ads

বৃহস্পতিবার , ১০ জুলাই ২০১৪ | ৭ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

বৃষ্টিতে জলমগ্ন নকলা শহর : জনদূর্ভোগ চরমে

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
জুলাই ১০, ২০১৪ ৩:১৫ অপরাহ্ণ

00003মোশারফ হোসেন, নকলা (শেরপুর) : শেরপুর জেলাধীন নকলা পৌর শহর বৃষ্টিতে জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও নিচু এলাকায় প্রায় হাটু পানি জমে থাকায় যান চলাচলে সমস্যা, কর্দমাক্ত রাস্তা ও জলাবদ্ধতা এই তিন সমস্যা মিলে চরম জনদূর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে। 

Shamol Bangla Ads

ঐতিহ্যবাহী নকলা পৌরসভার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া খাল-বিলগুলো অবৈধ দখল ও শহরের পরিকল্পিত ড্রেনের ব্যবস্থা না থাকায় প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। শহরের প্রাণ কেন্দ্র দিয়ে চলে যাওয়া ঢাকা টু শেরপুর এবং নাকুগাঁও স্থলবন্দরের মহাসড়ক, পোস্ট অফিস এলাকা, জামে মসজিদ রোড, ধানহাটির রোড, কামারপট্টি রোড, হাজী জালমামুদ কলেজের দক্ষিণ পূর্ব এলাকার রাস্তা, সরকারী আবাসিক (কোয়াটার) এলাকার রোড, নকলা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনের রোড, উকিলপট্টি রোড, নালিতাবাড়ী মোড়, বাসষ্টেশন, চালহাটির রাস্তা সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। এ সব এলাকায় ড্রেনেজ ব্যবস্থা আছে কি-না তা বুঝা মুশকিল হয়ে পড়েছে।
পৌরবাসীরা জানান সু-পরিকল্পিত ভাবে ড্রেনেজ ব্যবস্থা না হওয়ায় একটু বৃষ্টি হলেই পানি দোকান পাট সহ রাস্তায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি করে। ব্যবসায়ীদের অনুরোধে ফিডার রোডের ড্রেন পরিস্কার করা হলে, ব্যবসায়ীরা ভেবে ছিল দূর্ভোগ কমবে, কিন্তু ড্রেনের ময়লা ড্রেনের কিনারে রাখায় এবং হয়তো আরও অজ্ঞাত কোনো কারণে পানি এখন পূর্বের চেয়ে বেশি জমা হয়ে থাকছে। কামারপট্টির বাসিন্দা ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর মোঃ আদেল, চাকুরীজীবি লুৎফর রহমান লিটন, শিক্ষক মোঃ মোশারফ হোসেন, কৃষি উপ-সহকারী মোঃ লিটন মিয়া সহ অনেকেই জানান ড্রেন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আগে বৃষ্টির পানি কামারপট্টির রাস্তার উপর দিয়ে নিচু এলাকায় যেত, কিন্তু বর্ষার শুরুতে কামারপট্টি রাস্তায় মাটি/ইটের সুরকি দেওয়ায় রাস্তার উপর দিয়ে পানি যাতায়াত বন্ধ হয়ে যায়, ফলে মহাসড়কের পানি জমে দোকান পাঠে উঠছে এবং অসহনীয় জনদূর্ভোগের সৃষ্টি করছে। এ বিষয়ে পৌর মেয়র মোখলেছুর রহমান তারার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তা সম্ভব হয়নি। তবে স্থানীয় তথা ভূক্তভোগী সেলুন ব্যবসায়ী শ্রী নয়ন চন্দ্রশীল, লাইব্রেরী ব্যবসায়ী কামরুজ্জামান, কম্পিউটার ব্যবসায়ী সোহিলুর রহমান ও সায়েম, রড সিমেন্টের ব্যবসায়ী আরিফ মিয়া, জুয়েলারী ব্যবসায়ী সোলেমান মিয়া, গিফট কর্ণার ব্যবসায়ী সিজার, টেইলার্স মালিক কালাম মিয়া, মোবাইল ব্যবসায়ী মামুন ও মোঃ মোশারফ হোসেন সরকার বাবু, মেশিনারিজ ব্যবসায়ী আরিফ, ফাস্টফুডের মালিক মোঃ জিন্নাহ সহ আরও অনেক ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ১৫/২০ জন ভূক্তভোগী ব্যবসায়ী এ সমস্যা সমাধানের জন্য পৌর মেয়রের কাছে গেলে তিনি বলেন- এ মহুর্তে আমার কিছু করার নেই। তবে পরবর্তীতে অর্থ প্রাপ্তী সাপেক্ষে সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ওয়ার্ড কমিশনার বলেন- মেয়র নাকি শহরের অপেক্ষায় বাইরের দিকে নজর দিচ্ছেন বেশি। কাজটি যেহেতু পৌরসভার আওতাধীন তাই ইউএনও মহোদয়ের মতামত জানা হয়নি। শহরের ব্যবসায়ীরা রাগে-ক্ষোভে সোজাসাপটা বলছেন এ জলবদ্ধতার সমস্যা সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আর কোন পৌর কর দিবেন না, হয়তো এমন কথা-বার্তা মেয়রের কান পর্যন্ত পৌছলে পৌর মেয়র তড়িগড়ি করে ৪/৫জন শ্রমিক দিয়ে লোক দেখানো ১/২ ঘন্টা কাজ করান যা কাজের কাজ বলতে কিছুই হয়নি। তবে সিংহভাগ পৌর করদাতা ব্যবসায়ী মহল, এলাকাবাসী, খেটে খাওয়া জনগণ, শিক্ষক, সাংবাদিক, বিভিন্ন রাজনৈতিক মহল সহ শহরের বাহির থেকে আসা হাজারও জনতা এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করছেন।

error: কপি হবে না!