ads

রবিবার , ১৩ জুলাই ২০১৪ | ২৯শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

বেতাগীতে মুক্তিযোদ্ধা ও পরিবারের মাঝে ভাতা বিতরন

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
জুলাই ১৩, ২০১৪ ৫:১০ অপরাহ্ণ
বেতাগীতে মুক্তিযোদ্ধা ও পরিবারের মাঝে ভাতা বিতরন

বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধি : বেতাগীতে নতুন ভাতাপ্রাপ্তি ৩৮ জন মুক্তিযোদ্ধা ও পরিবরের মাঝে ভাতা বিতরন করা হয়েছে। উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে রবিবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মনির হোসেন হাওলাদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন,বরগুনা জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার আব্দুর রশিদ, মুক্তিযোদ্ধা মেশারেফ হোসেন নসুর সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন,উপজেলা চেয়ারম্যান মো: শাহজাহান কবির,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রভাষক আমিনা বেগম,জেলা সাংগঠনিক কমান্ডার বজলুর রশীদ, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার আব্দুল ওয়াজেদ হাওলাদার,ডেপুটি কমান্ডার আবুল কাশেম, উপজেলা আওয়ামলীগের সভাপতি এবিএম গোলাম কবির, সাধারন সম্পাদক মাকসুদুর রহমান ফোরকান,প্যালেষ্টাইন প্রত্যাগত মুক্তিযোদ্ধা পরিষদের সভাপতি জিয়াউল কবির দুলু ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা সাংগঠনিক কমান্ডার আব্দুল জলিল।এসময় জনপ্রতি ৩৬ হাজার টাকা করে ৩৮ জন মুক্তিযোদ্ধা ও পরিবরের মাঝে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৮শ টাকার চেক বিতরন করা হয়।

বেতাগীতে ভিজিডি চাল বিতরনে অনিয়ম ৪ দিনের ব্যবধানে বোল পাল্টিয়েছে সংশ্লিষ্টরা

Shamol Bangla Ads

বেতাগী উপজেলার বুড়ামজুমদার ইউনিয়নে সুবিধাভোগীদের অগ্রিম স্বাক্ষর রেখে চাল আত্মসাতের ঘটনায় বোল পাল্টিয়েছে ফেলেছে ইউপি চেয়ারম্যান, অধিকাংশ সুবিধাভোগী ও সংশ্লিষ্টরা।শনিবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার পুনরায় সরেজমিনে সাক্ষাতে গেলে তারা চাল আত্মসাতের এ বিষয় অস্বীকার করেন।
ভালনারাবল গ্রুপ ডেভেলপমেন্ট(ভিজিডি) প্রোগ্রামের আওতায় ৯টি ওয়ার্ডে ২০৩ জনকে প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে চাল দেয়া হয়। গত বছরের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত এ নিয়মে চাল বিতরন দেখালেও ৮ জুলাই মঙ্গলবার ওই ইউপির কয়েকটি ওয়ার্ডে চাল বিতরন শুরু হয়। সুবিধাভোগীরা স্বাক্ষর করা ভিজিডি কার্ড চেক করে দেখেন, তাদের ফেব্রুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ৫ মাসের চাল বিতরন দেখানো হয়েছে। কিন্তু তাদের ৩ মাসের ৯০ কেজি চাল দেওয়া হয় বলে সুবিধাভোগীরা একত্রিত হয়ে ৫ মাসের ১৫০ কেজি চাল দাবি করলে চেয়ারম্যান তা উপেক্ষা করে। এ অভিযোগ পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ঘটনাস্থলে পৌছে সুবিধাভোগীদের সাথে কথা বলে এবং সুবিধাভোগী কার্ড, মাস্টার রোল ও বিতরন রেজিষ্টার পরীক্ষা করে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে চাল বিতরন বন্ধ করেন। এ প্রেক্ষিতে ইউপি চেয়ারম্যান বাকী ৬০ কেজি চাল দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। অথচ ঘটনার ৪ দিন পর শনিবার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে সংশ্লিষ্টদের সাক্ষাতকার নেন। এসময় ইউপি চেয়ারম্যান, অধিকাংশ সুবিধাভোগী ও সংশ্লিষ্টরা ১৫০ কেজিই চাল দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন। এদিকে বলইবুনিয়া গ্রামের সুনিতি হাওলাদার(৩৮) ও বুড়ামজুমদার গ্রামের রওশনআরা(২৪) অভিযোগ করেন, তারা দুজনই ৯০ কেজি করে চাল পেয়েছেন। সরেজমিনে দেখা যায়, ১নং ওয়ার্ড মেম্বার মোঃ দলিল উদ্দিনসহ একাধিক মেম্বার ও তাদের সহযোগীরা সুবিধাভোগীদের পরিষদের সভাকক্ষে ডেকে ডেকে সাক্ষাতকারে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে সম্পুর্ন চাল পাওয়ার কথা স্বীকার করার জন্য তাদের নানা ধরনের চাপ সৃস্টি করে এবং হুমকি দেয়। সাক্ষাতগ্রহন কালে উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ শাহজাহান কবির,ভাইসচেয়ারম্যান আবদুস সোবাহান, ইউপি চেয়ারম্যান খ.ম.ফাহরিয়া সংগ্রাম আমিনুল,মাকসদুুুর রহমান ফোরকান,মাহাবুবুল আলম সুজন,ইউসুফ আলী শরীফ উপস্থিত ছিলেন।ইউপি চেয়ারম্যান রেজাউল কবির সুমন পূর্বের ঘটনাটি ষড়যন্ত্রমূলক দাবি করে বলেন, ৭-৮ জন সুবিধাভোগী ছাড়া সাক্ষাতকারে সবাই প্রাপ্ত চাল পাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মনির হোসেন হাওলাদার বলেন, শনিবার সুবিধাভোগী, ইউপি চেয়ারম্যান ও সংশ্লিষ্টদের সাক্ষাতকারে অনিয়মের বিষয়টি তারা অস্বীকার করেন। ফলে বন্ধ রাখা ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের চাল পুনরায় বিতরন করার নির্দেশ দেওয়ায় শনিবার বিকেলে তা বিতরন করা হয়।

error: কপি হবে না!