ads

সোমবার , ৭ জুলাই ২০১৪ | ২৯শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

মহাদেবপুরে খাদ্যগুদামে চাল সংগ্রহে অনিয়মের অভিযোগ

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
জুলাই ৭, ২০১৪ ৯:৩৪ অপরাহ্ণ
মহাদেবপুরে খাদ্যগুদামে চাল সংগ্রহে অনিয়মের অভিযোগ

মহাদেবপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি : অনিয়ম ও দুর্নীতির মহোৎসব শুরু হয়েছে নওগাঁর মহাদেবপুরের মহিষবাথান খাদ্যগুদামে। অভিযোগ উঠেছে, ওই গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ঘুষের অর্থে ম্যানেজ হয়ে চলতি বোরো মৌসুমে চুক্তিবদ্ধ মিলারদের বাড়তি সুবিধা দেয়ায় তারা গুডাউনে ইচ্ছেমতন অধিক ময়েশ্চারাইজারের সাথে ভাঙ্গা দানা ও তামরী চাল প্রবেশে মেতে উঠেছেন। এখানে এতটাই ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে যে, কর্মকর্তার ইচ্ছায় নয়, এখন গুডাউনে চাল প্রবেশ করছে চাল ব্যবসায়ীদের ইচ্ছায়। এ কারণে সঠিক মান নির্ণয় ছাড়াই যা ইচ্ছে তাই চাল ঢুকে যাচ্ছে গুডাউনে। স্থানীয় সচেতন চাল ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, ওই গুডাউনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এসআই মোজাফফর হোসেন (লিখন) একই ষ্টেশনে দীঘর্দিন যাবত থাকার কারণে বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। এসব অনিয়ম-দুর্নীতি ব্যাপারে প্রতিবাদ করা হলেও তিনি কোন কথাই কানে নেননা। তিনি দম্ভ করে বলে বেড়ান উপরের কর্তাদের ম্যানেজ করা আছে। এসব অভিযোগে কোন কাজ হবেনা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চলতি বোরো মৌসুমে সরকার মহিষবাথান গোডাউনে প্রায় ৮ হাজার ৩০০ মেঃটন চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে। সরকারের নিতীমালা অনুযায়ী সংগ্রহ করা চালের ময়েশ্চারাইজার শতকরা ১৪ ভাগ থাকার কথা থাকলেও নীতিমালাকে বৃদ্ধাংগুলি দেখিয়ে ১৬ থেকে ১৭ ভাগ ময়েশ্চারাইজার আছে এমন চাল সংগ্রহ করা হচ্ছে। এছাড়া অধিক ভাঙ্গা দানা এবং তামরী হয়ে যাওয়া চালের ক্ষেত্রে নীতিমালায় সর্ব্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের কথা বলা থাকলেও এসব চালই ক্রয় করা হচ্ছে দেদারছে। চুক্তিবদ্ধ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মোটা অংকের আর্থিক সুবিধা নেয়ায় তিনি মহোৎসব করে মানহীন চাল ক্রয় করছেন। এদিকে প্রত্যক্ষদর্শী অন্যান্য ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কারণে-অকারণে কর্মক্ষেত্রের বাইরে অবস্থান করলেও গুডাউনে চাল সংগ্রহ বন্ধ থাকেনা। এসময়গুলোতে গুডাউনের নিরাপত্তা প্রহরী চন্দন চাল সংগ্রহের দায়িত্ব পালন করে থাকেন। অথচ একজন নিরাপত্তা প্রহরী কোন ক্রমেই চাল সংগ্রহের কাজ করতে পারবেননা। উপজেলা সদরের আবেজান এবং মৌসুমী অটোমেটিক চালকলসহ বেশ কয়েকটি চালকল এ অবৈধ সুবিধাগুলো নিচ্ছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এসব মিলের মানহীন চাল সেখান থেকে স্থানান্তরের পর সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়ি এলএসডিতে পরীক্ষায় উর্ত্তীর্ণ না হওয়ায় ব্যাপক হৈচৈ বেধে যায়। মোজাফফর হোসেন বিশেষ ম্যানেজ ক্ষমতায় সেসব ঝামেলা মিটিয়ে ফেলেন বলে ভুক্তভোগীরা জানান। এসব ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে ওই গুডাউনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোজাফফর হোসেন (লিখন) কোন সদুত্তোর দিতে পারেননি। সচেতন চাল ব্যবসায়ীরা দুর্নীতির এই মহোৎসব বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

error: কপি হবে না!