ads

সোমবার , ৭ জুলাই ২০১৪ | ২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

সরকারী স্লুইস গেইট গুলো অবৈধ দখলে : পেকুয়ায় ২শ অবৈধ নাশি স্থাপন করে বেড়িবাঁধ জবাই

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
জুলাই ৭, ২০১৪ ১২:৪৭ অপরাহ্ণ
সরকারী স্লুইস গেইট গুলো অবৈধ দখলে : পেকুয়ায় ২শ অবৈধ নাশি স্থাপন করে বেড়িবাঁধ জবাই

এম.আবদুল্লাহ আনসারী, পেকুয়া (কক্সবাজার) : পেকুয়ায় বঙ্গেপসাগরের বেড়িবাঁধ জবাই করে চিংড়িচাষের জন্যে দুশতাধিক অবৈধ নাশি বসিয়েছে প্রভাবশালীরা। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা ও স্থানীয় প্রশাসনের রহস্যজনক নিরবতার কারণে যত্রতত্র বেড়িবাধ কেটে নাশি স্থাপন করার কারণে বেড়িবাধের ঠেকসই স্থায়িত্ব নষ্ঠ হয়ে গেছে। এখন স্বাভাবিক জোয়ারে ধাক্কা স্ইবার ক্ষমতা বেড়িবাধের নেই। পুরো উপক’ল জুড়ে বঙ্গোপসাগরের ঝরাজীর্ণ বেড়িবাধের কারণে পায় জায়গায় বসতি পর্যন্ত সরিয়ে ফেলা হয়েছে সেখানে নিত্যদিন বেড়িবাঁধ কেটে নাশি বাসিয়ে চিংড়ি চাষ করা হচ্ছে। সাগরতীরবর্তী মানুষের অভিযোগ যে অংশে নাশি বাসানো হয় দুর্যোগের সৃষ্টি হলে সেখানে ভেঙ্গে গিয়ে মহামারি ধারণ করে।

Shamol Bangla Ads

সরজমিনে গিয়ে ওয়াপদার বেড়িবাঁধ পরিদর্শন ও স্থানীয় লোকজনের সাথে কথা বলে জানাগেছে একটি ৫কানির চিংড়ি ঘেরের জন্যেও নিজের ইচ্ছে মতো বেড়িবাধ কেটে নাশি বসানো হয়েছে। ওয়াপদার সøুইচ গেইট গুলোর ইজারাদাররা নিজেদের ইচ্ছে মতো দখল করে রাখা ও স্লুইস গেইট গুলো কেন্দ্রিক পানি নি:স্কাশনের প্রবাহিত খাল প্রভাবশালীদের জবর দখলে থেকে যাওয়ায় চিংড়ি চাষীদের ও লবণচাষীদের প্রয়োজনীয় পানি ব্যবহার করতে বিকল্প নাশির দরকার হয়েপড়ে। উপজেলার মগনামা ষাট দুনিয়া পাড়া থেকে কাক পাড়া হয়ে পশ্চিম উজানটিয়া ঘোষাল পাড়া নতুন পাড়া, করিমদাদ মিয়ার ঘাট এলাকা খান বাহাদুর বদিউদ্দিন কামার বাড়ী ওয়াইক্ক্যামার্কেট টেকপাড়া রুপালী বাজার এলাকায় অসংখ্য অবৈধ নাশি স্থাপন করে বেড়িবাধকে জবাই করা হয়েছে। স্থানীয় লোকজন বলেন, প্রায় সøুইচ গেইট গুলো অচল অবস্থায় পতিত হওয়ার কারণে পানি যাওয়া আসা প্রয়োজন মতো করতে পারেনা। এছাড়া দখলদারদের ইচ্ছে পুরণ করেই পানি ব্যবহার করতে হয়। পশ্চিম উজানটিয়ার ৫৪ নং স্লুইস গেইটটি অনেকটা নষ্ট এছাড়া একশ্রেণীর প্রভাবশালী মহল দখল করে রাখায় সেখানকার চিংড়িচাষীরা তাদের পানি নিতে পারছেনা বলে অবৈধভাবে বেড়িবাধ কেটে নাশি বসিয়ে চিংড়ি চাষ করছে। খান বাহাদুর বদিউদ্দিন চৌধুরীর খামার বাড়ির পাশের সøইচ গেইটটি স্থানীয় প্রভাবশালী রহিম মেম্বার গং দখল করে রাখায় সে অংশের চিংড়িচাষীরা যত্রতত্র নাশি বসিয়েছে। স্থানীয় লোকজন বলেন, পশ্চিম উজানটিয়ার পোকখালী খাল হয়ে ৫৪ নং সøুইচ গেইট পর্যন্ত একটি খাল খনন করে দিয়েছিলেন সাবেক যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ কিন্তু এখন খালটি স্থানীয় চিংড়ি চাষীরা জবর দখল করায় এলাকার পানি নি:স্কাশন হচ্ছেনা। খালটি উন্মুক্ত করা না হলে ওই এলাকার চিংড়ি ও লবণ চাষাবাদে প্রভাবশালীদের কবল থেকে মুক্ত হয়ে কাজ করা যাবেনা। স্থানীয় লোকজন আরো বলেন, শুধু চিংড়ি চাষীদের জন্যে বেড়িবাধ ্এরকম ঝুকিপূর্ণ হয়েগেছে। এব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শহিদুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বেড়িবাধ কাটার অধিকার কারো নেই। স্লুইস গেইট গুলো যে ইজারা নিয়ে থাকুকনা কেন সর্বসাধারণের সুবিধার্থে তারা ব্যবস্থাপনা করবেন এমনটা নিয়ম। এব্যাপারে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাফায়েত আজজি বাজুর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ওয়াপদার সøুইচ গেইট গুলো অকেজু ও অব্যবস্থাপনার কারণে চিংড়ি ঘের মালিকরা বেপরোয়া হয়ে বেড়িবাধ কেটে নাশি স্থাপন করছে। তিনি আরো বলেন,আগে প্রতিটি স্লুইসগেইটে ঘর সহ পরিচর্যাকারী লোক ছিল এখন প্রায় ঘর গুলি ধ্বংস হয়েগেছে নিয়োগকৃত লোকেরাও অবসরে চলেগেছে সরকার নতুন করে আর লোকবল নিয়োগ করেনি টাকা খরচ করে স্লুইস গেইট গুলো ইজারা নেয় বলেই চাষীদের কাছ থেকে টাকা আদায় করছে। এ বিষয় গুলো ওয়াপদা কঠোর ভাবে নিয়ন্ত্রন না করলে দিন দিন বেড়িবাধ ঝুকিপূর্ণ হয়ে যাবে।

পেকুয়ার শিলখালীতে তুচ্ছ ঘটনায় ছাত্র ও বিচারক মেম্বারকে আসামী করে মামলা

পেকুয়ার শিলখালীতে বসতঘরের সীমানা বিরোধের জের ধরে স্থানীয় ইউপি সদস্যের উপস্থিতিতে বিচার চলাকালীন সংঘর্ষের ঘটনায় ছাত্র ও বিচারক স্থানীয় ইউপি সদস্যকে আসামী করে থানায় মিথ্যা মামলা দায়ের করে হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানাযায়, শিলখালী ইউনিয়নের সবুজ পাড়া গ্রামের মৃত হাছান আলী ও বশির আহমদের মধ্যে বসতঘরের সীমানা সংক্রান্ত বিরোধের সৃষ্টি হলে স্থানীয় ইউপি সদস্য আবুল কালাম দুপক্ষকে নিয়ে ৩০জুন বিচারে বসেন। বিচার চলাকালীন বশিরের ছেলে মুছা তার পিতা বশির ও ভাই বোন হঠাৎ তাদের প্রতিপক্ষের ওপর চটে গিয়ে মারধর শুরু করে এতে দুপক্ষের সংঘর্ষের সৃষ্টি হলে দুপকেষ ৮ ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়। এঘটনায় মাদ্রাসা ছাত্র আবু সালেক(১৫) ও স্থানীয় ইউপি সদস্য আবুলকালাম ও সংঘর্ষের ঘটনা নিস্পত্তি করতে যাওয়া নিরপরাধ ফরিদুল আলমকে সহ আসামী করে মুছা বাদী হয়ে পেকুয়া থানায় মিথ্যা মামলা দায়ের করেন মামলা নং-০২ তারিখ; ৪/৭/২০১৪ইং। স্থানীয় ইউপি সদস্য আবুলকালামের কাছে এব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ্আমি সীমানা বিরোধের বিচার করতে গিয়ে একটি সামাধান দিয়েছিলাম পরে তারা দুপক্ষ জড়িয়ে যায় এখন শুনেছি আমাকেও আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার তদন্তকর্মকর্তা রেজাউল করিম চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তদন্তকালে নিরপরাধকে বাদ দেয়া হবে।

পেকুয়ায় হত্যা মামলা পলাতক আসামী আটক

Shamol Bangla Ads

পেকুয়ায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এক হত্যা মামলার পলাতক আসামীকে আটক করেছে। উপজেলার পূর্ব উজানটিয়ার নুরীর বাপের বাড়ীর মৃত মফিজুর রহমানের ছেলে হত্যা মামলার পলাতক আসামী কপিল উদ্দিনকে ৬জুলাই বিকাল ৪টার দিকে পেকুয়া থানার এস.আই রেজাউল করিম চৌধুরী ফাসিয়াখালী ব্রীজ থেকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। জানাযায় ১৯৯৪ সালের চকরিয়ার পুরইত্যাখালীতে স্শস্ত্র সংঘর্ষে এক ব্যক্তি নিহত হলে দায়ের কৃত হত্যা মামলায় কপিল সহ তার পরিবারের সদস্যদের আসামী করা হয়। কপিল ১৯৯৪ ইংরেজী থেকেই পলাতক বলে থানা সুত্রে জানাগেছে।

পেকুয়ার শিলখালীতে রিজার্ভবাগানে গাছ কেটে সাবাড় বনবিভাগের রহস্যজনক নিরবতার অভিযোগ

পেকুয়ার পাহাড়ি অঞ্চল শিলখালীর রিজার্ভ বাগানের বনায়নের কয়েক লাখ টাকা মূল্যের বহু প্রজাতির গাছ স্থানীয় বনদস্যূরা কেটে সাবাড় করলেও স্থানীয় বনবিভাগের লোকজন রহস্যজনক নিরবতা পালনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানাগেছে শিলখালী ইউনিয়নের অধীনে সবুজ পাড়া বনবিভাগের সরকারী রিজার্ভ বাগানের প্রায় ৩শতাধিক বিভিন্ন প্রজাতির পাহাড়ি গাছ স্থানীয় মৃত মকতুল হোসেনের পুত্র বশির আহমদ ও জহিরুল ইসলাম সশস্ত্র লোকজন নিয়ে কেটে বিক্রি করে দিয়েছে। এক লাখ ত্রিশ হাজার টাকার বিক্রি করার পরও এখনো কয়েক শ গাছ কাটা অবস্থায় পড়ে আছে। এব্যাপারে শিলখালী ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল হোসাইনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এক সময় পাহাড়ে তারা ছিল বলে শুনেছি এখন তারা নিচে লোকালয়ে অবস্থান করছে গাছ কাটার বিষয়ে তিনি অবগত নন বলে জানান। স্থানীয় লোকজন বলেন, রিজার্ভ এলাকায় বসবাসকারীরা পর্যন্ত তাদের বসতঘর থেকে গাছ কাটতে পারেনা। তারা ওই জায়গাতে বসবাস না করেও কিভাবে সরকারী রিজার্ভ বাগানের গাছ কেটে বিক্রি করল তা তাদের বুঝে আসেনা। এব্যাপারে বারবাকিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা উত্তমকুমারের সাথে করা হলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে অবগত নন এবং তিনি অফিসের কাজে চট্টগ্রামে অবস্থান করছেন। পহরচাদা বিট কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনিও বিষয়টি অবগত নন বলে জানান। তিনি আরো বলেন শিঘ্রই অভিযান চালিয়ে গাছ জব্ধ করা হবে।

error: কপি হবে না!