ads

সোমবার , ১৪ জুলাই ২০১৪ | ৯ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

কেশবপুরে জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তার নির্মাণ কাজ শেষ না করে বিল উত্তোলন : এলাকায় ক্ষোভ

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
জুলাই ১৪, ২০১৪ ৬:২৭ অপরাহ্ণ

pic Keshabpur,Jessore 14-07-2014কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি : যশোরের কেশবপুরে একটি জনগুরুত্বপূর্ণ মাটির রাস্তার নির্মাণ কাজ শেষ না করে প্রকল্প কমিটির সভাপতি সমুদয় বিল তুলে আতœসাত করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই রাস্তা দিয়ে জনগনের চলাচলের বিঘœ সৃষ্টি হওয়ায় এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

Shamol Bangla Ads

অভিয়োগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার গোলাঘাটা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশ দিয়ে শ্মশান হয়ে আলতাপোল ঢালিপাড়া পর্যন্ত ২১শ ফুট একটি জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তা রয়েছে। এ রাস্তা দিয়ে মির্জাপুর, সারফাবাদ,মঙ্গলকোট ও আলতাপোল ঢালিপাড়ার লোক জন চলাচলসহ কৃষকরা তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য বাড়িতে আনা নেয়া করে থাকে। রাস্তাটি দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় ব্যবহারের অনুপোযোগি হয়ে পড়ে। এলাকাবাসির দাবীর প্রেক্ষিতে কেশবপুরের সংসদ ও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক রাস্তাটি সংস্কারে কাবিটা প্রকল্পের আওতায় ৩ লাখ ৩৭ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়। রাস্তাটি সাড়ে ৩ ফুট উঁচু ও ১২ ফুট চওড়া করে সংস্কার করার জন্য এ কাজের দায়িত্ব পান মজিদপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান।
প্রকল্প কমিটির সদস্য হাচিনা বেগম অভিযোগ করে বলেন, ২১শ ফুট রাস্তাটির সংস্কার কাজ ৩০ জুনের মধ্যে শেষ করার কথা। কিন্তু প্রকল্প কমিটির সভাপতি মাত্র ৫শ ফুূট রাস্তার মাটির কাজ করে বাকি টাকা হজম করেছে। তা ছাড়া পাশের জমির মালিদের কাছ থেকে উৎকোচ নিয়ে রাস্তার ও শ্মশানের মাটি কেটে রাস্তা সমান করে লুটপাট করা হয়েছে।
স্থানীয় কাউন্সিলর মনোয়ার হোসেন মিন্টু জানান, রাস্তাটি নির্মাণে ব্যাপক অনিয়ম হওয়ায় বিষয়টি পিআইও কে জানানো হলেও তিনি অজ্ঞাত কারণে কোন পদক্ষেপ নেয়নি। গোলাঘাটা শ্মশান কমিটির সভাপতি কৃষ্ণ দেবনাথ জানান, শ্মশানের জায়গা দখল করে রাস্তা নির্মান করা হয়েছে। কিন্তু নির্মাণ কাজ সমাপ্ত না করায় হিন্দু সম্প্রদায়ের মৃত ব্যক্তিদের
অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন করতে মারাতœক বিঘœ সৃষ্টি হচ্ছে।
এ ব্যাপারে প্রকল্প কমিটির সভাপতি মিজানুর রহমান বলেন, ওই এলাকার জনগন রাস্তায় কাজ করতে দিচ্ছে না। তাই শ্মশান এলাকায় সামান্য একটু কাজ বাকি থেকে গেছে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা বিপুল কুমার মালাকার বলেন, এলাকাবাসির অভিযোগ পেয়ে প্রকল্প কমিটির সভাপতিকে কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

কেশবপুর পৌরসভার বাজেট ঘোষাণা

কোন প্রকার নতুন করারোপ ছাড়াই কেশবপুর প্রথম শ্রেণির পৌরসভার ১০ম বাজেট ঘোষণা করেছেন পৌর মেয়র আব্দুস সামাদ বিশ্বাস। ুুরোববার বিকেলে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ২০১৪-১৫ অর্থ বছরের জন্য ৩২ কোটি ৪৫ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়। ঘোষিত বাজেটে রাজস্ব আয় ধরা হয়েছে ৬ কোটি ৪৫ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। রাজস্ব ব্যয় ধরা হয়েছে ৫ কোটি ৩০ লাখ ২৫ হাজার টাকা। এছাড়া উন্নয়ন খাতে ৩১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা আয় এবং ব্যয় ধরা হয়েছে ৩০ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। বাজেটে সার্বিক উদ্বৃত্ত দেখানো হয়েছে ১ কোটি ১০ লাখ ৬০ হাজার টাকা।
পৌর মেয়র আব্দুস সামাদ বিশ্বাসের সভাপতিত্বে বাজেট অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সায়েদ মোঃ মনজুর আলম। অন্যন্যের মধ্যে পৌর কাউন্সিলর মশিয়ার রহমান, ইবাদত সিদ্দিকী বিপুল, আইউব আলী খান, সংরক্ষিত মহিলা ওয়ার্ড কাউন্সিলর আছিয়া বেগম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। পৌর সচিব তফিকুল আলমের সঞ্চালনায় বাজেট পরবর্তী উম্মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন কেশবপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি আশরাফ উজ-জামান খান, উপজেলা পূঁজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক অসিত কুমার মোদক, বিআরডিবির উপজেলা চেয়ারম্যান আবুবকর সিদ্দিক, মাষ্টার বজলুর রহমান,মুকুল হোসেন,নুরুজ্জামান,হযরত আলী প্রমুখ।

error: কপি হবে না!