ads

বৃহস্পতিবার , ১৭ জুলাই ২০১৪ | ৯ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

নড়াইলের লোহাগড়া মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়কে কোচিং বন্ধে সতর্কীকরণ

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
জুলাই ১৭, ২০১৪ ২:২৯ অপরাহ্ণ
নড়াইলের লোহাগড়া মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়কে কোচিং বন্ধে সতর্কীকরণ

নড়াইল প্রতিনিধি : নড়াইলের লোহাগড়া মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের অর্থের বিনিময়ে কোচিং করানো হয় মর্মে অভিযোগের প্রেক্ষিতে ১৬ জুলাই বুধবার ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বরাবর কোচিং ব্যবসার সাথে জড়িত শিক্ষকদের নামের তালিকা সংশ্লিষ্ট অফিসে প্রেরণসহ সতর্কীকরণ নোটিশ দিয়েছেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার।
জানা গেছে, মঙ্গলবার নড়াইল জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় লোহাগড়া মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের অর্থের বিনিময়ে কোচিং করানোর বিষয়ে অভিযোগ ওঠে। অভিযোগে জানা গেছে কোচিং করতে আগ্রহী নয় এমন শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় কম নম্বর প্রদান করা হয়। স্কুল ছুটির আগে ও পরে ৩’শ টাকার বিনিময়ে ১ম শ্রেনী থেকে পঞ্চম শ্রেনীর ছাত্র-ছাত্রীদের কোচিংয়ের নামে প্রাইভেট পড়তে বাধ্য করা হয়। এ নিয়ে অভিভাবক মহলে ব্যাপক ক্ষোভ রয়েছে। এর আগে একাধিক অভিভাবক ও বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ রেজুলেশন করে উপজেলা শিক্ষা কমিটির নিকট অর্থের বিনিময়ে কোচিং বন্ধে লিখিত দেন। গত বছর প্রাইভেট পড়ানো অবস্থায় লোহাগড়া সরকারী আদর্শ কলেজর হোস্টেল থেকে এক শিক্ষককে হাতে নাতে ধরে ফেলেন তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেবেকা খান। হাইকোর্টের নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে উপজেলার অনেক বিদ্যালয়ে অর্থের বিনিময়ে শিশুদের কোচিং করানো হচ্ছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক অভিভাবক বলেন, সরকারী নীতিমালা ঘোষনার আগে যেখানে প্রতি বিষয়ে পড়াতে ৩’শ টাকা লাগতো, এখন নীতিমালা করার পর শিক্ষকরা প্রতি বিষয়ে ১’শ পঞ্চাশ টাকা করে নেন।
অভিযোগের বিষয়ে লোহাগড়া স: প্রা: বিদ্যলিয়ের প্রধান শিক্ষক উম্মে রুমানা বলেন, গত বছরের নভেম্বরে রেজুলেশন করে বিদ্যালয়ে অর্থের বিনিময়ে কোচিং বন্ধ করা হয়েছে। ভারপ্রাপ্ত উপজেলা শিক্ষা অফিসার রবিউল ইসলাম বলেন, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মহোদয়ের নির্দেশে সংশ্লিষ্ট স্কুলের প্রধান শিক্ষককে তিন কার্যদিবসের মধ্যে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

error: কপি হবে না!