ads

শনিবার , ১২ জুলাই ২০১৪ | ৭ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

নন্দীগ্রাম উপজেলা পরিষদ পলাতক চেয়ারম্যান নথিতে বহাল

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
জুলাই ১২, ২০১৪ ৫:২৬ অপরাহ্ণ
নন্দীগ্রাম উপজেলা পরিষদ পলাতক চেয়ারম্যান নথিতে বহাল

নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি ঃ বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা জামায়াতের আমির নুরুল ইসলাম পুলিশের থাতায় পলাতক। পুলিশ খুঁজে না পেলেও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কার্যালয় চেয়ারম্যানকে ঠিকই খুঁজে পাচ্ছে। বিদায় অর্থ বছরের ইউএনও’র কার্যালয় থেকে পাঠানো বিভিন্ন নথিতে নিয়মিত স্বাক্ষর করেছেন তিনি। সর্বশেষে ২৯শে জুন বার্ষিক উন্নন কর্মসূচির বিভিন্ন প্রকল্পের সার সংক্ষেপে স্বাক্ষর করেন। জানতে চাইলে ইউএনও অভিজিৎ রায় বলেন, চেয়ারম্যান গ্রেপ্তারি পড়োয়ানা রয়েছে এটা শুনেছি। তবে তিনি পলাতক কি না জানিনা। তিনি আরো বলেন, অর্থ বছরের শেষে বেশ কিছু সরকারী বিলে নথিতে উপজেলা চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর দরকার হয়। আমার কার্যালয় থেকে বিলের সার সংক্ষেপ চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছিল। চেয়ারম্যান স্বাক্ষরসহ সে সব নথি ফেরত এসেছে। তিনি পলাতক থাকলে নথিতে কি ভাবে স্বাক্ষর নেয়া সম্ভাব হলো। সে টা তার কার্যালয়ের লোকজনই বলতে পারবেন। তবে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের কার্যালয়ের অফিসা সহকারী আ.মালেক দাবি করেন, চেয়ারম্যান ১৯শে জুনের পর থেকে কার্যালয়ে অনুপস্থিত এরপর চেয়ারম্যান স্বাক্ষরের জন্য ইউএনও’র কার্যালয়ে থেকে এখানে কোন ফাইলপত্র পাঠানো হয়নি। তারপরেও কি ভাবে নথি পত্রে চেয়াম্যানের স্বাক্ষর নেয়া হলো এটা আমার জনা নেই। পুলিশ জানাই মানবতা বিরোধী অপরাধে ফাঁসি দন্ডপ্রাপ্ত জামায়াত ইসলামী নায়েবের আমির আল্লামা মাও.দেলওয়ার হোসেন সাঈদীকে চাঁদে দেখা গিয়েছে এমন গুঞ্জব ছড়িয়ে ২০১৩ সালের ৩ই মার্চ বগুড়া জেলা জুড়ে ব্যাপক তান্ডব ও সহিংসতা চালান হয়। ওই দিনে নন্দীগ্রাম উপজেলা পরিষদে হামলা ও গানপাউটার দিয়ে বিভিন্ন দপ্তর পুড়িয়ে দেয়ার ঘটনা ঘটে। এসব হামলার ঘটনায় নুরুল ইমসলাম মন্ডলকে প্রধান আসামি করে থানায় ৪ টি মামলা হয়। গ্রেপ্তার এরাতে নুরুল ইসলাম মন্ডল হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন নেন। চলতি বছরের ১ লা মার্চ ৩টি মামলা পুলিশ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জামায়াতের আমির নুরুল ইসলাম মন্ডলসহ জামায়াত শিবির ও বিএনপির ২৬৮ জন নেতাকর্মীর বিরোধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। গত ১৯শে জুন বগুড়ার বিচারিক হাকিম আহম্মেদ শাহরিয়ার তারিকের আদালতে হাজির না দেয়ায় জামিন বাতিল করে নুরুল ইসলামের বিরোধে গ্রেপ্তারি পড়োয়ানা জারি করেন। এরপর থেকে তিনি অফিস করছেন না। বগুড়া সরকারী পিপি হেলালুর রহমান বলেন, গ্রেপ্তারি পড়োয়ানা মাথায় নিয়ে কোন আসামি সরকারী নথিতে স্বাক্ষর করতে পারেনা। থানার অফিসার ইনচার্জ শাহজাহান আলী আলী বলেন, উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরোধে আদালতে গ্রেপ্তারি পড়োয়ানা ২৩শে জুন থানায় আসে। এরপর থেকে তার সরকারী দপ্তর বাড়িসহ সম্ভব্য সব জায়গায় অভিযান চালানো হয়েছে। তিনি এলাকায় না থাকায় গ্রেপ্তারের সম্ভব হয়নি। মুঠো ফোন বন্ধ থাকায় চেয়ারম্যানের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

error: কপি হবে না!