষের ক্ষেত বানিয়েছেন। এ ক্ষেত থেকে কৃষক প্রতিদিনই বিক্রি করছেন ক্যানে ক্যানে কলা আর পকেটে ভরছেন হাজার হাজার টাকা। এভাবে কলাচাষী শত শত পরিবারে বিরাজ করছে আর্থিক স্বচ্ছলতা। তাদের দেখাদেখী অন্যান্য কৃষকরাও প্রস্তুতি নিচ্ছেন কলাচাষের। কলার বাজারমূল্য এবং চাহিদা এরকমই থাকলে শস্যভান্ডারখ্যাত এ উপজেলায় নিকট ভবিষ্যতে কলাচাষেও বিপ্লব ঘটতে পারে বলে ধারণা করছেন স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। ব্যাপক সফলতার মুখ দেখা এনায়েতপুরের কৃষক হাফিজুর রহমান, ইন্দাইয়ের আঃ সালাম, শেরপুরের শামীম, কার্লনার মোস্তাফিজুর রহমান, বুজরকান্তপুরের আঃ কুদ্দুস ও মহিনগরের হারুন জানান, প্রতিবিঘা জমিতে কলাচাষ করতে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার খরচ হয়। ওই জমির কলা বিক্রি করে খরচ বাদে লাভের পরিমাণ দাঁড়ায় ১ থেকে সোয়া লক্ষ টাকা। তারা জানান, কলা বিক্রির জন্য হাটবাজারেও যেতে হয়না। ক্রেতারা বাগান থেকেই ক্রয় করে নিয়ে যান। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আঃ মোমিন জানান, প্রতিবিঘা জমিতে সারিবদ্ধভাবে ৩৯০ থেকে ৪২০টি কলাগাছ রোপন করা যায়। রোপনের পর থেকে কৃষক ওই বাগান থেকে একনাগাড়ে ২ থেকে ৩ বছর পর্যন্ত কলা বিক্রি করতে পারেন। রোপনকালীন ৩০-৩৫ হাজার টাকা খরচের পর থেকে পরবর্তী বছরগুলোতে বাগানের যতœ ছাড়া কৃষকের আর তেমন খরচ হয়না। বাগানের কলা বিক্রির পাশাপাশি একই বাগান থেকে কলার চারাগাছ বিক্রি করেও ভাল আয় হয় বলে সংশ্লিষ্ট চাষীরা জানান। বাগানের প্রতিটি চারাগাছ ১৫ থেকে ২০ টাকায় বিক্রি হয়। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, এখানে সহ¯্রাধিক বিঘা জমিতে কলাবাগান রয়েছে। তবে ক্রমেই কলাবাগানের সংখ্যা বাড়ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়।

error: কপি হবে না!