ads

শনিবার , ১২ জুলাই ২০১৪ | ৯ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শেরপুর সীমান্তে বন বাগান উজার : গড়ে উঠছে বসতি

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
জুলাই ১২, ২০১৪ ২:৪৩ অপরাহ্ণ

desroyed_forest2রেজাউল করিম বকুল, শ্রীবরদী (শেরপুর) : ক’মাস যাবত চলছে বন বৃক্ষ নিধনের মহোত্সব। এর সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বন বাগানের সংরক্ষিত এলাকায় অবৈধভাবে জনবসতি। এতে শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার বালিজুরি রেঞ্জের বন বাগান হচ্ছে সংকোচিত। সরকার হারাছে লাখ লাখ টাকার রাজস্ব আর বন ভূমি।

Shamol Bangla Ads

বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, বালিজুরি রেঞ্জে রয়েছে চারটি বিট অফিস। বালিজুরি, মালাকোচা, কর্ণঝোড়া ডুমুরতলা বিট। এসব বিটে বন ভূমির পরিমান প্রায় ৭ হাজার ৫শ একর জমি। এর মধ্যে সাড়ে ৬ হাজার একর জমিতে উডলট বাগান করা হয়। এসব হচ্ছে একাশি, মেহগিনি, গামর, সেগুন, আকাশ মনি,গজারি ও ইউক্লিপটার্সসহ বিভিন্ন প্রজাতির দ্রুত বর্ধনশীল বৃক্ষ। কয়েক মাসের মধ্যেই বাগানের বৃক্ষগুলো অর্ধেকেরও নিচে নেমে এসেছে। এসব পতিত জমিতে বাড়ছে অবৈধ বসতির সংখ্যা। ফলে বেদখল হচ্ছে সরকারের জমি।
অভিযোগে প্রকাশ, দিনে ও রাতে চলছে বৃক্ষ নিধন। এতে সহায়তা করছে বন কর্তৃপক্ষ। এসব পাচারের সুবিধার্থে বন কর্তৃপক্ষ তাদের দিচ্ছে ভাউচার কপি। ফলে কাঠচোররা প্রকাশ্যেই পাচার করছে এসব বৃক্ষ। এতে উজার হচ্ছে বন বাগান। বালিজুরি সদর বিটে ২০০০ ও ২০০১ অর্থ বছরের সৃজিত উডলট বাগান দু’ বছর আগে নিলামে বিক্রি হয়। পরে ওই জমিতে বাগান করার জন্য সরকারিভাবে বরাদ্দ হয় মোটা অংকের টাকা। অথচ রহস্যজনক কারণে ওই জমি আজো পরিত্যক্ত। স্থানীয় উপকারভোগী কেটাগরী লোকজন সেখানে বাগান করার জন্য রেঞ্জ অফিসার মাহবুব আলমের দ্বারস্থ হন। কিন্তু তিনি আজো তা করছেনা। তবে নিজেকে দায় মুক্তি করতে সেখানে ২০/২৫ একর জমিতে বাগান করেছেন। এতে সহাস্রাধিক একর জমিতে বাগান করার সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। এমনিভাবে বালিজুরি রেঞ্জের চারটি বিট থেকে সরকার হারাচ্ছে বছরে প্রায় কোটি টাকার রাজস্ব। এ ব্যাপারে রেঞ্জ অফিসার মাহবুব আলম বর্তমানকে বলেন, আমাদের লোক সংখ্যা কম। তাই সব বিটে সমানভাবে পাহারা দিতে পারিনা। এ নিয়ে এখনই প্রয়োজন বিভাগীয় কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ। নইলে অচীরেই বৃক্ষ শূন্য হবে এ রেঞ্জের বন বাগান। এমনটাই আশংকা করছেন স্থানীয়রা।

error: কপি হবে না!